ন্যাড়া পাহাড়ে প্রাণ ফেরালেন ব্রাজিলীয় দম্পতি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৪:১২ পিএম, ৭ জুলাই ২০১৯ রবিবার
ছবি: ইন্টারনেট
চারিদিকে ছিল শুষ্ক খাঁ খাঁ ভূমি। ধীরে ধীরে সেই জমি ভরে উঠল সবুজে। রূপ নিল জঙ্গলে। গল্পের মতো শোনালেও বাস্তবেই ঘটেছে এরকম একটা ঘটনা। ব্রাজিলের বুকেই ইনস্টিট্যুটো টেরা নামের জায়গায় এক ব্রাজিলিয়ান দম্পতির চেষ্টায় গড়ে উঠেছে সবুজ অরণ্য যা আজ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর ঠিকানা।
ফটোগ্রাফার সেবাস্তিয়াও সালগাদো এবং তার স্ত্রী লেলেয়া ডেলুইজ ওয়ানিক সালগাদোর দীর্ঘ ২০ বছরের চেষ্টায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া জঙ্গল ফিরে এসেছে।
বিখ্যাত ব্রাজিলিয়ান চিত্রসাংবাদিক সেবাস্তিয়াও সালগাদো ছোটবেলায় অরণ্যের কাছাকাছি অঞ্চলে থাকলেও পরে কাজের সূত্রে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা পাড়ি দেন। বহু বছর পর পরে দেশে ফিরে বন্যপ্রাণী ভরা অরণ্যের জায়গায় শুকনো জমি দেখে হতাশ হন।
কিন্তু কী করে ঘন সবুজ বন একেবারে হারিয়ে গেল? সেবাস্তিয়াও জানান, এর জন্য অনেকটাই দায়ী তাদের পরিবার। পারিবারিক ও আর্থিক কারণে এলাকার বেশির ভাগ গাছ কেটে ফেলেন তার বাবা। সেই ‘পাপ’ ঢাকতে মনস্থির করেন তিনি। এভাবে শুরু হয় এই দম্পতির বন প্রতিস্থাপনের যাত্রা।
দ্য গার্ডিয়ানের একটি সাক্ষাৎকারে সেবাস্তিয়াও বলেন, ‘জমিটির সব কিছু ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। মাত্র ০.৫ শতাংশ জমিতে গাছ ছিল। এরপর আমি ও আমার স্ত্রী মিলে এই বনের একটি প্রতিলিপি কল্পনা করে কাজ শুরু করলে ধীর ধীরে কীটপতঙ্গ, পাখি, মাছ ফিরে আসতে শুরু করে।’
শুরুতে এই দম্পতি ‘ইনস্টিট্যুটো টেরা’ নামের একটি ছোট সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থার মাধ্যমে তারা প্রায় চার লক্ষ গাছ রোপণ করেন। সেবাস্তিয়াও বলেন, ‘পরিবেশকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে বনের পুনরুত্থান করা অবশ্যই প্রয়োজন। তবে এই বন্য পরিবেশ, যেখানে বন্য পশুরা আবার ফিরে আসতে পারে তা গড়ে তুলতে সাধারণ গাছের পাশাপাশি, বন্য উদ্ভিদের বীজ রোপণ করাও প্রয়োজন।’
বিগত ২০ বছর ধরে সেবাস্তিয়াও এবং তার স্ত্রী লেলেয়া ডেলুইজ এই জায়গাটির যত্ন নেন। এখন এই জঙ্গলে ১৭২ প্রজাতির পাখি, ৩৩ রকমের স্তন্যপায়ী, ২৯৩ প্রজাতির গাছপালা এবং ১৫টি প্রজাতির সরীসৃপ রয়েছে।
-জেডসি
- ক্রিকেট: বিশ্বকাপ নিশ্চিতের পর স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
- অ্যামনেস্টির চিঠি: সতর্কবার্তা না কি সুযোগ
- কমেছে স্বর্ণের দাম, কেন বার বার দাম ওঠা-নাম করছে?
- মাঘেই পালিয়েছে শীত, বাতাসে বসন্তের আগমনী বার্তা
- সবজি ও মাছের দামে আবারও চাপ, মাংস স্থিতিশীল
- আবারও ছাদখোলা বাসে চ্যাম্পিয়ন সাবিনারা
- জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ
- আজ শুক্রবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স
- মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধান উপদেষ্টাকে অ্যামনেস্টির চিঠি
- ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আজ
- আজ সারাদিন গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজধানীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে শীতের পাখি
- নারী ভোটার পোস্টাল ভোটে সক্রিয়: প্রবাসী নারীরা শীর্ষে
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে
- রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা
- বৃহস্পতিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
- ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা
- কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান
- নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়া অর্থনীতিতে সতর্ক সংকেত
- এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে
- বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন কনে
- ইরান অভিমুখে আরও মার্কিন নৌবহর
- আমলকির তেল কি চুল পড়া বন্ধ করে?
- চ্যাম্পিয়ন সাবিনাদের জন্য ছাদখোলা বাস
- ‘এখন আরও দ্বিগুণ উদ্যমে কাজ করছি’
- হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল
- বিয়ের ক্ষেত্রে যে ‘বাধ্যবাধকতা’ বিলুপ্ত করছে ফ্রান্স
- কর্মক্ষেত্রে এআই ব্যবহারে ফ্রি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে যুক্তরাজ্য


