ঢাকা, শুক্রবার ১০, জুলাই ২০২৬ ১:১৮:২৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ইরানের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না ইতালি: মেলোনি শেখ হাসিনাকে ফেরানোর চেষ্টায় কূটনৈতিক ঘাটতি নেই: শামা ওবায়েদ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ৭০ বছর পর ব্রিটিশ নারীর সাজা পরিবর্তন শিক্ষক পদে ৪৬ হাজার পরীক্ষার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান বান্দরবানে পাহাড়ধস, ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুসহ ৫ জনের প্রাণহানি

তাজরীন ট্র্যাজেডির ৭ বছর; নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:১০ পিএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৯ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় তুবা গ্রুপের তাজরীন ফ্যাশনসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ৭ বছর পূর্তিতে কারখানার সামনে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে নিহতের স্বজন, আহত শ্রমিক, ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন।

রোববার সকাল হতেই তাজরিন ফ্যাশনের সামনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারা।

এর আগে কারখানার মালিক দেলোয়ার হোসেনের ফাঁসির দাবিতে স্লোগানে স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তাজরিন ফ্যাশনের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মানববন্ধন কর্মসূচি ও নিহতের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় নিহতের স্বজনদের অনেকেই প্রিয়জনের কথা স্মরণ করে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে নিহত শ্রমিকদের স্বজন ও আহত শ্রমিকরা জানান, আজ তাজরিন ফ্যাশনে অগ্নিকাণ্ডের ৭ বছর পূর্ণ হল। কিন্তু এতদিন পরেও ক্ষতিগ্রস্থদের পুর্নবাসন ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার এবং বিজিএমইএ। এমতাবস্থায় পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা বলেন, ২৪ নভেম্বর কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রধান ফটক আটকে দিয়ে ১১৩ জন শ্রমিককে ভেতরে পুড়িয়ে মেরেছিল। এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যা বিভিন্ন তদন্তেও প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু সরকার এতদিনেও খুনি দেলোয়ারের শাস্তি নিশ্চিত করতে না পারায় সারা বাংলাদেশের শ্রমিকদের ভেতরে আগুন জ্বলছে। তাই অবিলম্বে খুনি দেলোয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।

এসময় জাগো বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, দুর্ঘটনায় আহত শ্রমিকদের চিকিৎসা সহায়তা ট্রাস্ট ও টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার ফেডারেশনসহ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দেশের পোশাক শিল্পের ইতিহাসে অন্যতম এ দুর্ঘটনায় আগুনে পুড়ে মারা যান ১১৩ জন শ্রমিক, আহত হন দুই শতাধিক। সেদিনের ভয়াবহ আগুন থেকে বেঁচে ফেরা শ্রমিকরা আজও শরীর আর মনে বয়ে বেড়াচ্ছেন ক্ষত। আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে শত শত শ্রমিকের বাঁচার আকুতি আর কান্না, নাড়া দিয়েছিলো সারা বিশ্বকে।

-জেডসি