ঢাকা, সোমবার ১৩, জুলাই ২০২৬ ১১:৪৮:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ব্যাংককের বারে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৭ জনের ১৭ বছর পর রাজধানীতে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত দেশজুড়ে আজও অতিভারী বৃষ্টির শঙ্কা প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ, যেভাবে জানা যাবে আঝোর বৃষ্টিতে ডুবেছে রাজধানী, দুর্ভোগে নগরবাসী ঢাকায় বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ, কিছু স্কুলে পরীক্ষা বন্ধ

শিশুদের আত্নচিৎকারে ভারী মার্কিন বন্দিশিবির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০২:২৬ পিএম, ২১ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার

অভিবাসন প্রত্যাশী শিশুদের চিৎকারে ভারী হয়ে আছে মার্কিন বন্দিশিবিরগুলো। চলতি বছরের ৮ এপ্রিল অধিবাসীদের জন্য ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ ঘোষণা করে ট্রাম্প প্রশাসন। সেই হিসেবে অধিবাসী শিশুদের বাবা-মা থেকে আলাদা করে রাখা হয়। অভিভাবকহীন শিশুরা মানবেতর জীবন যাপন করছে শিবিরগুলোতে।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত পেরিয়ে কোনো পরিবার যদি দেশটিতে প্রবেশ করতে চায় তাহলে তাদের আটক করে বন্দি শিবিরে রাখা হয়। মার্কিন নীতি অনুযায়ী শিশুদের পরিবারের বড় সদস্যদের থেকে আলাদা করে রাখা হয়। ফলে ছোট্ট শিশুরা হঠাৎ করেই বাবা-মা ছাড়া নতুন পরিবেশে বিপদে পড়ে যাচ্ছে।


অভিবাসীদের আটকে রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তজুড়ে ৯৬১টি বন্দিশিবির তৈরি করা হয়েছে। শিশুদের জন্য পৃথক বন্দিশিবির তৈরি করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত জুড়ে। ১৭টি রাজ্যে শিশুদের জন্য অন্তত ১০০টি বন্দিশিবির রয়েছে। গত ছয় সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ৪৬ জন নিরপরাধ অভিবাসী শিশুকে বন্দি করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যের সীমান্তজুড়ে প্রায় ৯৬১টি বন্দিশিবির রয়েছে। এসব শিবিরে বর্তমানে ১১ হাজার ৭৮৫ শিশু বন্দি অবস্থায় রয়েছে। এসব বন্দিশিবিরে আটক শিশুরা অসহায় জীবনযাপন করছে। 

 

এদিকে খুব গোপনে এ কাজটি ট্রাম্প প্রশাসন করলেও সম্প্রতি অলাভজনক সংবাদ সংস্থা ‘প্রো-পাবলিকা’ একটি অডিও বার্তা ফাঁস করে যেখানে শোনা যায়, শিশুদের আর্তচিৎকার। বন্দিশিবির থেকে শিশুদের কান্নার একটি অডিও বার্তা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পরপরই তা সবার নজড় কেড়েছে। ফাঁস হওয়া অডিওতে স্প্যানিশ ভাষায় ‘মা, মা ‘ড্যাডি, ড্যাডি’ বলে কাঁদতে শোনা যাচ্ছে অসহায় শিশুদের।

 

আর তা প্রকাশের পর খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতি নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান পার্টির অনেক নেতাও এর সমালোচনা করেছেন। এমনকি মার্কিন ফার্স্ট লেডিও এজন্য সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।