ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ১৪:৫০:৫৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

সহিংসতায় দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে : সু চি

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৩:২২ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বুধবার

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চি বলেছেন, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার জন্য যারা দায়ী তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বেশ কিছু মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে- এ ধরনের খবর শুনে আমরা উদ্বিগ্ন। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণে ভীত নই।
মুসলিমরা কেন চলে যাচ্ছে সেটি খুঁজে বের করার জন্য তিনি তাদের সাথে কথা বলতে চান বলে জানান।
মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া সরাসরি টেলিভিশন ভাষণে এসব কথা বলেছেন তিনি। এই প্রথমবার রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বললেন সু চি। ২৫ আগস্ট থেকে সংকট শুরু হওয়ার পর এ বিষয়ে কথা না বলায় আন্তর্জাতিক মহলে কঠোর নিন্দার মুখে পড়েন তিনি।
সহিংসতা বন্ধের জন্য মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সম্মেলনকে মাথায় রেখে রোহিঙ্গা ইস্যুটি সামনে আসছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ।
মিয়ানমারের এ নেত্রী বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ে তারা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পর্যবেক্ষণে ভীত নন। রাখাইন অঞ্চলে সংঘাতের নিরসনের জন্য একটি টেকসই সমাধানের উপর জোর দেন তিনি।
গত তিন সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চল থেকে পালিয়ে প্রায় চার লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে।
অগাস্ট মাসের ২৫ তারিখে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু চৌকিতে হামলার পর রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর উপর সে হামলার জন্য রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গ্রুপকে দায়ী করে দেশটির সরকার।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী যেভাবে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে সেটিকে `জাতিগত নির্মূলের` সাথে তুলনা করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘে চলমান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেননি সু চি। তিনি বলেছিলেন, অধিবেশনে যোগ না দিয়ে মিয়ানমারে ভাষণ দেবেন।