ঢাকা, শনিবার ৩১, অক্টোবর ২০২৬ ৩:৫৯:৪৩ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
হামে প্রাণ গেল ২ শিশুর, মোট মৃত্যু সাড়ে ১২০০ ছাড়ালো ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১২৬২ ময়মনসিংহে শুরু হচ্ছে দুই দিনব্যাপী লোকজ সাংস্কৃতিক মেলা প্রধানমন্ত্রীর বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১১৫ ডলার ছাড়াল বাজারে শীতের সবজির আগমন, স্বস্তি নেই সব পণ্যে জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

উহানের ল্যাবে বাদুরের তিন ধরনের করোনাভাইরাস রয়েছে: চীনা গণমাধ্যম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০৭:৫৪ পিএম, ২৪ মে ২০২০ রবিবার

উহানের ল্যাবে বাদুরের তিন ধরনের করোনাভাইরাস রয়েছে : চীনা গণমাধ্যম

উহানের ল্যাবে বাদুরের তিন ধরনের করোনাভাইরাস রয়েছে : চীনা গণমাধ্যম

কোভিড-১৯-এর উৎপত্তিস্থল চীনের উহান নগরীর চায়নিজ ভাইরোলজি ইনস্টিটিউটে বাদুরের তিন প্রজাতির জীবিত করোনা ভাইরাস রয়েছে। তবে, এর কোনটির সঙ্গেই বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নতুন কোভিড-১৯ ভাইরাসের কোন মিল নেই। ইনস্টিটিউটের পরিচালক একথা জানান। খবর এএফপি’র।
তবে, বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, বিশ্বের ৩ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ ভাইরাসটি বাদুর থেকেই উৎপত্তি হয়েছে এবং তা অন্য কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীর মাধ্যমে মানুষের মাঝে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে।
উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলোজির পরিচালক ওয়াং ইয়ানই রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার কেন্দ্র সিজিটিএন-কে বলেন, এখান থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং অন্যরা যে দাবি করেছেন তা ‘পুরোপুরি বানোয়াট’।
১৩ মে ধারনকৃত সাক্ষাৎকারটি শনিবার রাতে সম্প্রচারিত হয়, যাতে ওয়াং ইয়ানই বলেন, কেন্দ্রটি ‘বাদুর থেকে বিচ্ছিন্ন করে কিছু করোনা ভাইরাস পেয়েছে।’
কোভিড-১৯ এর জন্য দায়ী করোনা ভাইরাসের প্রজাতিটি’র প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের কাছে এ ধরণের তিন প্রজাতির জীবিত ভাইরাস রয়েছে। তবে, এদের সঙ্গে সার্স-কোভ-২-এর শতকরা ৭৯ দশমিক ৮ ভাগ মিল রয়েছে।
প্রফেসর শি ঝেংলি’র নেতৃত্বে সংস্থার অন্যতম গবেষণা দলটি ২০০৪ সাল থেকে বাদুরের করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করে আসছে, যার দৃষ্টি নিবদ্ধ ছিল সার্স ভাইরাসের উৎস খুঁজে বের করার দিকে। প্রায় দুই দশক আগে এই প্রজাতির ভাইরাসটি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল।
তিনি বলেন, আমরা জানি যে, পুরোপুরি জিনগতভাবে সার্স এবং কোভ-২-এর মধ্যে কেবল শতকরা ৮০ ভাগ মিল রয়েছে। এটি অবশ্যই একটি পার্থক্য।