ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৪৫:০৯ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে বাঙালি মহীয়সী নারী ইলা মিত্রের জন্মদিন আজ ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর রাজধানীর বাইরে অনুমোদন ছাড়াই চলছিল ইনানীর রিসোর্ট টুপটুপ কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী হাসপাতালে ডাক্তারের ধূমপান, বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ইনানী রিসোর্টে আগুন: নিহতদের ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

শীতকালে ৫টি ভুল আপনার শিশুর জন্য হতে পারে ‘বিষ’

হেলথ ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪৪ এএম, ৩ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে শিশুদের রোগবালাই আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। অনেক সময় মা-বাবারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করতে গিয়ে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। চিকিৎসকরা এই ৫টি বিষয়কে শীতকালীন ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

১. শিশুকে ‘গাদাগাদি’ করে কাপড় পরানো : অনেক মা-বাবা মনে করেন যত বেশি কাপড়, তত বেশি সুরক্ষা। কিন্তু অতিরিক্ত কাপড়ে শিশু ঘেমে যেতে পারে। এই ঘাম শিশুর শরীরেই শুকিয়ে গিয়ে ‘সুয়েটিং কোল্ড’ বা মারাত্মক ঠান্ডা লাগার সৃষ্টি করে, যা থেকে নিউমোনিয়া হতে পারে।

পরামর্শ: সুতি কাপড়ের কয়েকটি স্তর ব্যবহার করুন, যাতে ঘামলে সহজেই বোঝা যায়।

২. বদ্ধ ঘরে কয়লা বা লাকড়ির আগুন : গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, অনেক সময় শহরেও ঘর গরম রাখতে অনেকে কয়লা বা লাকড়ি জ্বালান। বদ্ধ ঘরে এই ধোঁয়া থেকে কার্বন-মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যা শিশুর শ্বাসরোধ এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

পরামর্শ: ঘর গরম রাখতে নিরাপদ রুম হিটার ব্যবহার করুন এবং পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন।

৩. সরাসরি ঠান্ডা পানি স্পর্শ করা : শিশুরা খেলাচ্ছলে সরাসরি ট্যাপের ঠান্ডা পানি দিয়ে হাত ধোয়া বা কুলকুচি করে। এতে নিমেষেই তাদের সাইনাস বা টনসিলের সমস্যা বেড়ে যেতে পারে।

পরামর্শ : হাত ধোয়া বা গোসলের জন্য সবসময় হালকা কুসুম গরম পানি নিশ্চিত করুন।

৪. কুয়াশার মধ্যে ভোরে বাইরে বের করা : অনেকে মনে করেন সকালের তাজা বাতাস ভালো, কিন্তু শীতের সকালের কুয়াশায় মিশে থাকে ধুলিকণা ও ক্ষতিকর জীবাণু। এই ‘স্মোগ’ শিশুদের ফুসফুসের জন্য বিষের সমান।

পরামর্শ : রোদ না ওঠা পর্যন্ত শিশুকে ঘরের বাইরে বের করবেন না। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার করান।

৫. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা সিরাপ: সামান্য সর্দি-কাশি হলেই অনেক অভিভাবক ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছেমতো কফ সিরাপ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ান। এটি শিশুর দীর্ঘমেয়াদী লিভার ও কিডনি জটিলতার কারণ হতে পারে।

পরামর্শ : চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ শিশুকে দেবেন না।