ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:২৭:৩৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

তনু হত্যা: ডিএনএতে মিলল নতুন আলামত

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:৩১ পিএম, ১৮ মে ২০২৬ সোমবার

ফাইল ছবি।

ফাইল ছবি।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। তনুর পোশাক থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ডিএনএ পরীক্ষায় আগের তিনজন পুরুষের শুক্রাণুর তথ্যের পাশাপাশি এবার আরও একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির রক্তের আলামত শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

সোমবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পিবিআই ঢাকা কার্যালয়ের পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আগে তিনজন পুরুষের ডিএনএ প্রোফাইল পাওয়া গিয়েছিল। নতুন পরীক্ষায় আরও একজনের রক্তের নমুনার উপস্থিতি মিলেছে, যা তদন্তে নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে।

পিবিআই সূত্র জানায়, গত ৬ এপ্রিল সন্দেহভাজন তিন সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ ও মিলিয়ে দেখার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। আদালতের নির্দেশে তাদের একজন হাফিজুর রহমানকে আটক করে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বাকি নমুনাগুলোর সঙ্গেও নতুন পাওয়া আলামত মিলিয়ে দেখা হবে।

সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তনুর পোশাক, ওড়না, সালোয়ার, অন্তর্বাসসহ ২৪টি আলামত পরীক্ষা করা হয়। এতে ওড়না, সালোয়ার ও অন্তর্বাসে তিনজন ভিন্ন পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি পাওয়া যায়। এছাড়া একটি কাপড়ের টুকরায় পাওয়া রক্তের নমুনা থেকে আরও এক ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ ডিএনএ প্রোফাইল শনাক্ত হয়েছে, যার সঙ্গে আগের তিনজনের কোনো মিল নেই।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই তথ্য মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দিয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও এখনই সব তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন তনু। পরে সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিনেও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন না হওয়ায় মামলাটি নিয়ে জনমনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। ২০২০ সালে মামলাটির তদন্তভার পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।