ঢাকা, বুধবার ০৮, জুলাই ২০২৬ ৫:৩৫:০৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বিশ্বকাপে প্রথমবার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-মিশর ফরাসি আদালতের রায়: নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছেন পেন ৪ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির আভাস, ১৭ নদীবন্দরে সতর্কতা বান্দরবানের সব পর্যটন কেন্দ্র ঘোষণা ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৩৫০০ ছাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম বিশ্বকাপ থেকে রোনালদোর বিদায় পর্তুগালকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন

এবার গোপন তথ্য ফাঁস করলেন মেহবুবাকন্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:২৫ পিএম, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ শনিবার

মেহবুবা মুফতি (বাঁয়ে) ও ইলতিজা মুফতি- সংগৃহীত

মেহবুবা মুফতি (বাঁয়ে) ও ইলতিজা মুফতি- সংগৃহীত

গত বছর ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীর থেকে সংবিধানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপরই গৃহবন্দি করা হয় সেখানে সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা এবং মেহবুবা মুফতিকে।

বন্দিত্বের ছয় মাস শেষ হতেই তাদের বিরুদ্ধে গণ নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সরকার। আর মেহবুবার কন্যা ইলতিজা মুফতি গতকাল শুক্রবার জানিয়েছেন, কীভাবে রুটির ভেতরে চিঠি লিখে বার্তা আদান-প্রদান করেছেন মায়ের সঙ্গে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা’র।  

মায়ের টুইটার হ্যান্ডল থেকে ইলতিজা জানিয়েছেন, মেহবুবাকে বন্দি করার পরের সপ্তাহটি কেটেছিল চরম উদ্বেগে। তার পরে মায়ের লেখা একটি চিঠি হাতে আসে। যে টিফিন বক্সে বাড়ি থেকে খাবার পাঠানো হয়েছিল, তার ভেতরে চিঠিটি লিখে পাঠিয়েছিলেন মেহবুবা। সে সময়ে মায়ের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সামলেছিলেন ইলতিজা। পিডিপি নেত্রী চিঠিতে জানান, ‘আমি সোশ্যাল সাইট ব্যবহার করি, সেটা এরা চায় না। আর কেউ আমার হয়ে এই কাজ করলে, পরিচয় ভাঁড়ানোর দায়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হতে পারে।’

ইলতিজা জানান, তার দাদি সেই কৌশল বের করেন। কাগজে উত্তরটি লিখে ছোট করে মুড়ে আর একটি কাগজ দিয়ে সিল করে তার পরে একটি রুটির লেচির মাঝখানে ভরে দেওয়া হয়। সেই রুটি সেঁকে বন্দিশালায় পাঠিয়ে দেওয়া হয় মায়ের কাছে।

মেহবুবা-কন্যা জানান, উপত্যকা জুড়ে নেট পরিষেবা বন্ধ থাকলেও কীভাবে যেন তাঁদের বাড়ির ব্রডব্যান্ড কাজ করেছে। তাই সোশ্যাল সাইটে সক্রিয় থাকতে পেরেছেন তিনি। ইলতিজা এই টুইটটি করার সময়েও মেহবুবা-ওমরের বিরুদ্ধে গণ নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের হয়নি।

ফারুক আবদুল্লার বিরুদ্ধেও ওই আইনে মামলা হয়েছে। বিনা বিচারে আরও তিন মাস পর্যন্ত আটক করে রাখা যাবে তিন সাবেক মুখ্যমন্ত্রীকে।