ঢাকা, বুধবার ০৮, জুলাই ২০২৬ ১১:১৪:১০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার রূপকথার জয় ফরাসি আদালতের রায়: নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছেন পেন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, ১৭ নদীবন্দরে সতর্কতা বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা

ইরানে বিমান দুর্ঘটনা একটি নাটকীয় ঘটনা: মার্কেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৪:১৮ পিএম, ১৩ জানুয়ারি ২০২০ সোমবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

ইরানের রাজধানী তেহরানের কাছে ইউক্রেনের বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল বলেছেন, অনিচ্ছাকৃতভাবে যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা ইরানের পক্ষ থেকে স্বীকার করে নেয়া একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই দুর্ঘটনা একটি ‘নাটকীয় ঘটনা।

ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা রক্ষা এবং তা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে জার্মান চ্যান্সেলর বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়ায় যদি সংঘাত হয়, তাহলে বিশ্বের জন্য একটা বিপর্যয়কর অবস্থা অপেক্ষা করবে।এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধ শুরু হলে বিপুলসংখ্যক মানুষ তাদের নিজেদের দেশ ছেড়ে শুধুমাত্র ইউরোপের দিকে পাড়ি জমাবে তাই নয় বরং অন্য অঞ্চলেও যাবে। এই অবস্থায় ইরানের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা রক্ষা এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

রাজধানী মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন তিনি।  

আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়া ও জার্মানি আরো আলোচনা করবে বলে জানান অ্যাঙ্গেলা মার্কেল ।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন এবং মার্কেল দুজনই বলেন, সিরিয়ায় চলমান সংঘাত রাজনৈতিক উপায়ে নিরসন করতে হবে। পুতিন বলেন, সিরিয়ার পুনর্গঠনে সমস্ত প্রচেষ্টায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনের দায়িত্বশীল সবারই অংশ নেয়া দরকার।

জার্মান চ্যান্সেলর খুব কমই রাশিয়া সফরে আসেন। সেক্ষেত্রে অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের এই সফরকে আন্তর্জাতিকভাবে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্কের ইতিবাচক উন্নতি হচ্ছে। অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের এই সফরে যেসব ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা কোনো সাধারণ বিষয় ছিল না। সে কারণে বিষয়গুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক কোনো ভেন্যুতে আলোচনা হতে পারত। কিন্তু তা না হওয়ায় এ সফরকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ইতিবাচক উন্নয়নের ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

-জেডসি