ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২:৫৫:৪৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

ড্যান্ডি ডাইং মামলায় জবাব দিলেন খালেদা

আপডেট: ১২:৫২ পিএম, ১৪ জুলাই ২০১৫ মঙ্গলবার

1978স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : ড্যান্ডি ডাইং কোম্পানির ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপি মামলায় আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে জবাব দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে জবাব দেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ‍আহমেদ আজম খান।
বাকি বিবাদীদের জবাব দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালত। ব্যর্থতায় ওইদিন মামলায় ইস্যু গঠন করা হবে।
সমনের জবাবে বলা হয়, সোনালী ব্যাংক থেকে কোম্পানি ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করে। অথচ সোনালী ব্যাংক নিয়ম বহির্ভূত ও বেআইনীভাবে ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপের মামলাটি করেছে। যা অর্থঋণ আইনে বৈধ নয়।
অপরদিকে, আরাফাত রহমান কোকো নামমাত্র কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি লেনদেনের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাই এ মামলাটি খারিজের আবেদন করেন খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার পক্ষে হলফনামা দেন মাহবুব আল আমিন।
অন্য তিন বিবাদীর জন্য জবাব দাখিলের সময়ের আবেদন করলে ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস ৩০ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
২০১৫ সালের ১৬ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন জারির পর তার জবাব দিতে বলেন খালেদা জিয়াকে।
আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসানা আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন। চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি আরাফাত রহমান কোকো হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে মারা যান।
এ মামলায় অন্য বিবাদীরা হলেন, বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তার মামা প্রয়াত সাঈদ ইস্কান্দারের ছেলে শামস ইস্কান্দার ও সাফিন ইস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া ইস্কান্দার ও স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুন (অন্য মামলায় বর্তমানে কারাগারে), মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, মিসেস শামসুন নাহার, মাসুদ হাসান। আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান।
১৪.০৭.২০১৫