ঢাকা, বুধবার ২১, অক্টোবর ২০২৬ ৭:০৩:১২ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বদলে যাচ্ছে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী টানা ৫ দিনের ছুটিতে ঢাকা ছাড়ছে মানুষ, বাস টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড় লুটপাট-সহিংসতা: প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে ‘কারফিউ’ জারি শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ১৪জনের প্রাণহানী

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: অস্ট্রেলিয়ার হেক্সা জয়

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:৪৮ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সোমবার

সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

শিরোপার খুব কাছে থেকে ফিরে আসার গল্পটা অনেকবারই লিখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবার নারী টি-টোয়ন্টি ফাইনালে উঠেই ইতিহাস গড়েছিল প্রোটিয়া নারীরা। শিরোপা জিতে সে ইতিহাসকে তাদের পূর্ণতা দেয়ার পালা ছিল। তবে ইতিহাসের পূর্ণতা করতে পারেনি আফ্রিকান নারীরা।

কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৫৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯ রানে হারে প্রোটিয়া নারীরা।

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে অজিদের হয়ে শুরুটা ভালো করেণ দুই ওপেনার করতেবেথ মুনি ও অ্যালিসা হিলি। এই দুই জুটি মিলে গড়েন ৩৬ রান। তবে পাওয়ার প্লের আগের ওভারের শেষ বলে নাদিন ডি'ক্লার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন হিলি। ফলে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৬ রান তুলে অজি নারীরা।

অপরদিকে দ্বিতীয় উইকেটে অ্যাশলেই গার্ডনারকে সঙ্গে নিয়ে ওপেনার মুনি রান সংগ্রহ মেতে উঠেন এই দুই ক্রিকেটার। ১২তম ওভারে গার্ডনার, ক্লোয়ি ট্রায়নের বলে সুনে লুসের হাতে ধরা পড়ার আগে এ জুটি মিলে গড়েন ৪৬ রানের জুটি। ২১ বলে করে ২৯ করেন অ্যাশলেই।

অপরদিকে তৃতীয় উইকেটে গ্রেস হ্যারিসকে সঙ্গে নিয়ে রানের খাতা সচল রাখেন মুনি। তবে হ্যারিস তার নামের পাশে ১০ রান যোগ করতেই বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন। শেষ দিকে উইকেটের যাওয়া আসা মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখে প্রোট্রিয়া বলারদের কচুকাটা করেন ওপেনার মুনি। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫৩ বলে ৯ চার ও এক ছয়ে করেন ৭৪ রান। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৬ রান সংগ্রহ করে আজি নারীরা।

দক্ষীণ আফ্রিকার বল হাতে দুটি করে উইকেট নেন মারিজান কাপ ও শাবনিম ইসমাইল। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন নকুললেকো মলাবা ও ক্লোয়ি ট্রায়ন।

অস্ট্রেলিয়ার দেয়া ১৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ মন্থর শুরু করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনার লঁরা উলভারডাট এবং তাজমিন ব্রিৎসের সাবধানী সূচনা। পাওয়ার প্লে ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২২ রান ওঠে প্রোটিয়াদের খাতায়। ১০ রানে তাজমিন ব্রিটস আউট হওয়ার পর একে একে মারিজান কাপ ১১, সুন লুস ২ দ্রুত সাজঘরের পথ ধরেন।

অপরদিকে উইকেট ধরে রেখে দলকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন লরা উলভার্ট। দলীয় ১০৯ রানে ৪৮ বলে ৬১ রান করে লরাকে এলবিডব্লিউ করেন মেগান শুট। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৩৭ রানের সংগ্রহ করে আফ্রিকান নারীরা। ফলে ইতিহাস গড়ার খুব কাছে এসেও ফিরে যেতে হল দক্ষিণ আফ্রিকাকে। কাপের মধ্যে দূরত্বটা রয়েই গেল প্রোটিয়াদের।