ঢাকা, শনিবার ১৫, আগস্ট ২০২৬ ১৮:৪১:০১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরেও বদলায়নি তালেবান, হতাশ আফগান নারীরা ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা, প্রস্তুত জলকামান ১৫ আগস্ট ঘিরে গোপালগঞ্জে পাঁচ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ বঙ্গবন্ধুর ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ

শিশু আছিয়া ধর্ষণও হত্যাকারীর পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩৬ পিএম, ১৫ আগস্ট ২০২৬ শনিবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

মাগুরার বহুল আলোচিত আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির জন্য আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক জানান, পূর্ববর্তী আসামিপক্ষের আইনজীবী আদালতে লিখিতভাবে জানান তিনি আর মামলাটি পরিচালনা করছেন না এবং 'অনাপত্তিপত্র' (এনওসি) প্রদান করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি তরান্বিত করতে আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ ও ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ওই শিশুটি পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়। বোন জামাইয়ের বাবা হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার চেষ্টা চালান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ভর্তি করা হলে পরবর্তীতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। উক্ত ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে প্রধান আসামি হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মাত্র ১৩ কার্যদিবসে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। একই বছরের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মূল আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন। মামলার অপর তিন আসামি— সজীব শেখ, তাঁর ভাই ও মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।