গৌরীপুরের কৃষকরা ঝুঁকছে কচুর লতি চাষে
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:০৮ পিএম, ১৭ জুলাই ২০২৩ সোমবার
সংগৃহীত ছবি
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে ফসলের মাঠজুড়ে সবুজ কচুগাছ। সেই গাছের ডগা থেকে বের হয়েছে লতি। কৃষক জমি থেকে লতি সংগ্রহের করে পানিতে পরিষ্কার করে আঁটি বেঁধে রাখছেন উঁচু সড়কের পাশে। সেখান থেকে ভ্যান কিংবা সাইকেলে বোঝাই করে লতি নেওয়া হচ্ছে স্থানীয় বাজারে। সম্প্রতি এমন দৃশ্যের দেখা মিললো ময়মনসিংহের গৌরীপুরে অচিন্তপুর ইউনিয়নের লংকাখোলা গ্রামে। কৃষকরা জানান, উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের ভুটিয়ারকোনা বাজারেই লতির পাইকারি হাট। পাইকাররা ট্রাক-পিকআপ নিয়ে এ হাটে এসে দরদাম করে লতির আঁটি কিনেন। পরে গাড়ি বোঝাই করে লতি নিয়ে যান রাজধানী ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম সহ দেশের নানা প্রান্তে। এক সময় সড়কের পাশে, বন-জঙ্গলে, জমির আইল, বাড়ির উঠানে, খাল-বিলের পাড়ে অযত্নে অবহেলায় বড় হতো কচুগাছ। সেখান থেকেই লতি সংগ্রহ করে নিন্মবিত্ত মানুষ নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করতো। কিন্ত এখন বাণিজ্যিকভাবে উন্নতজাতের কচু চাষাবাদ করে লতি বিক্রি করে লাভের মুখ দেখছে কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় লতি চাষ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে গৌরীপুর উপজেলায় ১ শ,১৮ হেক্টর জমিতে কচুর লতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপজেলার মাওহা, অচিন্তপুর, রামগোপালপুর ও ভাংনামারী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, লতি চাষে ব্যস্ত সময় পাড় করছে কৃষকরা।
কচুর চারা জমি রোপণের পর সেচ দেয়ার পাশাপাশি জৈব ও রাসায়নিক সার সুষমভাবে ব্যবহার করলে ৪০ দিন থেকেই লতি উত্তোলন করা যায়। তাই স্বল্প সময়ে অল্প খরচে ভালো ফলন ও লাভ হওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য সবজি চাষের পাশাপাশি কচুর লতি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে।
লংকাখোলা গ্রামের কৃষক নূরুল আমিন বলেন, আমি পৌষ মাসে ৫০ শতক জমিতে কচুর লতি চাষ করেছি। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। ইতিমধ্যে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার লতি বিক্রি করেছি। আরো প্রায় ৩০ হাজার টাকার মতো লতি বিক্রি করতে পারেবো।
ভুটিয়ারকোনা গ্রামের কৃষক খোকন মিয়া বলেন, অন্যান্য ফসলের তুলনায় কচুর লতি চাষে শ্রম ও খরচ কম। জমিতে কচু একবার রোপণ একাধিক বার লতি উত্তোলন করা যায়। ফাল্গুন মাসে প্রতি মণ লতি ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করেছি। তবে দাম কমে ২ হাজার টাকায় প্রতি মণ বিক্রি করেছি।
লতির পাইকার আলতাব হোসেন খান বলেন, বর্তমানে কচুর চেয়ে লতির চাহিদা বেশি। উপজেলার বিভিন্ন হাট থেকে আমরা লতি সংগ্রহ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করি। তবে এখন বাজার একটু কম।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার নিলুফার ইয়াসমিন জলি বলেন, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় লতি চাষ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। লতি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন উচ্চ মূল্যের সবজি। তাই কৃষক এই সবজি চাষ করে ভালো দাম পেয়ে থাকে।
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- পুকুর পাড়ে হলুদ শাড়িতে ভাবনা
- ‘শৈশবে ফিরলেন’ নেদারল্যান্ডসের ক্রিকেটাররা
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শত শত তদবির, আগে টাকা দিলেই কাজ হতো’
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- নারী, সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিষয়ে ১০ দফা সুপারিশ
- ‘কিছুই পাল্টায়নি, এখনও মেয়েদের হেনস্তা করা হচ্ছে’
- সারা দেশে অবাধে শিকার ও বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- ৩ দিন চলবে না মোটরসাইকেল, একদিন মাইক্রো-ট্রাক
- আয়রনের ঘাটতি, যে কারণে শুধু সাপ্লিমেন্ট যথেষ্ট নয়
- সাবস্ক্রিপশন পরীক্ষা করবে মেটা
- মেয়েদের টানা জয়ের প্রভাব পড়েছে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে
- নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই: পাপিয়া
- ঋতুপর্ণার হ্যাটট্রিকে ১৩-০ গোলের জয়
- দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘স্বর্ণের রাস্তা’
- স্কুল জীবনের বন্ধুত্ব ভাঙলেন সাইফ কন্যা
- প্রধান উপদেষ্টার কাছে কর কাঠামো পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ
- ১৭ বছর বড় বড় গল্প শুনেছি: তারেক রহমান
- গণভোট নিয়ে কারিগরি-মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ৮ উদ্যোগ
- ৪০ হাজার কোটির রাজস্ব হলেও ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি


