ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ৮:১০:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: শামা ওবায়েদ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

সৌদিতে নিহত নাজমার লাশ দুই মাস পর দেশে এলো

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৫১ পিএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৯ শুক্রবার

ইনসেটে নাজমা, বিমান বন্দরে তার মরদেহের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। ছবি : টিভি থেকে নেওয়া।

ইনসেটে নাজমা, বিমান বন্দরে তার মরদেহের কফিন অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। ছবি : টিভি থেকে নেওয়া।

অবশেষে দেশে এলো সৌদি আরবে নিহত নারী শ্রমিক নাজমা বেগমের (৪০) মরদেহ। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে তার লাশ পৌঁছে। স্বজনরা লাশ গ্রহণ করে রাতেই মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। গত ২ সেপ্টেম্বর সৌদিতে মারা যান নাজমা।

অমানুষিক নির্যাতনে নাজমার মৃত্যু হয়েছে দাবি করে স্বজনরা জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে নাজমা টেলিফোনে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে স্বজনদের কাছে বাঁচার আকুতি জানিয়েছিলেন।

ফোনালাপে নিহত প্রবাসী শ্রমিক নাজমা বলেছিলেন, ‘আমি জায়গায় মরে যামু। আমি আর কুলাইতে পারছি না। আমি মরে গেলে তো আমার পোলা-মাইয়ার চেহারাও দেখতে পামু না। আল্লাহ আমি এখন কি করমু?’

জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নাজমার ছিল আত্মসম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার আকুতি। ছিল দেশে ফেরার শতচেষ্টা।

কিন্তু দালালের হাত-পায়ে ধরেও হতভাগ্য নাজমাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পারেননি দরিদ্র পরিবারটি। এমনকি সৌদি আরবের একটি হাসপাতালে নাজমার মরদেহ পরে থাকলেও দেশে আনতে পারছিলেন না।

পরে গত ২ অক্টোবর বেসরকারি একটি টেলিভিশনে একটি প্রতিবেদন প্রচার হলে স্থানীয় প্রশাসন মরদেহ আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হন। নানা প্রক্রিয়া শেষে প্রায় ৫৩ দিন পর নাজমার মরদেহ দেশে ফিরলো।

১১ মাস আগে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে পাড়ি জমান নাজমা। হাসপাতালে ক্লিনারের চাকরি দেওয়ার কথা বলে তাকে পাঠানো হলেও কাজ দেওয়া হয় বাসাবাড়িতে। সেখানে তাকে যৌন নির্যাতনসহ নানাভাবে নির্যাতন করা হতো।