ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ১২:০২:০৪ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

কিম জং-ন্যাম হত্যা মামলায় বিচার শুরু

বিবিসি | উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ১১:১২ এএম, ২ অক্টোবর ২০১৭ সোমবার

ন্যাম হত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন দুই নারী ভিয়েতনামি হুয়ং (বাঁয়ে) ও ইন্দোনেশীয় আইসিয়া

ন্যাম হত্যায় জড়িত সন্দেহভাজন দুই নারী ভিয়েতনামি হুয়ং (বাঁয়ে) ও ইন্দোনেশীয় আইসিয়া

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উনের সৎভাই কিম জং-ন্যামের হত্যা মামলায় বিচার শুরু হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বিচারকার্যের প্রথম দিন সোমবার অভিযুক্ত দুই নারী আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় কিম জং-ন্যামের। এ হত্যকাণ্ড বিশ্বের নজর কাড়ে।

ন্যামের হত্যার জন্য ইন্দোনেশীয় নারী সিতি আইসিয়া (২৫) ও ভিয়েতনামি নারী দোয়ান থি হুয়ংকে (২৯) দায়ী করা হয়। কিন্তু এ দুই নারী দাবি করেছেন, উত্তর কোরীয় গুপ্তচররা ফাঁদে ফেলে তাদের দিয়ে এ কাজ করিয়েছে। তবে এ হত্যাকাণ্ডে কোনো হাত নেই বলে দাবি করেছে পিয়ংইয়ং।

সোমবার সকালে কুয়ালালামপুরের অদূরে শাহ আলম এলাকায় আইসিয়া ও হুয়ংকে আদালতে আনা হয়। আদালতের বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্য দিয়ে মাথা নিচু করে আদালতে প্রবেশ করেন তারা। হাতকড়া ও বুলেটপ্রুফ পোশাক পরিয়ে আনা হয় তাদের।

আদালতে অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর দুই নারী দোভাষীর মাধ্যমে তাদের নির্দোষিতার পক্ষে বক্তব্য রাখেন। তারা দাবি করেন, উত্তর কোরিয়ার চররা তাদের ফাঁসিয়েছে।

৪০-এর মাঝামাঝি বয়সি কিম জং-ন্যাম উত্তর কোরিয়ার নেতা উনের বড় সৎভাই। মৃত্যুর সময় তিনি স্বেচ্ছায় নির্বাসিত জীবন কাটাচ্ছিলেন।

সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে দুই নারী তার মুখে কিছু একটা ঘসে দেয়। এরপর তিনি কর্মকর্তাদের কাছে সাহায্য চান। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যে তিনি ঢলে পড়েন এবং মারা যান।

মালয়েশিয়ায় ন্যামের মরদেহে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানান, শরীরে নার্ভ এজেন্ট ‘ভিএক্স’ প্রবেশ করায় তার মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের অস্ত্র হিসেবে জাতিসংঘে তালিকাভুক্ত ভিএক্স এজেন্ট।

ন্যামের মৃত্যুর কয়েক দিন পর দুই নারীকে গ্রেপ্তার করে মালয়েশীয় পুলিশ। তারা দাবি করেন, তাদের মনে হয়েছিল এটি টিভি প্রাঙ্ক ছাড়া কিছুই নয়। অভিযুক্ত নারীদের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, প্রকৃত অপরাধীরা মালয়েশিয়া ছেড়ে পালিয়েছে।

ন্যামের হত্যার কয়েক দিন পর এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজন উত্তর কোরীয়র নাম প্রকাশ করে মালয়েশিয়া। কিন্তু তত দিনে তারা মালয়েশিয়া ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল।

এ ঘটনার জেরে মালয়েশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। দুই দেশ একে অপরের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছিল।