লামায় পাহাড় ধসে নারী-শিশুসহ ৫ জন নিহত : নিখোঁজ ৩
আপডেট: ০৮:৩৭ এএম, ১ আগস্ট ২০১৫ শনিবার
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, ঢাকা : প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসে বান্দরবানের লামা উপজেলা সদরের হাসপাতাল পাড়ায় শুক্রবার রাত আড়াইটায় ৩ পরিবারের ৪ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন।
আহতাবস্থায় উদ্ধার করা আরাফাত হোসেন (১২) শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায়। ফলে পাহাড় ধসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫-এ। মাটিচাপা পড়েছে আরও ৩ জন। গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার লেদু মিয়া লামা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মাটিচাপা পড়াদের উদ্ধারে কাজ চলছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ, দমকল বাহিনী এবং স্থানীয়রা উদ্ধার কাজে সহায়তা করছেন।
লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদ মাহমুদ এবং পৌর মেয়র আমির হোসেন আমু শনিবার সকালে জানান, প্রবল বর্ষণজনিত কারণে পাহাড়ের অংশ ধসে পড়ে হাসপাতাল পাড়ায় ৩টি ঘর বিধ্বস্ত হয়। মাটিধসে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন রোজিনা আক্তার (৩৪), তার পুত্র সাজ্জাদ হোসেন (৫) ও পুতু (১০)। অপর পরিবারের আমেনা বেগম (৩৫) নিহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় আরাফাত হোসেনকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সে মারা যায়। মাটিচাপা পড়ে রয়েছেন মো. বশির (৫৫), জিকু মাষ্টার (৮০) এবং ফাতেমা বেগম (৮)। তাদেরকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও দমকল বাহিনীসহ সর্বস্তরের মানুষ কাজ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, শনিবার সকালে নিহত ৫ জনের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে ২৫ হাজার টাকা করে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।
লামা উপজেলায় পাহাড় ধসের অতিঝুঁকিতে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হলেও অনেকেই ঝুঁকিপুর্ণ অবস্থায় পাহাড়ের পাদদেশে এখনও বসবাস করছেন।
উল্লেখ, ২০১২ সালের জুলাই মাসে একই উপজেলার আজিজনগর, গজালিয়া এবং ফাইতংয়ে পাহাড় ধসে মাটি চাপায় এক পরিবারের ৭ জনসহ ২৮ জন মর্মান্তিকভাবে নিহত হন। ওই সময় বানের পানি ও পাহাড় ধসে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সদর ও বাইশারীতে নিহত হন আরও ৬ জন গ্রামবাসী।
নিরাপদ আশ্রয়স্থল না থাকায় পাহাড় ধসের কারণে প্রতিবছরই বর্ষায় অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং শত শত বাড়ি-ঘর ধসে পড়ে। ব্যাপক বনজ ও ফলজ বাগানের ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে।
০১.০৮.২০১৫ - রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ
- ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না
- এভারকেয়ার হাসপাতালে চাকরির সুযোগ
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- ইংল্যান্ডকে বিদায় করে ফাইনালে আর্জেন্টিনা
- ঢাবিতে নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’
- কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে ১২ লাখ পোশাক শ্রমিক, ৬০ শতাংশই নারী
- গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান
- নাতনীর মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল নানীর
- ইংল্যান্ড অধিনায়ককে উদ্দেশ করে পরীমনির ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল
- ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস
- ছয় মাসে ৩৮৩ সাংবাদিক নির্যাতন-হয়রানির শিকার: এইচআরএসএস
- ফাইনালের আগে ফিফার শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা
- আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা
- ৮ জেলায় বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
- বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম
- জুলাই শহীদ দিবস আজ
- সাম্য ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে আজ রথযাত্রা
- স্মার্টফোনের ডিসপ্লে পরিষ্কারের সময় ভুলেও যা করবেন না











