ইফতারের মুহূর্তে ফিরে আসে একসাথে থাকার সুখ
নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪প্রকাশিত : ০৬:৪০ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মঙ্গলবার
ছবি: সংগ্রহিত।
রমজান এলেই বদলে যায় ঘরের চেনা ছবি। দিনের ব্যস্ততা, কাজের তাড়া আর আলাদা আলাদা সময়সূচির ভিড়ে যে পরিবারটা প্রায়ই একসঙ্গে বসতে পারে না, রোজার মাসে তারাই যেন প্রতিদিন এক টেবিলে মিলিত হয়। ইফতারের আগের আধঘণ্টা হয়ে ওঠে সবচেয়ে প্রাণবন্ত সময়।
বিকেল গড়াতেই রান্নাঘরে ব্যস্ততা বাড়ে। কারো হাতে খুন্তি, কারো হাতে প্লেট সাজানোর দায়িত্ব। মা ছোলাবুট ভাজেন, বাবা বাজার থেকে আনা পিয়াজু আর চপ নামিয়ে রাখেন, ছোটরা বারবার ঢাকনা খুলে উঁকি দেয়—“আর কতক্ষণ?” এই ছোট ছোট ব্যস্ততা আর প্রশ্নের মাঝেই তৈরি হয় পরিবারের একান্ত নিজস্ব উৎসব।
ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে ঘরে নেমে আসে এক ধরনের নীরবতা। সবাই হাত তুলে দোয়া পড়ে—নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, অসুস্থ স্বজনের জন্য, আবার কখনো অচেনা মানুষের জন্যও। রোজা রাখা আর না রাখা—এই পার্থক্য তখন তেমন গুরুত্ব পায় না; গুরুত্ব পায় একসঙ্গে থাকা আর একই মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া।
আজকের ব্যস্ত জীবনে পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে খাওয়ার সুযোগ খুব কমই মেলে। কিন্তু রমজানের ইফতার সেই সুযোগটা আবার ফিরিয়ে আনে। কেউ অফিস থেকে তাড়াতাড়ি ফেরে, কেউ টিউশন শেষ করে সময়ের আগেই বাড়ি ঢোকে—কারণ জানে, ইফতারের টেবিলে সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে।
শুধু খাবার নয়, ইফতারের টেবিলে ভাগ হয় দিনের গল্পও। কে কী করল, কার অফিসে কী হলো, কার পরীক্ষার প্রস্তুতি কেমন—এই সব কথা খাবারের স্বাদের সঙ্গে মিশে যায়। অনেক সময় পুরোনো স্মৃতিও ফিরে আসে—শৈশবের রোজা, গ্রামের ইফতার, দাদু-নানুর সময়ের গল্প।
পারিবারিক ইফতারের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য হলো—এটি সম্পর্কের দূরত্ব কমায়। ফোন আর টিভির স্ক্রিনের বাইরে এসে মানুষ মানুষকে দেখে, কথা বলে, হাসে। সন্তান দেখে বাবাকে, মা দেখে সন্তানকে—শুধু দায়িত্বের মানুষ নয়, একে অপরের সঙ্গী হয়ে ওঠে সবাই।
রমজান তাই শুধু সংযমের মাস নয়, পারিবারিক বন্ধনের মাসও। প্রতিদিনের ইফতার এক ধরনের নীরব শিক্ষা দেয়—একসঙ্গে থাকা, ভাগ করে খাওয়া আর একসঙ্গে দোয়া করার মধ্যেই লুকিয়ে আছে পরিবারের আসল শক্তি।
ইফতারের সেই মুহূর্তে টেবিলের চারপাশে বসা মানুষগুলো জানে—আজ হয়তো সবার রোজা এক রকম নয়, কিন্তু অনুভূতিটা একটাই: একসঙ্গে থাকা। একসঙ্গে খাওয়া। একসঙ্গে দোয়া করা।
- চীনে ৩৫ বছর পর দেখা হলো মা-মেয়ের
- হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৫১
- হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা থেকে বাঁচতে সেটিংস বদলান
- উত্তরে নদনদীর পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা
- ২৩ বছরের ভাড়াটিয়াকে বাড়ি উপহার দিলেন মালিক
- এআই ঝুঁকি: `মেশিন আমার কাজ করলে, সংসার চালব কীভাবে?`
- হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- নারীরা রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হলে যা করবেন
- আজ রাতে ফাইনালের মহারণে আর্জেন্টিনা-স্পেন
- এইচএসসি পাসেই ব্র্যাকে চাকরি মিলছে
- গুচ্ছে চূড়ান্ত ভর্তির সময় বাড়ল ২১ জুলাই পর্যন্ত
- আর্জেন্টিনা-স্পেনের হাফটাইমে শাকিরা-বিবারদের কনসার্ট
- গৃহিণী থেকে সফল কৃষি উদ্যোক্তা খাদিজা
- পুশইনের শিকার সেই রেশমা এখন কারাগারে
- আগামী ৩ দিন ভারী বৃষ্টির আভাস, ৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা
- এইচএসসি পাসেই ব্র্যাকে চাকরি মিলছে
- উত্তরে নদনদীর পানি বাড়ছে, বন্যার শঙ্কা
- হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৫১
- এআই ঝুঁকি: `মেশিন আমার কাজ করলে, সংসার চালব কীভাবে?`
- নারীরা রাস্তায় যৌন হয়রানির শিকার হলে যা করবেন
- ২৩ বছরের ভাড়াটিয়াকে বাড়ি উপহার দিলেন মালিক
- আজ রাতে ফাইনালের মহারণে আর্জেন্টিনা-স্পেন
- গৃহিণী থেকে সফল কৃষি উদ্যোক্তা খাদিজা
- আর্জেন্টিনা-স্পেনের হাফটাইমে শাকিরা-বিবারদের কনসার্ট
- মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এখন এমবাপের
- পুশইনের শিকার সেই রেশমা এখন কারাগারে
- হুমায়ূন আহমেদের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
- হোয়াটসঅ্যাপে প্রতারণা থেকে বাঁচতে সেটিংস বদলান
- গোলের বন্যার ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপে তৃতীয় ইংল্যান্ড
- আগামী ৩ দিন ভারী বৃষ্টির আভাস, ৬ জেলায় বন্যার শঙ্কা






