ঢাকা, রবিবার ১২, জুলাই ২০২৬ ১২:৩৬:১৮ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বন্যা-পাহাড়ধসে চট্টগ্রামে ৬ দিনে ৪৩ জনের মৃত্যু ঢাকায় বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ, কিছু স্কুলে পরীক্ষা বন্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা ম্যারাডোনার রেকর্ড ভাঙলেন মেসি সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, প্রতিপক্ষ কারা

প্রতিটি অর্থ জনগণের, বিসিএস ক্যাডারদের প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৩:৩৮ পিএম, ২৩ জুন ২০১৯ রবিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

জনগণের অর্থে বেতন ভাতা হয়, এই বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ করতে বিসিএস ক্যাডারদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, যেহেতু তাদের টাকায় সব সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত হচ্ছে, তাই তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

রবিবার রাজধানীতে সিভিল সার্ভিস প্রশাসনিক একাডেমিতে বিসিএসে নিয়োগ পেয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে যাওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছিলেন শেখ হাসিনা। এ সময় তিনি তার সরকারের উন্নয়নের চিন্তা তুলে ধরে প্রশিক্ষণার্থীদের দেশ ও জনগণের সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিটি অর্থ জনগণের অর্থ, এটা মাথায় রাখতে হবে। আজকে যে বেতন, ভাতা যাই কিছু পাচ্ছি, এই দেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ-তাদেরই তো উপার্জিত অর্থ। তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করা, তাদের উন্নতি করা, এটাই তো আমাদের কর্তব্য।’

‘শুধু চাকরি করার জন্য চাকরি করা না, একটা কর্তব্যবোধ, দেশাত্ববোধ, দেশের প্রতি ভালোবাসা, জনগণের প্রতি ভালোবাসা এবং তাদের প্রতি দায়িত্ববোধ-এই চিন্তাটা সব সময় মাথায় থাকলে পরে দেশটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলা যায়।’

জনগণকে সম্মান করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ভাষণের পুনরুল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতা সরকারি চাকুরেদের বলেছিলেন, ‘মনে রেখো, এটা স্বাধীন দেশ। এটা ব্রিটিশ কেলোনি নয়, পাকিস্তানের কলোনি নয়। যে লোককে দেখবে, তার চেহারাটা তোমার বাবার মতো, তোমার ভাইয়ের মতো। ওদের পরিশ্রমের পয়সায় তোমরা মাইনে পাও, ওরাই সম্মান বেশি পাবে। কারণ, ওরা নিজেরা কামাই করে খায়।’

‘মাঠ পর্যায়ে যারা যাবেন, জাতির পিতার এই মহা মূল্যবান কথাটা সব সময় স্মরণ রাখতে হবে’- বলেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে যারা কাজ করবেন, ওখানকার মানুষের সমস্যাগুলো বের করতে হবে খুঁজে। সমাধানের পথ বের করতে হবে। তারা যেন ন্যায়বিচার পায়, সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। শুধু গতানুগতিকভাবে দেশ চালালে চলবে না। দেশকে আধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন করে একেবারে তৃণমূর পর্যায় পর্যন্ত চলতে হবে।’

জনগণকে সম্মান দেওয়ার শিক্ষা সব সময় পরিবার থেকে পেয়েছেন উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে বাবা আমাদের শিখিয়েছেন রিকশাওয়ালাকে আপনি বলতে। আমরা আপনি বলতাম। গাড়ির ড্রাইভারকে ড্রাইভার সাহেব বলতাম। নইলে আমাদেরকে বকা খেতে হতো। কাজেই সকলকে মর্াদা দিয়ে চলতে হবে।’

২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত করার লক্ষ্যের কথা তুলে ধরে এ জন্য যারা কাজ করবেন, তাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোরও তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘দেশটাক যদি আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, তাহলে সকলের সুযোগ সুবিধা আরো বাড়বে। সব সময় চেয়েছি, যারা কাজ করবে, তাদের জব সেটিসফেকশন থাকতে হবে। তাদের বেতন ভাতা চলাচল যা কিছু-সব কিছু ব্যবস্থা করার দায়িত্ব আমাদের। সে জন্য সীমিত সাধ্যের মধ্যেও যতটা পেরেছি, সেই সুযোগটা আমি সৃষ্টি করে দিতে চেয়েছি।’

কর্মক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো একটা কাজ করতে গেলে কীভাবে করব, কয় টাকা আসবে, কোত্থেকে টাকা পাব, এত দুশ্চিন্তা না করে ভাবতে হবে এখানে কাজটা করলে লাভ হবে, তাহলে এটা হবে। কীভাবে এটা করা যায়, সেটা নিজে খুঁজে বের করতে হবে। নিজের ভেতরে ইনোভেটিভ চিন্তা ভাবনা থাকতে হবে। নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে।’

‘কাজটা পারব কি পারব না, এই দ্বিধা দ্বন্দ্বে ভুগলে চলবে না। অবশ্যই পারব। সব জায়গায় সব কিছু সাকসেসফুল নাও হতে পারি, তার পরেও আমি মনে করি, এই বিশ্বাসটা নিজের মধ্যে রাখতে হবে।’

-জেডসি