ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৯, জুলাই ২০২৬ ৫:২৩:২৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে নারীর মৃত্যু কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ চট্টগ্রাম বোর্ডের বুধবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার রূপকথার জয় ফরাসি আদালতের রায়: নির্বাচনে লড়ার সুযোগ পাচ্ছেন পেন

পদ্মা সেতু আমাদের আত্মসম্মানের ব্যাপার : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:২২ পিএম, ১২ মার্চ ২০২০ বৃহস্পতিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ছবি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ফাইল ছবি।

বিশ্ব ব্যাংকের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সারা বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু ছিল আমাদের আত্মসম্মানের ব্যাপার।’

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে একথা বলেন তিনি। এ সময় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ও জেলাভিত্তিক ২৫টি সেতুর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনারা জানেন, সেতু নির্মাণ শুরু হতে না হতেই ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আমাদের ওপর দুর্নীতির দোষারোপ করেছিল। আমি তাদের চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম-দুর্নীতি হয় নাই। কানাডার কোর্টে তা প্রমাণিত হয়।’

‘এটা আমাদের জন্য অনেক বড় সম্মানের। এই ধরনের একটা অভিযোগ দিয়ে আমাদের চরমভাবে অসম্মান করা হয়েছিল। তাই এটাকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। নিজেদের অর্থায়নে সেতুর কাজ শুরু করি। পদ্মা সেতু ছিল আমাদের আত্মসম্মানের ব্যাপার। আমরা যে নিজেরা করতে পারি, এই একটা সিদ্ধান্তে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানুষের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতুটা কিন্তু একটি ভিন্নধর্মী দোতলা সেতু হচ্ছে। নিচ দিয়ে রেল যাবে, ওপর দিয়ে গাড়ি যাবে। পদ্মা নদীর মতো একটি খরস্রোতা নদীতে এ জাতীয় সেতু নির্মাণ করা একটা বিরাট ঝুঁকির ব্যাপার ছিল। কিন্তু আমরা সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে এই সেতু নির্মাণ করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সমস্ত বাংলাদেশে যোগাযোগের একটা নেটওয়ার্ক তৈরি করে দিচ্ছি। এটা সবক্ষেত্রেই কাজে লাগবে। আর সব থেকে বড় কথা, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষরা ছিলাম সবচেয়ে অবহেলিত। ভাঙ্গা পর্যন্ত যেতে হলে একসময় স্টিমার বা লঞ্চে যেতে হতো, আর আমাদের গোপালগঞ্জ যেতে হলে চব্বিশ ঘণ্টা লাগতো। আমি ১৯৮১ সালে যখন ফিরে আসি (বিদেশ থেকে), তখনও সেই অবস্থাই ছিল। যাক, আজকে আর সেই দিন নেই।’