ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ০:১৬:৩১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

চা বাগানে কাজ করে ৮,৫০০ দুস্থ মহিলার ভাগ্য পরিবর্তন

আপডেট: ০৬:১২ এএম, ২২ জুলাই ২০১৫ বুধবার

tea-worker-1স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, পঞ্চগড় : হিমালয়ের সন্নিকটে পঞ্চগড় জেলার চা বাগানগুলোতে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিপুল পরিমাণে কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রসারিত চা খাতে কাজ করে ৮,৫০০ অতি-দরিদ্র, বেকার ও দুস্থ মহিলা তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। পঞ্চগড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে এখন দেশের তৃতীয় চা অঞ্চলের স্বীকৃত দেয়ার ফলে এখানে কাজের মাধ্যমে তারা ভালভাবে তাদের জীবন নির্বাহ করছেন। অথচ এক দশক আগেও এসব বেকার গ্রামীণ নারীদের বসবাস ছিল দুর্দশার মধ্যে। বেকার ও অল্পবয়সী মেয়ে, গৃহকর্ত্রী, বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত নারীসহ চা-বাগানের মহিলা শ্রমিকদের মতে, চা বাগানগুলোতে বিপুল পরিমাণে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় প্রতি বছর চা খাতে কাজ করে প্রত্যাশিতভাবে সেখানে দ্রুত তাদের জীবিকা নিশ্চিত করছে।  নারী শ্রমিক মেরিনা, আফরোজা, আকলিমা, শুক্লা রানী, মোতাহেরা ও তেঁতুলিয়া উপজেলার কুলসুম জানায়, তারা এখানে গড়ে ২৫০ টাকা করে দৈনিক মজুরি পাচ্ছে। চা-বাগানের শ্রমিক মাহফুজা, সোনালী, শ্যামলী, স্বপ্না ও কুলসুমরা এখন স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানীয় জল, স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহারসহ দিনে তিনবেলা খাবার খেতে পারছে এবং তাদের সন্তানরাও স্কুলে যাচ্ছে। চা বাগানগুলোতে বিপুল পরিমাণে কাজের সুযোগ তৈরি হওয়ায় শ্রমিক আমিনা, রোমেনা, মাকসুদা, নীলিমা ও সাবেরাদের দুঃসহ দিন কেটে গিয়ে এখন নিশ্চিত জীবিকার সঙ্গে ভালভাবে বসবাস করছে। ময়নাগিরি চা কোম্পানি লিমিটেডের সুপারভাইজার নজরুল ইসলাম জানান, প্রতি মহিলা চা শ্রমিক সাধারণত প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ কেজি সবুজ চা-পাতা উত্তোলন করে প্রায় ২৫০ টাকা উপার্জন করছেন। বাংলাদেশ চা বোর্ড (বিটিবি) সূত্রে জানা যায়, চা খাতে নারীসহ সাধারণ মানুষ, কৃষক ও দরিদ্র মানুষ কাজ করছে বলে প্রতি বছর উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে অর্থনৈতিক অবস্থা দ্রুত বর্ধনশীল হয়েছে। তারা ক্ষুদ্র বাগান ভিত্তিতে চাষ ইতিমধ্যে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে অত্যন্ত লাভজনক এবং জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ২০০৫ সাল থেকে গড়ে চা উৎপাদন বার্ষিক এক লাখ কেজি করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়াও পঞ্চগড়ে এবং সংলগ্ন জেলাগুলোতে ২৬টি বড় এস্টেটে, ১৭টি মাঝারি আকারের এবং ৪৮৩টি ক্ষুদ্র বাগান সহ, ৫২৬টি চা বাগানের প্রায় ৩,৫০০ একর জমিতে চা চাষ হচ্ছে। বিটিবি’র পঞ্চগড় আঞ্চলিক অফিসের সহকারী চা উন্নয়ন কর্মকর্তা মিহাজুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে ক্ষুদ্র বাগান ভিত্তিক বাগান চালু করার পর থেকে সেখানে ক্ষুদ্র বাগান ভিত্তিক চা চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। পঞ্চগড় চেম্বার’র সাবেক সভাপতি ইকবাল কায়সার মিন্টু বলেন, চা উৎপাদন খাতে এ পর্যন্ত ৮,৫০০ দুর্দশাগ্রস্ত ও বেকার নারীসহ প্রায় ১২ হাজার মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে যার মাধ্যমে গ্রামীণ নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। ২২.০৭.২০১৫