শীতকালে ৫টি ভুল আপনার শিশুর জন্য হতে পারে ‘বিষ’
হেলথ ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৯:৪৪ এএম, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার
ছবি: সংগৃহীত
শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের রোগবালাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অনেক সময় মা-বাবারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। চিকিৎসকরা এই ৫টি বিষয়কে শীতকালীন ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
১. শিশুকে ‘গাদাগাদি’ করে কাপড় পরানো : অনেক মা-বাবা মনে করেন যত বেশি কাপড়, তত বেশি সুরক্ষা। কিন্তু অতিরিক্ত কাপড়ে শিশু ঘেমে যেতে পারে। এই ঘাম শিশুর শরীরেই শুকিয়ে গিয়ে ‘সুয়েটিং কোল্ড’ বা মারাত্মক ঠান্ডা লাগার সৃষ্টি করে, যা থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে।
পরামর্শ: সুতি কাপড়ের কয়েকটি স্তর ব্যবহার করুন, যাতে ঘামলে সহজেই বোঝা যায়।
২. বদ্ধ ঘরে কয়লা বা লাকড়ির আগুন : গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, অনেক সময় শহরেও ঘর গরম রাখতে অনেকে কয়লা বা লাকড়ি জ্বালান। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা শিশুর শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
পরামর্শ: ঘর গরম রাখতে নিরাপদ রুম হিটার ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।
৩. সরাসরি ঠান্ডা পানি স্পর্শ করা : শিশুরা খেলাচ্ছলে সরাসরি ট্যাপের ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত ধোয়া বা কুলকুচি করে। এতে নিমেষেই তাদের সাইনাস বা টনসিলের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।
পরামর্শ : হাত ধোয়া বা গোসলের জন্য সবসময় হালকা কুসুম গরম পানি নিশ্চিত করুন।
৪. কুয়াশার মধ্যে ভোরে বাইরে বের করা : অনেকে মনে করেন সকালের তাজা বাতাস ভালো, কিন্তু শীতের সকালের কুয়াশায় মিশে থাকে ধুলিকণা ও ক্ষতিকর জীবাণু। এই ‘স্মোগ’ শিশুদের ফুসফুসের জন্য বিষের সমান।
পরামর্শ : রোদ না ওঠা পর্যন্ত শিশুকে ঘরের বাইরে বের করবেন না। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করান।
৫. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা সিরাপ: সামান্য সর্দি-কাশি হলেই অনেক অভিভাবক ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছেমতো কফ সিরাপ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান। এটি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী লিভার ও কিডনি জটিলতার কারণ হতে পারে।
পরামর্শ : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ শিশুকে দেবেন না।
- শুনানিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্নার উদ্ভট আচরণ, পরে কান্না
- রামিসা হত্যা মামলা: সোহেল-স্বপ্নার ফাঁসি দাবি রাষ্ট্রপক্ষের
- কারামুক্ত হয়ে সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আইভী
- সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ১০ বছর পর বাংলাদেশ-ভারত ফাইনাল
- বরিশাল জাদুঘর: অবহেলায় ঝুঁকিতে দুই শতকের ঐতিহ্য
- অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস, দূষণ তালিকায় ১১
- যেসব জেলায় ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি হতে পারে
- রামিসা হত্যা মামলা: রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে আজ
- সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার
- ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা
- নিলামে উঠছে পেলের প্রথম বিশ্বকাপ জার্সি
- মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট
- সোনা: পৃথিবীর সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ধাতুর গল্প
- এবার বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
- তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
- মায়ের মরদেহে পচন, যুগ্ম-সচিব ছেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে
- নারীদের টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নিগার-তৃষ্ণার উন্নতি
- এবার বিশ্ববাজারে কমেছে স্বর্ণের দাম
- নিলামে উঠছে পেলের প্রথম বিশ্বকাপ জার্সি
- ইউএনজিএ নির্বাচনে জয় ১৭ কোটি বাংলাদেশির: শামা
- হায় জীবন, মায়ের মরদেহের পাশে পচে যায় মানবিকতা!
- নারী-শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে শিগগিরই দেশব্যাপী কর্মসূচি
- ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে
- রামিসা হত্যা মামলা: আত্মপক্ষ সমর্থন শেষ, যুক্তিতর্ক কাল
- এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল
- সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ
- মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট
- খানজাহান আলী (রহ:) মাজারের দিঘির কুমিরটি সরিয়ে নেয়া হবে
- সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার
- হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো








