ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ১:৪৪:৩৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে নারীর মৃত্যু কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার রূপকথার জয় ফরাসি আদালতের রায়: নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছেন পেন

আমরা বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি: চীনা রাষ্ট্রদূত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৪১ এএম, ২০ জুলাই ২০২০ সোমবার

আমরা বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি: চীনা রাষ্ট্রদূত

আমরা বাংলাদেশের মানুষের পাশে আছি: চীনা রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি চি মিং বলেছেন, আমরা বাংলাদেশে আছি। এ দেশের মানুষের পাশে আছি। ২০২০ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ থেকে চীনে রপ্তানিযোগ্য ৯৭ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা কার্যকর হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য বড় একটি সুখবর।

তিনি বলেন, শিগগিরই চীনে বাংলাদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানির বিস্ফোরণ যুগ আসবে। তৈরি পোশাক ও সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলো উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে।

রাষ্ট্রদূত লি চি মিং চায়না মিডিয়া গ্রুপ ও আরটিভিকে দেওয়া এক যৌথ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জন্য বিশেষ এ সুবিধাজনক নীতি চালুর কারণও ব্যাখ্যা করেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, আসলে চীন ও বাংলাদেশ সরকার অনেক দিন ধরেই এ সুবিধাজনক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করে আসছে। এটা কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। গত বছর দুদেশের সরকারি পর্যায়ে এ আলোচনা সম্পন্ন হয়। সম্প্রতি সরকারি পর্যায়ে এ বিষয়ে চিঠিপত্র বিনিময় হয়েছে। ১ জুলাই থেকে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত লি বলেন, চীন ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ভারসাম্য থাকতে হবে। আর এ জন্য বাংলাদেশ থেকে চীনে আরও বেশি পণ্য রপ্তানি করতে হবে। বর্তমানে চীন বাংলাদেশের তালিকাভুক্ত ৯৭ শতাংশ পণ্যে (৮২৫৬টি পণ্য) শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। এমন সুবিধা বিশ্বের খুব কম দেশই পেয়েছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বাণিজ্য ঘাটতি কমানো।

রাষ্ট্রদূত মনে করেন, এ নীতি চালু হওয়ার পর দুদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আর বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। কারণ চীন ও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ করবে। তাদের টার্গেট বাজার হবে চীন। এটি বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে দারুণ একটি সুযোগ।

করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর সব খাতেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে; কিন্তু বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি জানিয়ে লি চি মিং বলেন, আমরা বাংলাদেশে আছি, এ দেশের মানুষের পাশে আছি, এ দেশের চীনা শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আছি, বাংলাদেশে প্রবাসী চীনাদের সঙ্গে আছি। আমরা যৌথভাবে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলব।

প্রসঙ্গত, চীন হচ্ছে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার; অন্যদিকে বাংলাদেশ হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট চীন; কিন্তু দুদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এ বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্যই চীন সরকার বিশেষ এ সুবিধাজনক নীতি ঘোষণা করেছে।