ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ৫:২৯:৫৪ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

হাম প্রতিকার ও প্রতিরোধ করবেন কিভাবে জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২৩ পিএম, ৫ এপ্রিল ২০২৬ রবিবার

প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

দেশজুড়ে বাড়তে থাকা হাম সংক্রমণ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। শিশুদের মধ্যে এ রোগের প্রকোপ তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদারের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতি, সচেতনতার অভাব এবং কিছু এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার সীমাবদ্ধতার কারণে হাম ছড়িয়ে পড়ছে।

চিকিৎসকদের মতে, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। জ্বর, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং পরবর্তীতে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি ওঠা—এসবই এর প্রধান লক্ষণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এমনকি মৃত্যুঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিয়মিত টিকাদান। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আওতায় শিশুদের নির্ধারিত সময়ে হাম ও রুবেলার টিকা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। যারা টিকা থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিকারের ক্ষেত্রে আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা, যাতে সংক্রমণ অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ জরুরি। ভিটামিন ‘এ’ সাপ্লিমেন্টেশনও রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন চালানো হচ্ছে এবং মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য গণমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সবার সম্মিলিত উদ্যোগ ছাড়া হাম প্রতিরোধ সম্ভব নয়। তাই অভিভাবকদের সচেতন হওয়া, সময়মতো শিশুদের টিকা দেওয়া এবং লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই পারে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে।