ঢাকা, রবিবার ০১, নভেম্বর ২০২৬ ২২:২৯:৩৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ মিরপুরে আজও পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ ধানখেতে মিলল নারী-পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ অক্টোবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১৭৪, চলতি বছরে সর্বোচ্চ ফ্রান্সের পর জার্মানিতেও বিক্ষোভের আগুন, রাজপথে লাখো মানুষ পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা

কেলা কি সত্যিই মৃত, মানতে চান না মা-বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:৩৪ এএম, ১ নভেম্বর ২০১৯ শুক্রবার

কেলা ম্যুলার।—ছবি সংগৃহীত।

কেলা ম্যুলার।—ছবি সংগৃহীত।

জঙ্গিদের ভিডিও-বার্তা থেকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়েছিলেন চার বছর আগে। কিন্তু জানতে পারেননি, জঙ্গিদের সেই দাবি ঠিক কি না। আইএস প্রধান আবু বকর আল-বাগদাদির মৃত্যুর পরে মার্শা ও কার্ল ম্যুলারের আশা, মেয়ে কেলার মৃত্যুকে ঘিরে অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর এবার মিলবে।

২০১৩ সালের ৪ অগস্ট উত্তর সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে আইএস জঙ্গিরা অপহরণ করেছিল ২৫ বছর বয়সি মার্কিন মানবাধিকার কর্মী কেলাকে। অপহরণের কিছু দিনের মধ্যেই এক ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে আইএস জানায়, ‘এক মার্কিন খ্রিস্টান মহিলা’ তাদের হাতে বন্দি। তারপর মার্কিন সেনা বারবার অভিযান চালিয়ে কেলাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেছে। এবং ব্যর্থ হয়েছে। সেই সব ‘ব্যর্থ অভিযানের’ জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকেই দায়ী করেছেন মার্শা ও কার্ল ম্যুলার। তারপরে ২০১৫-র ফেব্রুয়ারিতে এক ভিডিও বার্তায় আইএস দাবি করে, রাকায় আইএস জঙ্গি ঘাঁটির উপরে জর্ডনের বিমানহানায় নিহত হয়েছেন কেলা। ম্যুলার দম্পতিকে ফোন করে সমবেদনা জানিয়েছিলেন ওবামা।

আইএস প্রধান আল-বাগদাদি যে মেয়েকে যৌনদাসী বানিয়ে রেখেছিল, শুনেছিলেন কার্ল ও মার্শা। কিন্তু জানতেন না, সেই বাগদাদিকে ধরার জন্য সিরিয়ায় যে গোপন মার্কিন অভিযান চালানো হচ্ছে, সেই অভিযানের নাম রাখা হয়েছে তাদের মেয়ের নামেই। ট্রাম্প যখন কেলার মর্মান্তিক মৃত্যুর কথা সারা বিশ্বকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন, চোখের জল বাঁধ মানেনি ম্যুলার দম্পতির।

এখন একটাই আশা, বাগদাদি-অভিযানের সময়ে যে সব জঙ্গি মার্কিন সেনার হাতে ধরা পড়েছে, তাদের কাছ থেকে কেলার মৃত্যুর বিষয়ে কিছু খবর পাওয়া যাবে। জানা যাবে, সত্যিই বিমানহানায় মৃত্যু হয়েছিল কি না মেয়ের।

মার্শা বলেন, ‘হতেই তো পারে যে, ও এখনও বেঁচে আছে। যত দিন ওর দেহ না পাচ্ছি, কিছুতেই মেনে নিতে পারব না যে ও আমাদের বাড়িতে আর ফিরে আসবে না।’