ঢাকা, বুধবার ৩০, সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪:১৮:৫১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীতে চড়া ফলের বাজার, নজরদারির আশ্বাস গৃহযুদ্ধে বিপর্যস্ত ইয়েমেন, টিকে থাকতে স্কুল ছেড়ে কাজে শিশুরা বিশ্ব হৃদরোগ দিবস: দেশে হৃদরোগে প্রতিদিন প্রায় ৭৭৭ জনের মৃত্যু দেশের বাজারে ফের কমলো সোনার দাম ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ফের নিম্নচাপ, ৩ নম্বর সতর্কতা

ঢাকার বাতাস আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৯:৪৪ এএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ মঙ্গলবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু পরিবর্তন, নগরায়ণ এবং চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রভাবে বিশ্বের অনেক শহরেই বায়ুদূষণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বায়ুমানের বৈশ্বিক তালিকায় ১৯৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের কলকাতা। এই মাত্রার বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

অন্যদিকে ১৫৯ স্কোর নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এ মানের বাতাসও জনস্বাস্থ্যের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে পড়ে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ সূচকে এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৯৬ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ভারতের কলকাতা। এ ছাড়া ১৭৫ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, ১৭২ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, ১৬৭ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা কাতারের দোহার স্কোর ১৬০।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান।

আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।