চলুন দেখে আসি জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর
শাহিন মিয়া | উইমেননিউজ২৪.কমআপডেট: ০৭:৪৪ পিএম, ২৮ জুন ২০১৮ বৃহস্পতিবার
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ও তার পরিবারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র সংরক্ষণ করতেই এক সময় এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিলো। কিন্তু প্রকৃত অর্থে এখানে প্রদর্শিত আলোকচিত্র এবং ডকুমেন্টসমূহ শুধু সন্তানের জন্য এক মায়ের বুকচেরা আর্তনাদেরই প্রতিচ্ছবি নয়। বরং প্রতিফলিত করছে একাত্তরের পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে মেঘাচ্ছন্ন আকাশে সূর্যালোকের মতো এই মহৎ নারীর অবস্থান। যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস অনুধাবনে সহায়তা করবে।
রাজধানী ঢাকার পুরনো এলিফ্যান্ট রোডের শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মরণীতে অবস্থিত এই জাদুঘর। জাহানারা ইমাম এই বাড়িতেই স্বপরিবারে বসবাস করতেন।
মুক্তিযুদ্ধে তিনি হারিয়েছিলেন তার মুক্তিযোদ্ধা সন্তান রুমীকে। বিজয়ের মাত্র তিন দিন আগে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও পুত্রশোকে স্বামী শরীফ ইমামকেও হারান তিনি। এ মহীয়সী নারীর অবদান ও ভূমিকাকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘর। অকুতোভয় এই নারী শত বাধা পেরিয়েও গণ-আদালতকে জনমানুষের মনের গভীরে প্রথিত করে দিয়েছিলেন।
তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং শহীদ রুমি ও শহীদ জননী জাহানারা ইমাম সম্পর্কে জানার জন্য জাদুঘরে শহীদ জননী এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, আসবাবপত্র, আলোকচিত্র, ১৯৭১ এবং তৎপরবর্তী বিভিন্ন ডকুমেন্ট, দিয়ে সাজানো হয়েছে।
ঢুকেই বাঁ দিকে চোখে পড়বে এক আলমারি, যাতে ডিনার সেট, চায়ের সরঞ্জাম সাজানো। যেন এসব দিয়ে শহীদজননী অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন। এরপর তিন প্রজন্মের তিনজনের ছবি। অর্থাৎ দাদা, বাবা ও নাতি। তাঁদের জন্ম ও মৃত্যু সালের দিকে চোখ রাখলে দেখা যাবে, দাদার মৃত্যু হয়েছে সবার পরে, স্বাধীন দেশে। বাবার মৃত্যু হয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়টিতে। আর শাফি ইমাম রুমীর শুধু জন্মের বছরটাই লেখা রয়েছে। কারণ, একাত্তরে রুমীকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর কবে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে, সেটা জানা যায়নি কখনো।
শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি জাদুঘরের প্রবেশমূল্য, খোলা ও সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
প্রতি শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য এই জাদুঘর খোলা থাকে। প্রবেশ মূল্য নেই। শীতকালে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে।
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৬তম
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- চাঁপাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-মেয়েসহ ৩ নারীর প্রাণহানী
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়ে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে স্পেন
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- মেসিকে ছাড়াই দেশে ফিরল আর্জেন্টিনা দল
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- রাজশাহীর সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ
- গৌরনদীতে আবাসিক মাদ্রাসা ভবনে ঝুলছিল ছাত্রীর লাশ
- চাঁদপুরে ইলিশের সঙ্কট, কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ দল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- দেশে দেশে শিশু-কিশোরদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে কড়াকড়ি

