ঢাকা, মঙ্গলবার ১১, আগস্ট ২০২০ ০:২০:১৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ঢাকাকে তারমুক্ত করার অভিযানে বিপাকে ইন্টারনেট গ্রাহকরা সবার আগে ভ্যাকসিন পাওয়াই এখন সরকারের মূল লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী দীর্ঘস্থায়ী বন্যার জন্য প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু ৩৯, শনাক্ত ২৯০৭ ভারতে ৩ জন নারীসহ ১১ পাকিস্তানি শরণার্থীর মৃতদেহ উদ্ধার বিশ্বে একদিনে করোনায় আক্রান্ত ২ লাখ ১৯ হাজার, মৃত্যু ৪৭৯৮

হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:১১ এএম, ১৯ জুলাই ২০২০ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

 "সব মৃত্যুই কষ্টের, সুখের মৃত্যু তো কিছু নেই"কথাটি বলেছিলেন বাংলা সাহিত্যের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব, খ্যাতিমান কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদ। আজ তার অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী।

দূরারোগ্য ক্যান্সার রোগে ভুগে ২০১২ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের একটি হাসপাতালে কিংবদন্তী এই কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন। নুহাশপল্লীতে তাকে সমাহিত করা হয়।

জানা গেছে, করোনাকালের কারণে এবার সীমিত আকারে দোয়ার আয়োজন থাকছে হুমায়ূন আহমেদের জন্মস্থান নেত্রকোনা এবং লেখকের সবচেয়ে প্রিয় স্থান গাজীপুরের নুহাশপল্লীতে।

হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ফয়েজুর রহমান। মা আয়েশা ফয়েজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াকালীন তাঁর লেখালেখির শুরু। ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম উপন্যাস নন্দিত নরকে। ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয় দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার। বই দুটি প্রকাশের পর শক্তিশালী লেখক হিসেবে পাঠকমহলে সমাদৃত হন তিনি।

হুমায়ূন আহমেদ একদিকে যেমন সাহিত্য দিয়ে মন্ত্রমুগ্ধ করেছেন পাঠককে, অন্যদিকে নির্মাণ করেছেন অনন্য সব নাটক, চলচ্চিত্র ও গান।

বাংলাদেশে পাঠকপ্রিয় এই লেখক দুই শতাধিক ফিকসন ও নন-ফিকসন বই লেখেন। হিমু, মিসির আলীর মতো চরিত্র দিয়ে লাখো-কোটি পাঠক-ভক্ত তৈরি করেছেন এই কথার জাদুকর।

তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী শ্রেষ্ঠ লেখকদের মধ্যে অন্যতম গণ্য করা হয়। বাংলা কথাসাহিত্যে সংলাপপ্রধান নতুন শৈলীর জনক তিনি।

সাহিত্যে অসাধারণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ হুমায়ুন আহমেদ একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন পদকে ভূষিত হয়েছেন।

নব্বই দশকের শুরুতে চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আবির্ভাব ঘটে তার। নিজের উপন্যাসের ওপর ভিত্তি করে হুমায়ূনের পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, চন্দ্রকথা, নয় নম্বর বিপদ সংকেত, ঘেটুপুত্র কমলা। আগুনের পরশমণি, দারুচিনি দ্বীপ ও ঘেটুপুত্র কমলা চলচ্চিত্রের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

-জেডসি