ঢাকা, মঙ্গলবার ০৩, নভেম্বর ২০২৬ ৬:৩১:৫৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন ইলিয়ানা মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান গাজীপুরে আজও শ্রমিকদের বিক্ষোভ-অবরোধ, যানবাহন ভাঙচুর অভাব-অনটন জয় করে যমজ দুই বোন পেলেন জিপিএ-৫ চার মাসে রপ্তানি আয় ছাড়াল ১৭ বিলিয়ন ডলার প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‌‘মুরাসু’, সর্বশেষ যা জানা গেল টানা ৪ দিন গ্যাস সংকটে ভুগবে ঢাকাসহ সারাদেশ ট্রাম্পের প্রাসাদ থেকে অল্প দূরে বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৯

ফেলানী হত্যার ৯ বছর আজ; ন্যায়বিচারের আশায় পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:২৪ পিএম, ৭ জানুয়ারি ২০২০ মঙ্গলবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

বহুল আলোচিত ফেলানী খাতুন হত্যার ৯ বছর পূর্তি ৭ জানুয়ারি। দীর্ঘসূত্রিতার মধ্যদিয়ে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে চলছে তার বিচারিক কার্যক্রম। ২০১১ সালের এই দিনে ভারতীয় বিএসএফ’র গুলিতে নির্মম হত্যার শিকার ফেলানীর মৃতদেহ কাটাতারে ঝুলে ছিল দীর্ঘ সাড়ে ৪ ঘন্টা।

প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিল গণমাধ্যমসহ বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তীব্র সমালোচনার মুখে পরতে হয় ভারতকে। ফেলানীর পরিবার এখনো বুক বেঁধে আছে ন্যায় বিচারের আশায়।

জানা যায়, কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে মেয়েকে নিয়ে ভারতে পারি জমিয়েছিল ফেলানী খাতুন ও তার বাবা নুরুল ইসলাম নুরু। সেখানে কয়েক বছর থাকার পর কিশোরী মেয়েকে নিজ দেশে বিয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছিলেন।

সেদিন ছিল ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি শুক্রবার। ভোর ৬টার দিকে ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেন বাবা ও মেয়ে। বাবা নুরুল হক কাটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে পার হতে পারলেও মেয়ে ফেলানী কাটাতারে উঠতেই ভারতীয় বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ গুলি চালালে কাটাতারেই ঢলে পরে ফেলানীর নিথর দেহ।

সেখানে সাড়ে ৪ ঘন্টা ঝুলে থাকার পর তার লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ। এই ঘটনায় বিশ্বব্যাপী তোলপাড় শুরু হলে ৩০ ঘন্টা পর বিজিবি’র কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। দীর্ঘ ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও আজো ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার সম্পন্ন হয়নি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি শুনানীর দিন ধার্য করা হলেও তা বারবার পিছিয়ে দেয়া হয়।

দীর্ঘদিন ধরে ফেলানী হত্যার ন্যায় বিচার না হওয়ায় পরিবারসহ হতাশ স্বজনরাও। ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই ভারতীয় মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) ফেলানী খাতুন হত্যার বিচার ও ক্ষতিপুরণের দাবিতে দেশের সুপ্রিম কোর্টে রিট আবেদন করে। ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর শুনানীর পর ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে বারবার তারিখ পিছিয়ে যায়। ফলে থমকে গেছে ফেলানী খাতুন হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপুরণের দাবি।

ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম নুরু ও মা জাহানারা বেগম জানান, “ভারতীয় সর্বোচ্চ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচারিক কার্যক্রম ঝুঁলে থাকায় আমরা হতাশ। আমরা ন্যায় বিচারের জন্য দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অপেক্ষা করছি।”  

এদিকে ফেলানী হত্যার বিচার কার্যক্রম নিয়ে কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট এস.এম আব্রাহাম লিংকন জানান, “ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে ফেলানী হত্যাকান্ডের রিট এ বছর তালিকা ভুক্ত না হওয়ায় কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে বিচারিক কাজ। দ্রুত ফেলানী হত্যাকান্ডের বিচারের রায় হলে উভয় দেশের সীমান্তের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে বলে মনে করেন তিনি।”

-জেডসি