ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:৩০:১৭ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

মিরপুরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর মাথা কেটে হত্যা, গ্রেফতার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০২:৫৯ পিএম, ২০ মে ২০২৬ বুধবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীর মিরপুরের সেকশন-১১ এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে (৭) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। তারা স্বামী-স্ত্রী এবং নিহত শিশুর পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।

মঙ্গলবার রাত সোয়া ১০টার দিকে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম। এ সময় মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক সরকার, অতিরিক্ত উপকমিশনার আশরাফুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মিল্লাত ক্যাম্পসংলগ্ন একটি বাসা থেকে রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় শিশুটির মা মেয়েকে খুঁজতে গিয়ে পাশের ফ্ল্যাটের দরজা খুলতে বলেন। কিন্তু অভিযুক্তরা দরজা না খুলে জানালার গ্রিল কেটে পালানোর চেষ্টা করে। পরে দরজা খোলা হলে রামিসার বিচ্ছিন্ন মাথাসহ মরদেহ দেখতে পান তার মা।

ঘটনার পরপরই পল্লবী থানা পুলিশ ও ডিএমপির একাধিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ, তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাত ঘণ্টার মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।

ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে মাথা বিচ্ছিন্ন করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্বের সঙ্গে কাজ করছে।