ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ১:৩৮:৪২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

ঈদ বাজার : গরম মসলা বাজার

আপডেট: ০৬:১৫ পিএম, ১৫ জুলাই ২০১৫ বুধবার

images1মাজেদুল হক তানভীর, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : ঈদের আগে মসলার দাম বৃদ্ধি ও ভোক্তার ভোগান্তি যেন বাংলাদেশের ব্যবসার সংস্কৃতিতে পরিনত হয়েছে। গতানুগতিক ধারায় এবারও বেড়েছে মসলার দাম। বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের বেঁধে দেয়া দামও মানছেনা ব্যবসায়ীরা। ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েকদিন। অন্যান্য কেনাকাটা শেষে নারী ক্রেতাদের ভিড় এখন মসলার বাজারে। কিন্তু এরই মধ্যে কাঁচা মসলার দাম বেড়েছে কয়েক ধাপ। ঈদের ঠিক আগ মূহুর্তে দাম বাড়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতারা। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে সবধরণের মসলার দাম বেড়েছে ৫ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে আমদানি করা রসুনের দাম। কেজিতে পঞ্চাশ টাকা। দেশি পেঁয়াজ চাহিদার ৬০ ভাগ পূরণ করতে পারলেও বাকিটার জন্য ভরসা করতে হয় আমদানি করা পেঁয়াজের উপর। একই ভাবে দেশি রসুন ৮০ ভাগ চাহিদা পূরণে করতে পারলেও বাজারে চাহিদা বেশি আমদানি করা রসুনের। rএদিকে গরম মসলার বাজার স্থিতিশীল থাকলেও কাঁচা আদা, পেঁয়াজ,রসুনের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ হারে। রাজধানীর কারওয়ানব বাজার,মোহাম্মদপুর কৃষিবাজার, টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা গেছে সব দোকানেই মসলার দাম বাড়তি। খুচরা বাজারে লবঙ্গ কেজি প্রতি ২০০ বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৮০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য মসলার মধ্যে শুকনা মরিচ ২০০-২৪০ টাকা,ধনিয়া ১৪০-১৮০ টাকা,হলুদ ১৮০-২০০ টাকা,জিরা ৪০০-৪৪০ টাকা,বড় এলাচি ১২০০ টাকা,ছোট এলাচি ১৫০০ টাকা, দারুচিনি ২৬০ টাকা, তেজপাতা,৩০০ টাকা, আদা ১৩০ টাকা,সাদা গোল মরিচ ১২০০ টাকা,কালো গোল মরিচ ৮০০ টাকা,শাহি জিরা ১০০ টাকা,মেথি ১০০-১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জায়ফল ১২০০ টাকা,জয়ত্রী ২০০০ টাকা,আলু বোখারা ৪০০ টাকা,কাঠবাদাম ৮০০ টাকা,রাঁধুনি ১৪০-১৬০ টাকা,মৌরি ১৬০-১৮০ টাকা,পোস্তদানা ১৩০০ টাকা,হিং ৩০০ টাকা,আখরোট ২০০০ টাকা,কবাব চিনি ১৬০০ টাকা,একাঙ্গি ৪০০ টাকা,পিপুল ১৪০০ টাকা। পাপরিকা এক বোতল ৬০ টাকা, রোজমেরি ৬০ টাকা,ওরিগেনো ৬০ টাকা,সিরকা ৫০০ মিলিলিটার ৫০ টাকা। রাজধানীতে মসলার দাম বাড়ার জন্য খুচরা দোকানীরা দায়ি করছেন আড়তদাদের। তাদের অভিযোগ,আড়তদাররা বেশি দাম রাখছেন। এদিকে আমদানিকারকেরা বলছেন ঈদের সময় পেয়াঁজ,রসুন, আদাসহ সব ধরনের মসলার ব্যবহার বেশি হওয়ায় চাহিদা থাকে বেশী,তাই দাম কিছুটা বাড়তির দিকে। dমসলা বাজার নিয়ে কথা হয় কয়েকজন গৃহিণীর সাথে। তারা উইমেননিউজকে জানান,এখনও ঈদের কেনাকাটা খানিকটা বাকি রয়েছে। শেষ দিকে মসলার চাহিদা বৃদ্ধি পেলে দাম আরো বাড়ার আশংকা করছেন তারা। তবে মশলার দাম যাই হোক না কেন বাড়তি কিছু আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় মশলা জাতীয় পণ্য কিনতে নারী ক্রেতাদের আগ্রহের কমতি নেই। ১৬.০৭.২০১৫