ঢাকা, বুধবার ২৮, অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২৬:৩৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
শনিবার এইচএসসির ফল প্রকাশ: অনলাইনে জানবেন যেভাবে ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি চীনে শিশুর চেয়ে প্রবীণ বেশি, আর্থিক চাপে পরিবার ও রাষ্ট্র মনোনয়ন বৈধ, বিনা লড়াইয়ে জয় পাচ্ছেন এলিজা ৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ রাষ্ট্রপতির তিন জেলা সফর বাতিল

চিকিৎসা ও পদার্থে নোবেল পেলেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৫০ পিএম, ৭ অক্টোবর ২০২০ বুধবার

পদার্থে নোবেল পেলেন রজার পেনরোস, রেইনহার্ড গেনজ্যাল এবং আন্দ্রিয়া ঘেজ; ছবি: ইন্টারনেট

পদার্থে নোবেল পেলেন রজার পেনরোস, রেইনহার্ড গেনজ্যাল এবং আন্দ্রিয়া ঘেজ; ছবি: ইন্টারনেট

হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কারের জন্য যৌথভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন বিট্রিশ বিজ্ঞানী মাইকেল হটনসহ আমেরিকান হার্ভি জে অল্টার ও চার্লস এম রাইস। এছাড়া ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে উচ্চতর গবেষণার জন্য এ বছর পদার্থে নোবেল পেয়েছেন রজার পেনরোস, রেইনহার্ড গেনজ্যাল এবং আন্দ্রিয়া ঘেজ।

নোবেল কমিটির প্রধান টমাস পার্লমান সোমবার সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে তিনটায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা করেন।এছাড়া মঙ্গলবার রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি সুইডেনের স্থানীয় সময় দুপুরে পদার্থ বিজ্ঞানের জন্য বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সমগ্র বিশ্বে সাত কোটিরও বেশি মানুষ হেপাটাইটিস সি ভাইরাসে আক্রান্ত। প্রতি বছর বিশ্বে প্রায় চার লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। হেপাটাইটিস সি ভাইরাসটি দীর্ঘমেয়াদী লিভার রোগ। চিকিৎসা বিজ্ঞানে পাঁচ ধরনের হেপাটাইটিস রয়েছে। হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং ‘ই’ স্বল্পমেয়াদী লিভার রোগ। এটি বিশ্রাম নিলে এক পর্যায়ে সেরে ওঠে। তবে প্রাণঘাতী হচ্ছে হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’ ভাইরাসের সংক্রমণ। হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাস ছড়ায় মূলত রক্ত এবং মানবদেহের তরল পদার্থের মাধ্যমে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন মাইকেল হটন, হার্ভি জে অল্টার ও চার্লস এম রাইস।

করোনা মহামারির কারণে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এবারের নোবেলটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। নোবেল কমিটি বলছে, সমাজ এবং অর্থনীতির জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে আরও বেশি গবেষণা প্রয়োজন।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বলছে, পদার্থে নোবেল পাওয়া তিন বিজ্ঞানী তাদের গবেষণার মাধ্যমে কৃষ্ণ গহ্বর সম্পর্কে নতুন কিছু আমাদের সামনে এনেছেন।

চিকিৎসা ও পদার্থ ছাড়াও আরও ৪ বিভাগে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়। সেগুলো হলো রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি।

১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান। ১৯৬৮-তে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল।

আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ একাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেয়া হয়।

ডিনামাইট আবিষ্কারক আলফ্রেড নোবেল তিন কোটি ১০ লাখ ক্রোনার রেখে গিয়েছিলেন, আজকের বাজারে যা প্রায় ১৮০ কোটি ক্রোনের সমান। এতদিন এ নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার। এ বছর মর্যাদাপূর্ণ নোবেল পুরস্কারজয়ীদের গত বছরের তুলনায় ১০ লাখ ক্রোন বা প্রায় এক লাখ ১০ হাজার ডলার বেশি দেয়া হবে বলে সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন নোবেল ফাউন্ডেশনের প্রধান লারস হেইকেনস্টেন।

-জেডসি