ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:২৯:৩১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

গরমে স্বস্তির পথ: রোদ-উত্তাপ থেকে বাঁচতে করণীয়

অনলাইন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:০০ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

গরমে স্বস্তির পথ: রোদ-উত্তাপ থেকে বাঁচতে করণীয়

গরমে স্বস্তির পথ: রোদ-উত্তাপ থেকে বাঁচতে করণীয়

চৈত্রের শেষ আর বৈশাখের শুরুতেই দেশে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। বিশেষ করে যারা প্রতিদিন কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকেন, তাদের জন্য এই সময়টা হয়ে ওঠে কঠিন। তবে কিছু সচেতনতা ও অভ্যাস বদলেই গরমের এই কষ্ট অনেকটাই কমানো সম্ভব।

পানি ও তরল খাবারে গুরুত্ব
গরমে শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই বারবার পানি পান করা জরুরি। শুধু পানি নয়, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ফলের রসও শরীরকে সতেজ রাখে। অতিরিক্ত চা-কফি বা কোমল পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

পোশাকে হোক স্বস্তি
হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক গরমে আরাম দেয়। কালো বা গাঢ় রঙের পোশাক সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করে, তাই সেগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরে বের হলে মাথায় টুপি বা ছাতা ব্যবহার করলে সরাসরি রোদ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়।

দুপুরের রোদ এড়িয়ে চলুন
সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত রোদের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি থাকে। সম্ভব হলে এ সময় বাইরে না যাওয়াই ভালো। খুব প্রয়োজন হলে ছাতা, সানগ্লাস বা কাপড় দিয়ে শরীর ঢেকে বের হওয়া উচিত।

খাবারে হোক সতর্কতা
গরমে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো। বেশি তেল-মশলাযুক্ত খাবার শরীরে অস্বস্তি বাড়ায়। তাজা ফল, শাকসবজি ও পানি-সমৃদ্ধ খাবার শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

বিশ্রাম ও ছায়ার প্রয়োজন
দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করলে মাঝে মাঝে ছায়ায় বিশ্রাম নেওয়া জরুরি। এতে শরীরের তাপমাত্রা কিছুটা কমে এবং ক্লান্তি দূর হয়। শ্রমজীবী মানুষদের জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

হিটস্ট্রোকের লক্ষণ জানুন
অতিরিক্ত গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে। মাথা ঘোরা, বমি ভাব, শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়া—এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ঠান্ডা জায়গায় গিয়ে বিশ্রাম নিতে হবে এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

শিশু ও বয়স্কদের বাড়তি যত্ন
শিশু ও বয়স্করা গরমে দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। তাই তাদের পর্যাপ্ত পানি পান করানো, হালকা খাবার দেওয়া এবং ঠান্ডা পরিবেশে রাখা জরুরি।

সবশেষে বলা যায়, গরম আমাদের জীবনের একটি স্বাভাবিক অংশ হলেও অসচেতনতা এটিকে বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। তাই ছোট ছোট অভ্যাসে পরিবর্তন এনে, সচেতন থাকলেই এই তীব্র গরমেও নিজেকে রাখা সম্ভব নিরাপদ ও স্বস্তিতে।