ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ৪:৩১:৩৬ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

লালমনিরহাটে বাঁশে বেঁধে শিশুপুত্রসহ বিধবাকে রাতভর নির্যাতন

আপডেট: ০২:৪৭ পিএম, ৯ জুলাই ২০১৫ বৃহস্পতিবার

indexস্টাফ করেসপন্ডেন্ট, উইমেননিউজ২৪.কম, লালমনিরহাট : জেলার হাতিবান্ধায় সিঙ্গিমারী গ্রামে শিশুসহ বিধবা মাকে বাঁশের সঙ্গে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করেছে লান্টু, সাবেদ, শাহিন ও ফরিদসহ কয়েকজন গ্রাম্য মাতবর। যদিও মাতবরদের অভিযোগ ওই বিধবা নারীকে অনৈতিক সম্পর্কের কারণে আটক করা হয়েছে এবং বিচারে শাস্তি দেয়া হয়েছে। তবে এলাকাবাসী বলছে ভিন্ন কথা। এলাকাবাসী ও আহতরা জানান, পাওনা টাকা নিতে একই গ্রামের দিনমজুর রফিকুল ইসলাম বিধবা শিউলীর বাড়িতে যান। এসময় ওই এলাকার লান্টু, সাবেদ, শাহিন ও ফরিদসহ কয়েকজন গ্রাম্য মাতববর রফিকুল ও শিউলীর বিরুদ্ধে কথিত অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে আটক করেন। পরে তাদের আদালতে তারাই বিচারের নামে গভীর রাতে দুইজনকেই  গ্রামবাসীর সামনে রশি দিয়ে বাঁশের সঙ্গে বেঁধে রাতভর নির্যাতন করে। নিযার্তনে রফিকুলের চোখ দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। এসময় নির্যাতনে বিধবা শিউলীও অজ্ঞান হয়ে পড়েন। শিউলীর ছেলে আরিফ (১০) মারপিটে বাধা দিতে তার মায়ের কাছে এলে তাকেও মারপিট করা হয়। বুধবার দিনগত রাতে হাতীবান্ধা উপজেলার সিঙ্গিমারী গ্রামে মাতবরদের এ বর্বরোচিত নির্যাতনের শিকার হন ওই গ্রামেরই আলিমুদ্দিনের ছেলে দিনমজুর রফিকুল ইসলাম (৪২) ও একই গ্রামের মৃত তফিজুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী বেগম (৩৮)। এলাকাবাসী ও আহতরা অভিযোগ করে বলেন, লান্টু, সাবেদ, শাহিন ও ফরিদসহ কয়েকজন গ্রাম্য মাতবর মনগড়া বিচারে তাদের উপর নির্যাতন চালিয়েছেন। অবশেষে খবর পেয়ে আজ সকাল সাড়ে দশটার দিকে সিঙ্গিমারী ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের সদস্য ছলিমুদ্দিন তাদের উদ্ধার করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে রাতেই তাদের ছেড়ে দিতে বলেছিলাম। কিন্তু ওই এলাকার কয়েকজন মাতবর তাদের ছেড়ে দিতে দেননি। সকালে গ্রামের লোকজন নিয়ে রফিকুল ও শিউলীকে মাতবরদের হাত থেকে রক্ষা করেছি। তবে হাসপাতালে নিতে পারিনি। হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য ফোন দিলে থানার উপ-পরিদর্শক মূসা কল রিসিভ করে বলেন, স্যার কনফারেন্সে আছেন। পরে এ ঘটনার সম্পর্কে তিনি অবগত আছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি হ্যা সূচক উত্তর দেন। তিনি বলেন, এ রকম একটি ঘটনা ঘটেছে। বাঁশে বেঁধে নির্যাতনের কথা তিনি জানেন না বলে জানান। তবে সামান্য চড় থাপ্প্ড় মেরেছে বলে জানান তিনি।
০৯.০৭.২০১৫