জেল হত্যা: কারা অধিদপ্তরের ভূমিকার তদন্ত চায় ৪ পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:৪৭ পিএম, ৩ নভেম্বর ২০২০ মঙ্গলবার
ছবি: সংগৃহীত
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের ভেতরে জাতীয় চার নেতা হত্যার ঘটনা তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে সন্তানরা। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে বিধি লঙ্ঘনসহ কারা অধিদপ্তর কি ধরনের ভূমিকা ছিল সেটি তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর কারাগারের ভেতরে জাতীয় চার নেতাকে হত্যার সময় কারা অধিদপ্তরের কী ভূমিকা ছিল সেটি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় চার নেতার সন্তানরা। পাশাপাশি এই মামলা তদন্তে আলাদা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে তারা।
আজ মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) সকালে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে এ দাবি জানান তারা।
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলামের মেয়ে কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর এ ঘটনার বিচার কাজ শুরু হয়। ২০১৩ সালে আমরা রায় পেয়ে আনন্দিত হয়েছিলাম। আমরা আশা করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ঘাতকদের দেশে ফিরিয়ে সাজা নিশ্চিত করবেন।
শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে রেজাউল ইসলাম বলেন, কারা বিধি লঙ্ঘন করে সশস্ত্র অবস্থায় কারাগারে প্রবেশ করে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। তখন কারা কর্তৃপক্ষের কি ধরনের ভূমিকা ছিল সেটিও তদন্ত করে দেখা উচিত। কেননা একজন অবৈধ হুকুম দিলেই আইনের বিপরীতে এ ধরনের কাজ করা অবশ্যই অপরাধ।
শহীদ এ এইচ এম কামরুজ্জামানের ছেলে এ এইচ এম এহসানুজ জামান বলেন, ৩ নভেম্বর জাতির জন্য একটি কালো দিন। সভ্য দেশে কারা অভ্যন্তরে হত্যা কখনোই কাম্য নয়। কারাগারে সবাই সবচেয়ে নিরাপদ থাকে। সেখানে সশস্ত্র ঘাতকরা বিধি লঙ্ঘন করে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে। আমরা আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘাতকদের দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা নিশ্চিত করবেন।
তিনি আরো বলেন, জাতীয় চার নেতার সন্তান হিসেবে আমরা গর্ব করে বলতে পারি, তারা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেননি বলেই তাদের জীবন দিতে হয়েছে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নৃশংসভাবে হত্যার আড়াই মাসের মাথায় ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে (বর্তমানে জাদুঘর) হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও এম মনসুর আলীকে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের জেল হত্যাকাণ্ড কলঙ্কজনক ও বেদনাদায়ক অধ্যায়।
ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। কারাগারের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় বর্বরোচিত এ ধরনের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।
-জেডসি
- আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ, ২৬ কারখানা বন্ধ ঘোষণা
- তাপপ্রবাহের নীরব শিকার অন্তঃসত্ত্বা নারী ও গর্ভের শিশু
- রানীর দিঘির পাড়: জমে আছে কত ইতিহাস, কত স্মৃতি
- ব্রেন টিউমার জয় করে অভিনয়ে ফিরলেন তানিয়া বৃষ্টি
- মোচার ঘণ্ট: নারকেল ও ছোলা দিয়ে বাঙালি রান্না
- বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে ঝুঁকিতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশু
- মুখ খুললেন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর থেকে বেঁচে যাওয়া ক্রিস্টা পাইক
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও পতন
- পাসের হারে এগিয়ে মেয়েরা, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে ছেলেরা
- এইচএসসির ফল প্রকাশ: কোন বোর্ডে পাসের হার কত
- এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ
- এইচএসসির ফল: জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
- এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ
- অনলাইনে দ্রুত এইএসসির ফল জানবেন যেভাবে
- ঢাকার ছয় রুটে কাল থেকে চলবে ছয় কোম্পানির বাস
- তবলা বাজিয়ে রেকর্ড গড়ল আড়াই বছরের স্বরশ্রী
- দেশের ছয় বিভাগে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- মেঘ সরলেই পঞ্চগড়ের আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা
- তাপপ্রবাহের নীরব শিকার অন্তঃসত্ত্বা নারী ও গর্ভের শিশু
- এইচএসসির ফল: জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন
- হামে প্রাণ গেল ২ শিশুর, মোট মৃত্যু সাড়ে ১২০০ ছাড়ালো
- জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
- দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
- বাবার স্মৃতির পথে, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রাঙ্গণে
- বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহে ঝুঁকিতে অন্তঃসত্ত্বা মা ও শিশু
- বাজারে শীতের সবজির আগমন, স্বস্তি নেই সব পণ্যে
- ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষণে ১২তম
- প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি
- দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও পতন
- এইচএসসিতে ২৯৩ প্রতিষ্ঠানে পাস করেনি কেউ











