ঢাকা, শনিবার ১৮, জুলাই ২০২৬ ৯:৪৮:১৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রাজধানীর সড়কে যেন গর্তের রাজত্ব, প্রতিদিন দুর্ভোগে লাখো মানুষ বৃষ্টির প্রভাবে সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি, স্থিতিশীল মাছ-মাংসের দাম ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ: ফাইনালে গুরু-শিষ্য মুখোমুখি ৬ মাসে ২৩৮ শিশু-কিশোরীসহ ৪০৪ জনকে ধর্ষণ: এইচআরএসএস গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে আটক নারীকে মুক্তি দিল ইরান আফগানিস্তানে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান হলেন বাংলাদেশের রাবাব ফাতিমা

সুষমার স্বামীকে পরিচালকের পদ দিতে চেয়েছিলেন ললিত

আপডেট: ১২:০৭ পিএম, ২ জুলাই ২০১৫ বৃহস্পতিবার

1435833929উইমেননিউজ ডেস্ক, ঢাকা : আর্থিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত পলাতক প্রাক্তন আইপিএল কর্মকর্তা ললিত মোদীকে গত বছর জুলাইয়ে ব্রিটিশ ভিসা পাইয়ে দিতে সাহায্য করেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।
নতুন তথ্যে জানা গেছে, ওই ঘটনার ঠিক এক মাস পরেই নিজের ব্যবসায়িক সংস্থা ইন্দোফিলের পরিচালক হওয়ার জন্য সুষমার স্বামী স্বরাজ কৌশলের নাম প্রস্তাব করেছিলেন ললিত মোদী।
ললিত প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তার অনুপস্থিতিতে কৌশলই সংস্থার কাজ সামলাবেন। যদিও স্বরাজ কৌশল শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ না-করায় সেটি প্রত্যাহার করা হয়। তবে ললিত মোদীর বাবা তথা ইন্দোফিলের কর্ণধার কে কে মোদী স্বীকার করেছেন স্বরাজ কৌশল তাঁদের নিয়মিত বেতনভোগীর তালিকায় ছিলেন। আনন্দবাজার পত্রিকা।
সুষমার বিরুদ্ধে নতুন এই তথ্য ফাঁস হতেই তার পদত্যাগ দাবিতে আরও চাপ বাড়িয়েছেন বিরোধীরা।
 তাদের মতে, মোদী-সুষমার আর্থিক আঁতাতের বিষয়টি এখন পরিষ্কার। ললিত মোদী যাতে পাসপোর্ট ফিরে পান সে জন্য উচ্চ আদালতে মামলা লড়েছিলেন সুষমার স্বামী-মেয়ে। এরপর সুষমার দেবরের  ছেলেকে ব্রিটেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য তদ্বির করেন ললিত। তারপর ললিত মোদীকে ব্রিটিশ ভিসা পাইয়ে দিতে সাহায্য করেন সুষমা। সবশেষে ললিত মোদী তার সংস্থায় স্বরাজ কৌশলকে ডিরেক্টর করার প্রস্তাব দেন। কংগ্রেসের মতে মোদী-সুষমা লেনদেনের এর চেয়ে বড় প্রমাণ আর কী হতে পারে। সুতরাং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে সুষমাকে এখনই সরানো হোক।
বিরোধীদের এসব অভিযোগ সামাল দিতে বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মত মুখ খোলেন সুষমার স্বামী স্বরাজ  কৌশল। তার বক্তব্য, গত বিশ বছর ধরে তিনি ললিত মোদীর আইনজীবী। তবে ইন্দোফিলের ডিরেক্টর পদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। এতে বিতর্কের কী আছে।
অন্যদিকে কে কে মোদী বলেন, ‘যেহেতু প্রস্তাবটি পরে ফিরিয়ে নেয়া হয়, তাই কোম্পানির বোর্ডে এ ব্যাপারে কোনও আলোচনা হয়নি।’ বিজেপিরও বক্তব্য, কেউ রাজনীতিতে রয়েছেন বলে কি তাঁর পরিবারের সদস্যরা পেশা ছেড়ে দেবেন।
০২.০৭.২০১৫