ঢাকা, বুধবার ২৮, অক্টোবর ২০২৬ ২০:১৩:১৫ পিএম

First woman affairs online newspaper of Bangladesh : Since 2012

Equality for all
Amin Jewellers Ltd. Gold & Diamond
শিরোনাম
কাজাখস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের স্বর্ণ জয় নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার শনিবার এইচএসসির ফল প্রকাশ: অনলাইনে জানবেন যেভাবে ঢামেক চত্বরে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, রোগী-স্বজনদের ভোগান্তি ৬৩০ কোটি ডলার জাপানি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা: প্রধানমন্ত্রী ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’

চলতি বছরে প্রায় ৯ হাজার শিশুকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | উইমেননিউজ২৪

প্রকাশিত : ০১:০১ পিএম, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ রবিবার

ছবি: ইন্টারনেট

ছবি: ইন্টারনেট

চলতি বছরের ২০ মার্চ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে নিঃসঙ্গ ৮ হাজার ৮০০ অভিবাসী শিশুকে বিতাড়িত করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে গত শুক্রবার দায়ের করা আদালতের নথি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

ট্রাম্প প্রশাসন জুনের পরে সংখ্যাটা প্রকাশ করা বন্ধ করে। তখন তারা জানিয়েছিল যে, প্রায় ২ হাজার শিশুকে বিতাড়িত করা হয়েছে। কিন্তু অভিবাসন আইনজীবীদের বক্তব্য, এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। যদিও শুক্রবার পর্যন্ত বিতাড়নের পরিধি পরিষ্কার ছিল না।

শিশুদের পাচারের হাত থেকে রক্ষা এবং তাদের যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আদালতে আশ্রয় নেয়ার সুযোগ দেওয়ার কয়েক দশকের পুরানো রীতি বাতিল করে এ বছর ২১ মার্চ ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সীমান্ত বিধিমালা কার্যকর করা হয়েছে।

তাদের দাবি, অভিবাসীদের হোল্ডিং সুবিধা এবং যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব রোধ করার জন্যই নতুন বিধি তৈরি করা হয়েছে। তারপর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা মানসম্পন্ন অভিবাসন প্রক্রিয়া ছাড়াই অভিভাবকবিহীন শিশুসহ অন্যদের দ্রুত সরিয়ে ফেলার কাজ করছে।

আসন্ন ৩ নভেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার আগে প্রেসিডেন্ট হিসেবে বৈধ ও অবৈধ অভিবাসন সম্পর্কে কঠোর অবস্থান সামনে আনতে চাইছেন তিনি।

অভিবাসন আইনজীবীদের দাবি, নতুন বিধিগুলো অভিবাসী বিশেষত শিশুদের মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। ফেডারেল সরকার লাইসেন্সবিহীন ঠিকাদারদের অধীনে তাদের কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহ ধরে হোটেলে রেখে দেয়। এসব শিশুর ব্যক্তিগত তথ্যগুলো সাধারণ কম্পিউটার সিস্টেমে রেকর্ড করা হয় না, যার ফলে তাদের ট্র্যাক করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

-জেডসি