আমি উত্তর কলকাতায় মানুষ : সুদীপা
বিনোদন ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০১:১৬ পিএম, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ মঙ্গলবার
সুদীপা চট্টোপাধ্যায়
সে অনেক দিনের কথা। তখন ‘রান্নাঘর’ শুরু হয়নি, চাকরি করব ভেবে চলে গিয়েছিলাম দিল্লিতে। প্রথমে গুরুগ্রামে থাকি, সেখানে মন বসল না। থাকতে শুরু করলাম সিআরপার্কে। ভাবলাম, এবার বুঝি একটু মন বসবে। কিন্তু ওহ্ বাবা, দু’সপ্তাহের বেশি সেখানে থাকতে পারলাম কই! এতটাই ভালবাসি আমি কলকাতাকে।
আমার ছোটবেলা কেটেছে বরাহনগরে। গঙ্গার এক্কেবারে ধারে আমাদের পাড়া। হাঁটাপথ...গঙ্গা মানেই উদারতা। ছোটবেলায় কখনও জেটিতে, কখনও ঘাটে বসে ওই নিরন্তর বয়ে যাওয়া গঙ্গার দিকে তাকিয়ে থাকতাম। ছুটির দিন বা গরমের ছুটিতে আমাদের পাসটাইম কাটত গঙ্গায়। জলে দাপাদাপি, ঝাঁপাঝাঁপি, সে এক আলাদা মজার ব্যাপার। বাড়িতে প্রচুর নালিশ আসত। তাতে কী? আমাদের ‘কুছ পরোয়া নেহি’।
আমি বড় হয়েছি একান্নবর্তী পরিবারে। আর উত্তর কলকাতায় পাড়া ফিলিংসটা এখনও অটুট। বরাহনগরের পাড়া, আমার বাড়ি আমায় শিখিয়েছে শেয়ার করতে শেখা। মনে আছে, সে সময় শুধু আমাদের বাড়িতেই টিভি। পাড়ার সবাই আসত খেলা দেখতে। তাদের জন্য খাবারদাবার তৈরি...সে এক আলাদা আনন্দ। আমি এখন মা। কিন্তু এই জেনারেশনকে দেখছি যেটা চাই, সেটাই চাই। এই তো, আদির হাত থেকে রিমোট কেড়ে নিলেও কান্নাকাটি করতে থাকে।
আমি উত্তরে মানুষ। এখন বিয়ের পর আমি দক্ষিণ কলকাতায় থাকি। কিন্তু তাই বলে উত্তর কলকাতাকেই আমি ভালবাসি, দক্ষিণকে বাসি না, এমনটা নয়। আমি উত্তরকে আমার বুকে নিয়ে চলি। সেই নস্টালজিয়া, সেই অলিগলি...কিন্তু আমি এটাও বিশ্বাস করি, উত্তর কলকাতায় সারাজীবন থাকলে আজকে আমি যে পরিচিতি পেয়েছি সেটা কোথাও না কোথাও গিয়ে পেতাম না। পাড়া কালচারের ভাল দিক যেমন রয়েছে, খারাপ দিকও তো রয়েছে। ওরা এগোবার কথা ভাবে না। ওরা ভাবে, এগনো মানে পুরনো সমস্তকিছুকে ভুলে যাওয়া। কিন্তু আদতে তো তা নয়। মিলিয়ে মিশিয়ে এগিয়ে যাওয়াটাই আসল।
কলকাতায় আমার পছন্দের জায়গা আউটরাম ঘাট, বেলুড় মঠ। আমার বাড়িতে সবাই বেলুড় মঠ থেকে দীক্ষা নেওয়া। এ ছাড়াও আর এক পছন্দের জায়গা হল ভিক্টোরিয়া। আরও বিষদে বলতে গেলে ভিক্টোরিয়ার এক্কা গাড়ি। খুব পছন্দের। কলকাতা শহরের ফুসফুসে হাওয়া খেতে খেতে প্রিয়জনের সঙ্গে ঘোরা...এ কি কম কথা!
আমি যে খেতে ভালবাসি সেটা তো সকলেই জানেন। কিন্তু তারই মধ্যে মাটন রোল, ফুচকা আর বিরিয়ানি...ভেবেই খিদে পেয়ে গেল, আমার সবচেয়ে প্রিয়। কলকাতাকে নিয়ে লিখতে গেলে আমার আর শেষ হবে না। এভাবেই বেঁচে থাক আমার কলকাতা। ভালবাসায় থাক। ভালবাসতে শেখাক।
- ঈদের আমেজ, রাজধানী আজও বেশ ফাঁকা
- ইরানে বাড়ি ও পার্কে হামলা, ৬ জন নিহতের দাবি
- নিউইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরে গাড়ির সঙ্গে বিমানের সংঘর্ষ
- আজও ঢাকা চিড়িয়াখানায় মানুষের ব্যাপক ভিড়
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের ঢল
- ঈদ শেষে রাজধানীতে ফিরছে মানুষ
- যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে সব পেট্রোল পাম্প
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশীবাজারেও
- সাত দিন ছুটির পরে কাল খুলছে অফিস-আদালত
- ইরানসহ চার দেশের সঙ্গে ইইউর কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার
- একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব
- সড়ক দুর্ঘটনা: ১৮ ঘণ্টায় ঝরে গেল ২৩ প্রাণ
- ট্রাম্পের আলটিমেটামে কড়া প্রতিক্রিয়া ইরানের
- আজ সকালে লন্ডন গেলেন ডা. জোবাইদা রহমান
- এই ঈদে দর্শক চাহিদায় বাড়ল ‘দম’-এর শো
- অনেক নারী এখনও ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত: এড. দিলশাদ
- একাত্তরে গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব
- কুমিল্লায় ট্রেন দুর্ঘটনা: ২ গেটম্যান বরখাস্ত, তদন্তে ৩ কমিটি
- আজ সকালে লন্ডন গেলেন ডা. জোবাইদা রহমান
- বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৩ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস
- ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ফাঁকা রাজধানী
- এই ঈদে দর্শক চাহিদায় বাড়ল ‘দম’-এর শো
- ট্রাম্পের আলটিমেটামে কড়া প্রতিক্রিয়া ইরানের
- ১০ দিনে নেপাল-তিব্বত: পাহাড় ও বিস্ময়ের এক ভ্রমণকাহিনি
- আজও ঢাকা চিড়িয়াখানায় মানুষের ব্যাপক ভিড়
- নারী ফুটবলের বিকাশে নতুন সিদ্ধান্ত ফিফার
- দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন
- দেশের যেসব অঞ্চলে চার দিন ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা
- পৃথিবীর মতো গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশীবাজারেও





