ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১২:১২:৩৬ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো সাগরিকার শেষ সময়ের গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ এক মামলায় জামিন পেলেন দীপু মনি, ছয়টিতে রুল

ইভ্যালির রাসেলের কারাদণ্ড, শামীমা খালাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৮:৫৬ এএম, ১০ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে করা এক মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেলকে আদালত এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও এক মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

গত বুধবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। তবে মামলার অন্য আসামি ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

একসময় দেশের ই-কমার্স খাতে আলোচিত ও সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ইভ্যালি বর্তমানে একের পর এক মামলা ও আইনি জটিলতায় জর্জরিত। আদালত ও মামলার নথি অনুযায়ী, মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক।

গত দেড় বছরে পৃথক সাতটি মামলায় মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ২ জুন চট্টগ্রামে একটি চেক জালিয়াতি মামলায় এ দম্পতিকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়ের পর থেকেই আত্মগোপনে তারা।

আদালতের তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত পৃথক ছয়টি মামলায় এই দম্পতির বিরুদ্ধে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড এবং দুই লাখ সাত হাজার টাকা জরিমানার আদেশ রয়েছে। গত বছরের ১২ নভেম্বর একটি মামলায় তাদের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে ১৮ সেপ্টেম্বর ও ১৩ এপ্রিল ঢাকার আদালত পৃথক দুটি মামলায় তিন বছর করে সাজা দেন।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে র‍্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে শামীমা নাসরিন ২০২২ সালে এবং মোহাম্মদ রাসেল ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে জামিনে মুক্তি পান।

জামিনে মুক্তির পর তারা ‘ইভ্যালি ২.০’ নামে নতুনভাবে ব্যবসা শুরুর ঘোষণা দিয়ে গ্রাহকদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের আশ্বাস দেন। তবে ধারাবাহিকভাবে মামলার রায় ও সাজা ঘোষণার পর আবারও তারা আত্মগোপনে চলে যান।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন আদালতে ইভ্যালির বিরুদ্ধে শত শত প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা বিচারাধীন। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত ছাড় ও লোভনীয় অফারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হাজার হাজার গ্রাহকের কয়েকশ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

সর্বশেষ এ রায়ের ফলে মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে সাজার বোঝা আরও বাড়ল। অন্যদিকে, একটি মামলা থেকে খালাস পেলেও শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে চলমান অন্যান্য মামলার নিষ্পত্তি এখনো বাকি রয়েছে।