ঢাকা, মঙ্গলবার ১৪, জুলাই ২০২৬ ২২:২৩:১১ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সায়েন্সল্যাব মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবরোধ বন্যা ও পাহাড় ধসে সাত জেলায় প্রাণহানি বেড়ে ৫৪ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের বাস চলাচল বন্ধ ঢাকার পানি নামার ৪১ স্লুইসগেটের ২২টিই অচল ১৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া-বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ১০:২৭ পিএম, ২২ এপ্রিল ২০১৮ রবিবার

জাপানী নারী নাবি তাজিমা ১১৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। তাকে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি মনে করা হচ্ছে।


স্থানীয় কর্মকর্তা শুশুমু ইয়োশিকিয়ো রোববার এ কথা জানিয়ে বলেন, নাবি তাজিমা ১৯০০ সালের ৪ আগস্ট জন্ম নিয়েছিলেন। তিনি শনিবার স্থানীয় সময় রাত আটটায় কাগুসিমা অঞ্চলের কিকাই আইল্যান্ডের একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে মারা যান।


জাপানের সংবাদ মাধ্যম বলছে, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নাবি জাপানে সবচেয়ে প্রবীণ নারীর স্বীকৃতি পান।


২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে জ্যামাইকার নাগরিক ১১৭ বছর বয়সী ভায়োলেট ব্রাউনের মৃত্যুর পর নাবি তাজিমা বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হতে পারতেন।


ব্রাউনের মৃত্যুর পর গিনেস ওর্য়াল্ড রেকর্ড বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি নিয়ে গবেষণা করে। কিন্তু তারা নাবি তাজিমাকে এখনও এ ধরণের স্বীকৃতি দেয়নি। বরং গিনেস ওর্য়াল্ড রেকর্ড বুক গত ১০ এপ্রিল বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে জাপানের ১শ ১২ বছর বয়সের মাসাজো নোনাকাকে ঘোষণা দেয়।


কর্মকর্তারা জানান, শারীরিক দূর্বলতার কারণে গত জানুয়ারি থেকে নাবি একটি নাসিং হোমে ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি মারা যান।

 

তাজিমা আরাকিতে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি তৎকালীন কিকাইজিমা দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত ওয়ান গ্রামে অবস্থিত ছিল। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারী মাস থেকে, তিনি কাগোশিমার কিকাইতে "কিকাইয়েন" নামের একটি নার্সিং হোমে বসবাস করেছেন।

 

কিছু কিছু সূত্র অনুযায়ী, তার স্বামী, টমিনিশি তাজিমা, ১৯৯১ সালে ৯৫ বছর বয়সে বা অন্যান্য সম্ভাব্য সূত্রানুযায়ী ১৯৯২ বা ১৯৯৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তার নয় সন্তান (সাত ছেলে ও দুই মেয়ে) রয়েছে। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর অনুযায়ী, তাজিমার ২৮জন নাতিনাতনী, ৫৬জন মহা-নাতিনাতনী এবং ৩৫জন মহা-মহা-নাতিনাতনী ছিল। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর অনুসারে, তার মহা-মহা-মহা-নাতিনাতনী সহ ১৪০জনের অধিক সন্তানসন্ততি ছিল। সেপ্টেম্বর ২০১৭ মতে, তার বংশধর ছিল প্রায় ১৬০ জন।

 

২০১১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর, ১১৫ বছর বয়েসী একজন বেনামী নারী যিনি টোকিওতে বসবাস করতেন তার মৃত্যুতে তাজিমা জাপানের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যক্তি হিসেবে পরিণত হন। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে, ১১৭বছর বয়েসী একজন জ্যামাইকার নাগরিক ভায়োলেট ব্রাউনের মৃত্যুতে, তাজিমা বিশ্বের প্রাচীনতম জীবিত ব্যক্তি হয়ে ওঠেন এবং ১৯শ শতকে জন্মগ্রহণকারী সর্বশেষ ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হন। ২২ মার্চ, ২০১৮ সালে, নাবি তাজিমা পৃথিবীর ইতিহাসে চতুর্থ দীর্ঘজীবী ব্যক্তি হয়ে উঠেন।

 

গভীর ঘুম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণকে তিনি তার দীর্ঘায়ুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।