ঢাকা, শনিবার ০৭, নভেম্বর ২০২৬ ৫:৪৭:৪৫ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
মুক্তি পেলেন কিউবার সাংবাদিক ইয়োয়ানি সানচেজ রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান ফের গ্রেফতার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেত্রী উর্মি পুরো ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের তিন দফা বাড়ার পর কমল স্বর্ণের দাম নাসিরের মামলায় আত্মসমর্পণ, জামিন পেলেন পরীমনি

বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪.কম

প্রকাশিত : ০৮:৩৩ পিএম, ১২ এপ্রিল ২০১৮ বৃহস্পতিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ারপ্ল্যান্টের উদ্বোধন ও ১৫ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হওয়ার জন্যে পুনরায় জনগণের ওপর আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে আজ বৃহস্পতিবার এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পাওয়ার প্ল্যান্ট উদ্বোধণ ও ১৫ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের এ ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি একই আনুষ্ঠানিকতায় অনলাইন উদ্ভাবক প্রশিক্ষণ মঞ্চ ‘কুশলী’-এরও উদ্বোধন করেন।
ভেড়ামারা কম্বাইন্ড সাইকেল ডুয়েল ফুয়েল পাওয়ার প্ল্যান্ট পুিরকল্পনাটি ৩ হাজার ৭৮৪ দশমিক ৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত। এতে ৬৩৪ দশমিক ৭২ কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ ও বাকী অর্থ সহযোগীদের কাছ থেকে আসে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিষ্ঠান দি নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানী লিমিটেড কুষ্টিয়ার ভেরামারা উপজেলার বহির্চর অঞ্চলে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। ১৫টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে ঢাকার ধামরাই, কিশোরগঞ্জের নিকোলী, চট্টগ্রামের রাউজান, রংপুরের পীরগঞ্জ, কুষ্টিয়ার খোকশা, সতক্ষীরার দেবহাটা, খুলনার রূপসা, ফুলতলা ও দীঘলীয়া, নাটোরের বাগাতিপাড়া, পাবনার বেড়া, সিলেটের বিয়ানিবাজার, দিনাজপুর সদর ও নিাজপুরের বিরামপুর। এসব উপজেলার সঙ্গে আরো ৫১ টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়। ‘কুশলী’ একটি ওয়েব- ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বা সফটওয়্যার ব্যবহারকারি পরিকল্পনা যা সুনির্দিষ্ট শিক্ষা প্রক্রিয়াকে নির্ণয় ও বাস্তবায়ন করে। এ প্রক্রিয়া আগামী তিন দশকব্যাপী বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের প্রযোজনীয়তা পুরনে সহযোগিতা করবে। বাংলদেশের যে কোনো জায়গা থেকে যে কেউ এ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন।
জ্বালনি বিভাগের সচিব ড. কাইকাস মূল প্রবন্ধে বাংলাদেশের বিদ্যুতায়নের অতিত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো.নজীবুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাসরুল হামিদ বিপু এসময় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বিদ্যুৎ , জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক, ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত, সংসদ সদস্যবৃন্দ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তরা অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন বিভাগের মন্ত্রী, গণপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ও ভিডিও কনফারেন্সে অংগ্রহণ করে সুবিধাপ্রাপ্তদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।