ঢাকা, বৃহস্পতিবার ০৪, জুন ২০২৬ ১২:২২:২৭ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
রামিসা হত্যা মামলা: রায়ের দিন নির্ধারণ হতে পারে আজ সেই বৃদ্ধার ছেলে যুগ্মসচিব আনিসুরকে প্রত্যাহার মিরপুরের বৃদ্ধার মৃত্যু: তদন্ত কমিটি চেয়ে রিট তৃণমূলের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা হামে প্রাণ গেল আরো ৭ শিশুর, মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়ালো

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো ভুল ছিল: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১১:০২ এএম, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ শনিবার

ছবি: সংগ্রহিত।

ছবি: সংগ্রহিত।

যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, এই যুদ্ধ বিশ্বকে আরও নিরাপদ করেছে—এমন দাবির সঙ্গে তিনি একমত নন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি-তে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। রিভস বলেন, চলমান সংঘাত বৈশ্বিক অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে।

তিনি সরাসরি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেন, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকা সত্ত্বেও তা বন্ধ করে যুদ্ধের পথে যাওয়া পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে। তার ভাষায়, “আমরা কি কয়েক সপ্তাহ আগের চেয়ে এখন বেশি নিরাপদ? আমার উত্তর—না।”

রিভস আরও বলেন, বিষয়টি ইরানি সরকারকে পছন্দ করা বা না করার প্রশ্ন নয়; বরং কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কীভাবে আনা সম্ভব, সেটিই মূল বিষয়। তার মতে, কূটনৈতিক পথ তখনও খোলা ছিল এবং আনুষ্ঠানিক আলোচনাও চলছিল, যা বন্ধ করে দেওয়া একটি বড় ভুল সিদ্ধান্ত।

তিনি উল্লেখ করেন, যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালী স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে এবং তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি দ্রুত এই পথ পুনরায় চালুর আহ্বান জানান।

ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর মতে, সামরিক সংঘাত নয়, বরং কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমেই ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা না বাড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করাই এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

এদিকে, ইরান ইস্যুতে সরাসরি যুদ্ধে অংশ না নেওয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেইর স্টারমার-এর ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। এমনকি তিনি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের হুমকিও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে স্টারমার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এমন চাপকে তিনি ভয় পান না।

সবশেষে রিভস বলেন, “বন্ধুরা সব বিষয়ে একমত নাও হতে পারে। তবে সত্য কথা বলা এবং ভিন্নমত প্রকাশ করাও বন্ধুত্বের অংশ।”