ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৬:৫৬:৪৯ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে চাপ অব্যাহত

রাতুল মাঝি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২৯ এএম, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ শুক্রবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন কাঁচাবাজারে আজ পণ্যের দামে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। বেশিরভাগ শাক-সবজির দাম তুলনামূলক সহনীয় থাকলেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্যে এখনও চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

রাজধানীর মালবাগ, শান্তিনগর, খিলগাঁও, রামপুরা, পরীবাগ বাজারে ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আজ প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪৫ টাকায়, পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৬০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। শসা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা ও পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউ প্রতিটি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। মসলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে আদা ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং রসুন ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারে দাম তুলনামূলক বেশি রয়েছে। আকারভেদে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১,২০০ থেকে ৩,২০০ টাকায়। রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা, পাঙ্গাস ২০০ থেকে ২২০ টাকা, কই মাছ ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং চিংড়ি ৮০০ থেকে ১,৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের বাজারেও উচ্চমূল্য অব্যাহত রয়েছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকা, খাসির মাংস ১,১০০ থেকে ১,২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৪২০ থেকে ৪৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ডিমের বাজারেও কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, সাদা ডিম ১১০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে তাদের উদ্বেগ কমছে না। মিরপুরের বাসিন্দা গৃহিণী রোকেয়া বেগম বলেন, “সবজির দাম কিছুটা কম থাকলেও মাছ-মাংস কিনতে গেলেই বাজেট এলোমেলো হয়ে যায়। আগের মতো সবকিছু কেনা এখন সম্ভব হচ্ছে না।”

মোহাম্মদপুরের চাকরিজীবী সাইফুল ইসলাম বলেন, “ডিম আর মুরগি ছিল মধ্যবিত্তের ভরসা। এখন সেগুলোর দামও বেড়ে গেছে। মাস শেষে হিসাব মেলানো কঠিন হয়ে পড়ছে।”

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, দাম বাড়ার পেছনে তাদের কোনো হাত নেই। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল কাদের জানান, “হাট থেকে যে দামে কিনতে হয়, সেই হিসাবেই বিক্রি করছি। পরিবহন খরচও বেড়েছে, তাই দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না।”

মাছ বিক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, “গরমের কারণে অনেক সময় মাছ সরবরাহ কম থাকে। তাই দাম একটু বেশি। সরবরাহ বাড়লে দামও কিছুটা কমে আসবে।”

সামগ্রিকভাবে, কাঁচাবাজারে আংশিক স্বস্তি থাকলেও মাছ, মাংস ও ডিমের উচ্চমূল্য সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে পারছে না।