ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ২:৫৭:৫৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

পাবনায় গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী আটক

আপডেট: ০৮:৫২ এএম, ১৪ জুলাই ২০১৫ মঙ্গলবার

1436859137স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, পাবনা পাবনা শহরের খেয়াঘাটপাড়া এলাকায় তাসলিমা খাতুন (২২) নামে এক গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকত্রী কামরুন্নাহার মৌসুমী (২৬) ও তার স্বামী ইমাম হোসেনকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার রাত নয়টার দিকে তাদের আটক করাসহ আহত গৃহকর্মী তাসলিমা খাতুনকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পাবনা শহরের খেয়াঘাটপাড়া এলাকার সুব্রত চক্রবর্তীর বাড়িতে ভাড়া থাকেন সরকারি শহীদ বুলবুল কলেজের ইতিহাস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইমাম হোসেন। তার ভাড়া বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন তাসলিমা খাতুন। প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন কাজের উছিলায় গৃহকর্মী তাসলিমা খাতুনকে বটি ও লাঠি দিয়ে নির্মম নির্যাতন চালাতেন শিক্ষক ইমাম হোসেনের স্ত্রী কামরুন্নাহার মৌসুমী। দিনের পর দিন এমন নির্যাতনে তাসলিমা গত ১১ জুলাই সকালে বাড়ির আবর্জনা ফেলতে গিয়ে ভয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ইমাম হোসেন।
এদিকে সোমবার রাতে আহত তাসলিমাকে রাস্তায় অভুক্ত অবস্থায় কাতরাতে দেখে তাকে গৃহকর্তার বাসায় পৌঁছে দিয়ে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী।
খবর পেয়ে পুলিশ ভাড়াটিয়ার বাসা থেকে নির্যাতনের শিকার তাসলিমাকে উদ্ধার এবং নির্যাতনকারী মৌসুমী ও তার স্বামী ইমাম হোসেনকে আটক করে।
উদ্ধারের পর নির্যাতিতা তাসলিমা খাতুন উইমেননিউজকে বলেন, ‘মৌসুমী ম্যাডাম প্রায়ই আমার উপর নানাভাবে নির্যাতন চালাতেন। কখনও বটি দিয়ে কোপাতেন, কখনও লাঠি দিয়ে মারপিট করতেন। এজন্য ভয়ে আর ওই বাসায় যাইনি।’
তবে মৌসুমী ও তার স্বামী ইমাম নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে বলেন, তাসলিমার শরীরে কাটা দাগ আগে থেকেই ছিল। আমরা মাঝে মধ্যে তার ক্ষতস্থান ড্রেসিং করে দিতাম।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুল হক জানান, এলাকাবাসীর দেয়া সংবাদের ভিত্তিতে আমরা আহত গৃহকর্মী তাসলিমাকে উদ্ধার করি এবং স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মঙ্গলবার (দুপুর সোয়া ১টায়) খবরে জানা গেছে, স্বামী ইমাম হোসেনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পাবনা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী কামরুন্নাহার জলি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মী তাসলিমা গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের হরতকিরটেক গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। অপরদিকে নির্যাতনকারী গৃহবধূ কামরুন্নহারের স্বামী ইমাম হোসেন গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া থানার তরুন মেরুয়া গ্রামের আবুল হাফিজের ছেলে।
১৪.০৭.২০১৫