ঢাকা, শুক্রবার ৩০, জানুয়ারি ২০২৬ ৪:১৫:০০ এএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
পোস্টাল ভোট: ১৪৮ দেশে নিবন্ধন, সৌদি আরব শীর্ষে এক বছরে ১৭ লাখ শিশুর জন্ম অপ্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচারে হামলা-অপমানে ভাঙছে মাঠপুলিশের মনোবল কোনো দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে নন তারেক রহমান ভবিষ্যৎ গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই: প্রধান উপদেষ্টা ‘ডেইরি ফার্ম জাতীয় অর্থনীতির একটি সম্ভাবনাময় খাত’

খেজুরের রস আহরণের প্রস্তুতি চলছে যশোরে 

নিজস্ব প্রতিবেদক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ১২:৪৩ পিএম, ৭ নভেম্বর ২০২১ রবিবার

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

শীতের আমেজ আসতে না আসতেই খেজুর গুড়ের রাজধানী খ্যাত যশোরের বিভিন্ন এলাকায় পুরোদমে চলছে রস আহরণের প্রস্তুতি।ইতোমধ্যেই খেজুর গাছ কাটা শুরু করেছেন গাছিরা।যশোরের রস-গুড়ের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।সুপরিকল্পিত উদ্যোগ নেয়ার মাধ্যমে খেজুরের রস ও গুড়কে লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে জানান গুড় উৎপাদনকারী একাধিক চাষি।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বাসসকে জানান, বিশুদ্ধ খেজুর রস-গুড় উৎপাদনের লক্ষ্যে জেলার ৩০জন গাছিকে ঈশ্বরদী থেকে বিশেষজ্ঞ এসে তিনদিনের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে।গতকাল শনিবার থেকে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।চলবে আগামীকাল সোমবার পর্যন্ত। প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া গাছিদের আধুনিক পদ্ধতিতে রস সংগ্রহ থেকে শুরু করে বিশুদ্ধ গুড় উৎপাদন পর্যন্ত যে যে উপকরণ লাগবে তা বিনামূল্যে দেয়া হবে।সারা দেশের মধ্যে যশোরে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও গাছিদের মধ্যে উপকরণ সরবরাহের উদ্যোগ এ প্রথম বলে তিনি জানান।এ জেলার খেজুর গুড়ের চাহিদা দেশে ও বিদেশে বেশি থাকায় এখানে বিশুদ্ধ গুড়ের বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস ।   
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ জেলায় মোট খেজুর গাছের সংখ্যা ১৬লাখ ৪১হাজার ১৫৫টি।এর মধ্যে রস উৎপাদিত হয় এমন খেজুর গাছের সংখ্যা ৩লাখ ৪৯হাজার ৯৫৫টি।এসব খেজুর গাছ থেকে বছরে  ৫কোটি  ২৪লাখ ৯৩হাজার ২৫০ লিটার রস উৎপাদিত হয়।বছরে গুড় উৎপাদিত হয় ৫২লাখ ৪৯হাজার ৩২৫ কেজি। যার মূল্য একশ কোটি টাকার উপরে।বর্তমানে জেলার ৮ উপজেলায় গাছির সংখ্যা ১৩হাজার ১শ’৭৩জন।
জেলার খাজুরার জয়নাল হোসেন ও গাছি লিয়াকত আলী বলেন, এখানকার খেজুর গুড়ের চাহিদা দেশ-বিদেশে সর্বত্র রয়েছে। দুই দশক আগেও খাজুরা অঞ্চলে প্রচুর খেজুরের গাছ ছিলো।বর্তমানে আগের তুলনায় গাছ অনেকটা কমে গেছে।সরকারি উদ্যোগে নতুন করে খেজুরের চারা গাছ লাগানোর উদ্যোগ নেয়ায় গাছিদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। এক ভাড় খেজুর রস একশ’ থেকে দেড়শ টাকায় এবং এককেজি বিশুদ্ধ গুড় ২৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে বলে তারা জানান।