ঢাকা, শুক্রবার ১৭, জুলাই ২০২৬ ২২:৪৬:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

লামায় পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ ৫ জন নিহত : নিখোঁজ ৩

আপডেট: ০৮:৩৭ এএম, ১ আগস্ট ২০১৫ শনিবার

bandarban__790342239 স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসে বান্দরবানের লামা উপজেলা সদরের হাসপাতাল পাড়ায় শুক্রবার রাত আড়াইটায় ৩ পরিবারের ৪ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। আহতাবস্থায় উদ্ধার করা আরাফাত হোসেন (১২) শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। ফলে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫-এ। মাটিচাপা পড়েছে আরও ৩ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার লেদু মিয়া লামা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মাটিচাপা পড়াদের উদ্ধারে কাজ চলছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে সহায়তা করছেন। লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদ মাহমুদ এবং পৌর মেয়র আমির হোসেন আমু শনিবার সকালে জানান, প্রবল বর্ষণজনিত কারণে পাহাড়ের অংশ ধসে পড়ে হাসপাতাল পাড়ায় ৩টি ঘর বিধ্বস্ত হয়। মাটিধসে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রোজিনা আক্তার (৩৪), তার পুত্র সাজ্জাদ হোসেন (৫) ও পুতু (১০)। অপর পরিবারের আমেনা বেগম (৩৫) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরাফাত হোসেনকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। মাটিচাপা পড়ে রয়েছেন মো. বশির (৫৫), জিকু মাষ্টার (৮০) এবং ফাতেমা বেগম (৮)। তাদেরকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও দমকল বাহিনীসহ সর্বস্তরের মানুষ কাজ করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, শনিবার সকালে নিহত ৫ জনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২৫ হাজার টাকা করে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। লামা উপজেলায় পাহাড় ধসের অতিঝুঁকিতে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই ঝুঁকিপুর্ণ অবস্থায় পাহাড়ের পাদদেশে এখনও বসবাস করছেন। উল্লেখ, ২০১২ সালের জুলাই মাসে একই উপজেলার আজিজনগর, গজালিয়া এবং ফাইতংয়ে পাহাড় ধসে মাটি চাপায় এক পরিবারের ৭ জনসহ ২৮ জন মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। ওই সময় বানের পানি ও পাহাড় ধসে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ও বাইশারীতে নিহত হন আরও ৬ জন গ্রামবাসী। নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় পাহাড় ধসের কারণে প্রতিবছরই বর্ষায় অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং শত শত বাড়ি-ঘর ধসে পড়ে। ব্যাপক বনজ ও ফলজ বাগানের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ০১.০৮.২০১৫

এই বিভাগের জনপ্রিয়