ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২:২২:৫১ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
৯ তলা থেকে লাফ দিয়ে ৩ বোনের আত্মহত্যা গাজা গণহত্যা: ফ্রান্সে দুই ইসরায়েলি নারীর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আজ ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বায়ু ২০৩০ সালের মধ্যে ৫৪ লাখ শিশুর মৃত্যুঝুঁকি: গবেষণা সতর্কবার্তা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন কারাবন্দিরা চালকদের বদঅভ্যাসেই শব্দদূষণ বাড়ছে: রিজওয়ানা রমজানে কম দামে মাংস, মুরগি, ডিম ও দুধ বিক্রি করবে সরকার

সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে এমু পাখি পাচার

বিবিসি | উইমেননিউজ২৪.কম

আপডেট: ০৪:০৯ পিএম, ১ মে ২০১৮ মঙ্গলবার

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাতক্ষীরায় এক অভিযান চালিয়ে ৬৫টি এমু পাখির বাচ্চা উদ্ধার করেছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি। এমু হচ্ছে উটপাখি জাতীয় একধরণের বড় আকারের পাখি। এ পাখি প্রধানত অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়।


শনিবার ভোররাতে সাতক্ষীরা জেলার পদ্মশাখরা গ্রামে ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় একটি চোরাচালানি দলের হাত থেকে এগুলো উদ্ধার করে বিজিবির একটি টহল দল। খবর বিবিসির।


বিজিবির ৩৩ ব্যাটলিয়নের প্রধান লে: কর্ণেল মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ফল রাখার প্লাস্টিকের ক্রেটে করে এই এমুর বাচ্চাগুলোকে বহন করা হচ্ছিল।


বিজিবি-র উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানিদের দলটি বাক্সগুলো ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।


কর্ণেল মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, মোট ৬৫টি এমুর বাচ্চা ধরা হয়েছিল। যার মধ্যে ১০-১২টি মারা গেছে। তবে ৫০টির বেশি এখনো জীবিত আছে। কেন এগুলো বাংলাদেশে আনা হচ্ছিল তা এখনও বের করা যায় নি।


সাতক্ষীরা সদরে বিজিবির ক্যাম্পে পাখির বাচ্চাগুলো রাখা হয়। পরে সেখানকার ভেটেরিনারি সার্জনের পরামর্শ অনুযায়ী এদের ঢাকা চিড়িয়াখানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সাতক্ষীরার ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, এমুর বাচ্চাগুলো ছোট। এরা সাধারণত বড় মোরগের মত আকারের হয়।


তিনি জানান, জীবিত এমুর বাচ্চাগুলো সুস্থ আছে এবং তাদের সাধারণ হাঁসমুরগির খাবার, কলা ইত্যাদি খাওয়ানো হচ্ছে।


কর্ণেল মুস্তাফিজ জানান, বাংলাদেশে এমু চোরাচালান হয়ে আসার ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেননি। এগুলো কি পাখি এবং কেন আনা হয়েছে তাও তারা প্রথমে বুঝতে পারেন নি। পরে প্রাণীবিজ্ঞানীদের সাথে কথা বলে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে এগুলো এমু পাখি।


তিনি জানান, চোরাচালানিদের ধরার জন্য তারা অনুসন্ধান চালাবেন।

উটপাখি মূলত দুই ধরণের, একটি হচ্ছে এমু, আরেকটি অস্ট্রিচ। এমু পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ায়। আর অস্ট্রিচ আকারে আরো বড় এবং মূলত আফ্রিকা মহাদেশের পাখী।


একটি পূর্ণ বয়স্ক এমু পাঁচ থেকে ৬ ফিট পর্যন্ত উঁচু হতে পারে । এর মাংস, তেল এবং চামড়ার জন্য এখন বিভিন্ন দেশের ফার্মে এর চাষ করা হচ্ছে।


বাংলাদেশের দিনাজপুরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি অস্ট্রিচের খামার স্থাপিত হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়।