ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ৭:০৭:৪৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

প্রথম আলো সৎ সাংবাদিকতা করছে না : মতিয়া

আপডেট: ০৩:০৩ পিএম, ৫ জুলাই ২০১৫ রবিবার

motiaস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : কলের লাঙল কেনায় ভর্তুকির অর্থ বরাদ্দ নিয়ে প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোর বিরুদ্ধে অসৎ সাংবাদিকতার অভিযোগ করেছেন মতিয়া চৌধুরী। ঝিনাইদহের এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রথম আলোর প্রতিবেদকের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও রোববার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তুলে ধরেন তিনি। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া প্রথম আলোকে উদ্দেশ করে বলেন, “যতই বানোয়াট নিউজ ছাপান না কেন, এতে যে আমি খুব একটা উত্তেজিত হব, এমন না। তারা তাদের ইচ্ছামতো নিউজ করে এবং সেইভাবে পাঠকদের বিভ্রান্ত করে। “আমি শুধু এটুকু বলবো যে মন্ত্রী বা এমপি হলে পার্লামেন্টে কথা বলতে পারি, তাও সেশন থাকলে। সাধারণ মানুষ কী করবে। সাধারণ মানুষের প্রতিকারের পথটা কী? এর নাম সৎ সাংবাদিকতা না। আই রিপিট, এর নাম সৎ সাংবাদিকতা না, এর নাম সৎ সাংবাদিকতা না।” সাবেক রাজনৈতিক সহযোদ্ধা সম্পাদিত পত্রিকাটির সমালোচনা করে মতিয়া আরও বলেন, “আমি মন্ত্রী বলে সংসদে বিবৃতি দিয়ে প্রকৃত ঘটনা জানাতে পারছি। কিন্তু সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে অসত্য খবর প্রকাশিত হলে তার প্রতিকার কীভাবে পাবে? প্রতিবাদ দিলেও তারা তিন-চার লাইন দেন অথবা দেন না।” ষাটের দশকে মতিয়া যখন বামপন্থি ছাত্র সংগঠন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা ছিলেন, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানও তখন ছাত্র সংগঠনটির মধ্যম সারির নেতা ছিলেন। মতিউর রহমান পরে কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য ও দলটির মুখপত্র একতার সম্পাদক ছিলেন। গত ২৭ মে প্রথম আলো পত্রিকায় ‘কলের লাঙলের ভর্তুকির বড় ভাগ সরকারি দলের নেতা-কর্মীদের পকেটে’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ জুন সংসদে বিবৃতি দেন মতিয়া চৌধুরী। ওই বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিত সংবাদ প্রকাশের পর আবারও বিবৃতি দেন মতিয়া। সর্বশেষ গত ২ জুলাই পত্রিকাটি ‘প্রথম আলোর খবর অসত্য নয়, এখনো পাঁচজন লাঙল কেনেননি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার আবার সংসদে এনিয়ে কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। প্রথম আলোর সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ জুলাই মন্ত্রণালয় আবার তদন্ত করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই তদন্তে প্রথম আলোর সংবাদ ‘অসত্য’ বলে প্রমাণিত হয়েছে। ঝিনাইদহে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদকের প্রসঙ্গে মতিয়া বলেন, “জনাব আজাদ রহমান ৯১-৯৬ সালে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৮-২০০০ মেয়াদে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রাক্তন মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের লোকসমাজ পত্রিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।” ভর্তুকি দেওয়া প্রসঙ্গে মতিয়া বলেন, “একজন কৃষক ৭৫ ভাগ টাকা জমা দিলে পরে কিনতে পারে। তাও কাগজপত্র নিশ্চিত হওয়ার পর সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ভর্তুকির টাকা দেওয়া হয়। কোনো ব্যক্তিকে এই টাকা দেওয়া হয় না। “মূলত এই বিষয়টি হয়ত প্রথম আলো কর্তৃপক্ষ বোঝে না, অথবা বুঝেও না বোঝার চেষ্টা করছে... অথবা এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য নিহিত আছে।” ০৫.০৭.২০১৫