ঢাকা, রবিবার ১৮, অক্টোবর ২০২৬ ১৯:৫০:৫৩ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ২ হাজার ৮৮ মূল্যস্ফীতির চাপে ঋণের ফাঁদে দেশের ৪৭ শতাংশ পরিবার বাংলাদেশের নারী টি-টোয়েন্টি দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা ভারতে মন্দিরের কাছে ট্রাকচাপায় ১২ ভক্ত নিহত তৃণমূলে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিংয়ের উদ্যোগ ছদ্মনামে লিখে সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ইসাবেল আলেন্দে কলকাতায় পূজামণ্ডপ ভেঙে ১৩ নারীসহ ১৯ জনের প্রাণহানী ঢাকায় বৃষ্টি ঝরবে কিনা, জানাল আবহাওয়া অধিদফতর

কুড়িগ্রামে বাড়ছে শীতের তীব্রতা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১০:২০ এএম, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

দিন যতই গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতা। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় থাকলেও সন্ধ্যা নামতেই তীব্র শীত ও হিমেল বাতাস শুরু হয়। এর সঙ্গে ঘন কুয়াশা পড়ায় সড়ক ও নৌপথে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।

সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোর থেকে কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে চলাচলে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটে। শীতের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই কাজে যেতে পারছেন না।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে। তবে পর্যাপ্ত সহায়তা এখনো অনেক জায়গায় পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার সিএমবি ঘাট এলাকার ৮০ বছর বয়সী মমেনা বেগম বলেন, সকালে ঘন কুয়াশায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে। আগের চেয়ে ঠান্ডা অনেক বেশি। আমাদের কেউ এখনো একটা কম্বল দেয় নাই। যারা আগে কম্বল পায়, তারাই বারবার পায়।

একই এলাকার ৭৫ বছর বয়সী সাহেদা বেগম বলেন, অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে খুব কষ্টে আছি। ওষুধ কিনব নাকি কম্বল কিনব কিছুই বুঝি না। বয়স্ক ভাতার টাকায় সংসার চলে না। ছেলে নিজের সংসার নিয়ে ব্যস্ত। মানুষের সাহায্যে কোনোমতে দিন চলে।

এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল মতিন বলেন, জেলায় শীত নিবারণের জন্য ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে ৯ উপজেলায় বরাদ্দ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। কম্বল বিতরণের কাজ পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র বলেন, সোমবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েক দিন শীত ও কুয়াশার প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।