ঈদ বাজারে ব্যস্ত রাখাইন নারীরা
আপডেট: ১২:৩৭ পিএম, ১ জুলাই ২০১৫ বুধবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম,বরগুনা : ঈদ সামনে রেখে বরগুনার তালতলী রাখাইন পল্লীতে কাপড় তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন রাখাইন নারীরা।
তালতলীপাড়া, ছাতনপাড়া, মনুখেপাড়া, আগাঠাকুরপাড়া, নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের সওদাগরপাড়া, তালুকদারপাড়া ও সোনাকাটা ইউনিয়নের কবিরাজপাড়া, নামিষেপাড়া, লাউপাড়া ও অংকুজানপাড়াসহ রাখাইন পাড়াগুলোতে ১২ থেকে ১৪টি করে শতাধিক হস্তচালিত তাঁতে চলছে এসব নারীদের ব্যস্ত সময়। কোনো কোনো এলাকায় একই পরিবারে দুই থেকে তিনটিও তাঁত রয়েছে। বছরের অধিকাংশ সময়ে পরিবারের কাজ ছাড়া অলস সময় কাটালেও এ সময়টাতে একটু বেশিই ব্যস্ত থাকেন তারা।
রাখাইন নারীদের উৎপাদিত চাদর, শার্টের পিস, ব্যাগ, শাড়ি, লুঙ্গী ও গামছা প্রভৃতি বস্ত্রের কদর দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের সর্বত্রই রয়েছে। মিয়ানমার থেকে আমদানি করা বিভিন্ন রঙ বেরংয়ের সুতা দিয়ে হস্তচালিত তাঁতে তৈরী রাখাইনদের কারুকাজ খচিত বস্ত্রের চাহিদা সারা বছর না থাকলেও শীত মওসুম ও ঈদে ব্যাপক চাহিদা দেখা যায়। বর্তমান চাহিদার কথা মাথায় রেখেই তাঁতীরা বুননে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
বরগুনার তালতলী উপজেলার আগাঠাকুর পাড়ার উসিট মং জানান, মাত্র পঞ্চাশ বছর আগেও তালতলীর তিনটি ইউনিয়নে অর্ধশত রাখাইন পল্লী ছিল। প্রতিটি পল্লীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল অসংখ্য তাঁত কারখানা। তখন কারখানাগুলোতে বস্ত্র উৎপাদনের কাজ চলতো পুরোদমে। আর সেকালে তাঁত বস্ত্রের উপরই নির্ভরশীল ছিল রাখাইন পরিবারগুলো। রাখাইন পরিবারের মধ্যে এমন প্রচলন ছিল যে, মেয়েরা হস্তচালিত তাঁত শিল্পের কাজ না জানলে তাদের বিয়ে হত না।
রাখাইনদের বোনা বিভিন্ন কারুকাজ খচিত তাঁত বস্ত্র বরগুনাসহ তালতলী শহরের বিপনি বিতানগুলোতে অহরহ পাওয়া যাচ্ছে। রাখাইনদের তাঁত বস্ত্র ক্রয় করতে বিভিন্ন জেলা থেকে ক্রেতারা আসছেন। বিক্রি বেড়ে যাওয়াতে তাঁতীদের কোলাহল আর কর্মব্যস্ততার সাথে বেড়েছে মনের আনন্দও।
০১.০৭.২০১৫ - রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ
- ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না
- এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরির সুযোগ
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- নাতনীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানীর
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ফাইনালের আগে ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না











