ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১৪:০২:০৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যায় প্রাণহানী বেড়ে ৫১, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখ মানুষ আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা

যেসব দেশে নারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৩:৪১ পিএম, ১৩ জুন ২০১৮ বুধবার

বিশ্বের প্রায় সব দেশেই নারীদের চেয়ে পুরুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বেশি। তবে এর ব্যতিক্রম যে নেই তা কিন্তু নয়। বিশ্বের এই মুহূর্তে এমন ছয়টি দেশ রয়েছে যেখানে পুরুষের চেয়ে নারীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বেশি। দেশগুলো হলো আর্জেন্টিনা, জর্জিয়া, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মঙ্গোলিয়া ও ফিলিপিন্স।

 

সম্প্রতি ১৪০টি দেশের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ এক হিসেবে দেখা যায় প্রায় ৫০ কোটিরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট রয়েছে সেটি প্রচলিত ব্যাংকেই হোক আর মোবাইল ব্যাংকিংয়েই হোক। এদের মধ্যে যাদের ব্যাংক হিসাব রয়েছে তাদের মধ্যে পুরুষ ৭২ শতাংশ আর নারী ৬৫ শতাংশ।

 

পরিসংখ্যান যদি ঠিক থাকে তাহলে বাকী ছয়টি দেশে উল্টো চিত্র কেন হবে, মনে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক। এর সমাধান খোজার চেষ্টা করেছেন বিশ্বব্যাংকের নামী অর্থনীতিবিদ লিওরা ক্ল্যাপার। তার মতে ,ফিলিপিন্সে যেমন অনেক বেশি সংখ্যায় নারীরা দেশের বাইরে যাচ্ছেন কাজে এবং তাদের ব্যাংক হিসাব রয়েছে। পরিবারকে সহায়তা করতে এসব নারীরা প্রচুর অর্থ পাঠান রেমিটেন্স হিসেবে।

 

আবার এ ছয়টি দেশেই (লাওস ছাড়া) নারীরা নগদ অর্থ সহায়তা পেয়ে থাকেন সরকারি নানা কর্মসূচি থেকে । এ অর্থ তাদের ব্যাংক হিসাবে জমা হতে থাকে। মঙ্গোলিয়ায় ৪৩ শতাংশ নারী এমন অর্থ সহায়তা পান যেখানে দেশটির ২৪ শতাংশ পুরুষ এমন সহায়তা পেয়ে থাকে। ইন্দোনেশিয়ায় বছরে অন্তত একবার অর্থ জমা কিংবা প্রত্যাহার সচল থাকা ব্যাংক হিসাবগুলোতে নারী ও পুরুষের উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। এক অর্থে প্রায় সমান- সমানই।

 

তবে এখানে অন্য আরেকটি বিষয়ের উপরও গুরুত্ব দেন লিওরা ক্ল্যাপার। তা হলো ফিলিপিন্স ছাড়াও অন্য দেশগুলোতে সচল থাকা হিসাবের সংখ্যায় নারীরা যে পুরুষের চেয়ে বেশি হবে সেটি নয়। ভারত ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে লিঙ্গ পার্থক্য অনেকটা কমিয়ে আনলেও নারীদের নামে থাকা ব্যাংক হিসেব প্রথমদিকে সক্রিয় থাকলেও পরে দেখা যায় অনেকগুলোই নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে ভারতের জন্য এ সমস্যার সমাধান করাই একটা বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন এ অর্থনীতিবিদ।