ছড়া ঝলমল
আপডেট: ১০:৩১ এএম, ২৫ অক্টোবর ২০১৩ শুক্রবার
সিরাজুল ফরিদ
ছাগল ছানা
একটা ছাগল
যে পালে সে
বদ্ধ পাগল
ঐ ছাগলের
তিনটি ছানা
মিথ্যে না-গো
সবার জানা
দুইটি ছানা
খুবই তাজা
শক্ত এদের
কোমর মাজা
হাপুস হুপুস
খাচ্ছে দুধু
আরেকটি যে
তাকায় শুধু।
সবল যারা তারাই খায়
দুর্বলেরা বুক থাপড়ায়।
শাহাবুদ্দীন নাগরী
কালিমা
ইতিহাস ছিলো কালিমালিপ্ত
বছরের চাকা ঘুরেছে,
যুদ্ধদিনের শত্র“র ঘরে
আমার পতাকা উড়েছে।
রাজনীতি ছিলো রাজার হস্তে,
আমরা ছিলাম বেহুদা ত্রস্তে,
আসলে অস্ত্র জনতার হাতে
বশীকরণের মন্ত্র,
নাই নাই ভয় হবে হবে জয়
সব দেবে গণতন্ত্র।
আলোর প্রদীপ জ্বালি মা,
মুছবো সকল কালিমা।
লুৎফর রহমান রিটন
চে-র জন্মদিনে বিপবীবন্দনা
বিপবীদের বুকের ভেতর নতুন দিনের আশা থাকে
অকুতোভয় বিপবীদের বিপুল ভালোবাসা থাকে
কণ্ঠে ওদের বঞ্চিতদের অধিকারের দাবি থাকে
ওদের হাতেই সাম্যবাদের স্বপ্নপুরীর চাবি থাকে
বিপবীরা লড়াই করে জীবন দিতে তৈরি থাকে
রক্তশোষক-স্বৈরশাসক ওদের প্রতি বৈরি থাকে
তাই মানুষের মুক্তি চেয়ে বিপবীরা দেশে দেশে
ইতিহাসে লেখা আছে--জীবন দিলো হেসে হেসে।
দুঃশাসনের শেকল ভাঙার সাহস যোগায় কে তোমাকে?
বিপবেরই মন্ত্রশোলক শিখিয়ে দেবে চে তোমাকে...
খালেদ হোসাইন
যেমন খুশি কেমন খুশি?
‘যেমন খুশি তেমন সাজো’
মজার ব্যাপার ভারি
ইসকুলে কী সাজবে তুমি
ভাবছে সারাবাড়ি।
হচ্ছে কত হৈ-হলা
কিনছে কত কিছু
সারা বাড়ির মানুষ এখন
ঘুরছে তোমার পিছু।
সাজো যদি দইঅলা তো
বইতে হবে ভার
খুশির কাজে বোঝা বওয়ার
এমন কি দরকার!
জেলে যদি সাজো এবং
ধরো যদি মাছ
সর্দি ও জ্বর হতেই পারে
করছে সবাই আঁচ।
কিষাণ যদি সাজো, তবে
লাঙল নিয়ে কাঁধে
দুটি গরু নিয়ে যেতে
পারবে নির্বিবাদে?
ভাঙে যদি হাত-পা তোমার
গরুর গুঁতো খেয়ে
কেমন করে ফিরবে বাড়ি
খুশিতে গান গেয়ে?
কুমার যদি সাজো তবে
ঘাটতে হবে মাটি
তাতে কি আর জামা-কাপড়
থাকবে পরিপাটি?
তখন ব্যাপার হবে না-কি
নিতান্ত রোমহর্ষক?
এই কারণে ঠিক করেছ
সাজবে তুমি দর্শক।
কিন্তু যারা সত্যি কিষাণ
কামার কুমার জেলে
তাদের ঘরে আছে কিন্তু
তোমার মতো ছেলে।
তোমার মতো ছেলে আছে
তোমার মতো মেয়ে
কিন্তু তাদের জীবন আছে
দুঃখ-কষ্টে ছেয়ে।
তোমার মতো নানা রকম
রঙ-বেরঙের জামা
কিনে দিতে পারে না তার
বাবা অথবা মাÑ
টেডি বিয়ার বার্বি পুতুল
চোখে দেখেনি সে
কম্পুটারের নাম শোনেনি
জানেও না কী সে।
সুপারম্যান কি জ্যাকি চেনের
খবর রাখে না সে।
তার দু-চোখে নীলরঙা ফুল
সবুজ দুর্বাঘাসে।
সারাটা দিন বাবার সাথে
করে পরিশ্রম
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে
খাবারও পায় কম।
খায় না কিন্তু পিজা পনির
বার্গার কাটলেট
পান্তা ভাতে নুন মিশিয়ে
তাতেই ভরায় পেট।
দর্শক সেজেছো তুমি
দেখো তবে তাকে
যেন তোমার ভালোবাসার
ছায়ায় সেও থাকে।
আমীরুল ইসলাম
ঢাকা
ঢাকার যদি হাত পা থাকে
হাঁটবে তবে ঢাকা,
হাঁটতে হাঁটতে কোথায় যাবে
কোথাও তো নেই ফাঁকা
একটু-জলাজঙ্গল চাই
একটুখানি পুকুর
ফ্ল্যাটবাড়িতে চোখের কোণে
জল শুকালো খুকুর।
হায়রে আমার ঢাকা? শহর
হায়রে আমার ঢাকা
ভিড়ের চাপে তোমার বুকে
কেমনে বেঁচে থাকা।
নাসের মাহমুদ
কই গেছে কৈ মাছ
এরোনগোটা ভেরান গোটা
বৃষ্টি পড়ে ফোঁটা ফোঁটা।
বৃষ্টির জলে রে
কৈ মাছ চলে রে।
চল ধরিগে কৈ মাছ
ভেজে খাবো ঐ মাছ।
কই মাছ? পাই না,
কতকাল খাই না।
একটা যদি পাবোÑ
অমনি ভেজে খাবো।
ভাজা মানে ফ্রাই ফিস
ঝোল ছাড়া ড্রাই ফিস।
জ্যোতির্ময় মলিক
ইষ্টিকুটুম
ওপারেতে রোদ ঝুর ঝুর
এপার পড়ে বৃষ্টি,
মিষ্টি নিয়ে এলেন ঘরে
নতুন কুটুম ইষ্টি।
কুটুম এলো কুটুম এলো
সঙ্গে সাঁচি পান,
ধানসুপারী পানসুপারী
গাইলো কতই গান।
সাঙ্গ হলো গানের পালা
ভোর হয়েছে যেই,
পুবের আকাশ ফর্সা হতে
কুটুমতো আর নেই।
জাহাঙ্গীর আলম জাহান
বাঘের মাসি
বাঘের মাসি বিড়াল নাকি
বাঘ বিড়ালের মাসি
এসব নিয়ে তর্ক এবং
চলছে হাসাহাসি।
কে যে কখন করল চালু
এমন আজব কথা
খুঁজে আজও যায়নি পাওয়া
কথার যথার্থতা।
মাসি হলে বাঘের ভয়ে
বিড়াল কেন ভীত
সত্যি হলে পরস্পরের
খবর ঠিকই নিতো।
কিন্তু ভুলেও কারো খবর
কেউ রাখে না দেখি
বাঘের মাসি এই কথাটি
তাই মনে হয় মেকি।
বিলু কবীর
শরতের আকাশ মাটি
নীল দরিয়ার আকাশটাকে
কে রেখেছে উপুড় করে,
তার বুকে যে শরৎ মাঝি
ঠা-ঠা রোদে দুপুর করে
সাদা মেঘের নাও ভাসিয়ে
যাচ্ছে ধেয়ে গ্রহের ঘাটে
কালবেলা যে নাইওর যাবে
নিহারিকা শ্বশুর বাটে।
নীল আকাশে যাচ্ছে ছুটে
সাদা মেঘের না-এর বহর
সপ্তর্ষি শুকতারা চাঁদ
ইউরেনাস ও পুটোর শহর।
কালপুরুষে কাঁদলে পরে
সারারাতে শিশির ঝরে,
শরৎ গেলেই শিশির উধাও
সকাল যেমন নিশির পরে
আসবে এবং দুপুর হতেই
হারিয়ে যাবে সাঁঝের আড়ে,
কে বোঝে তার উধাও থাকা
নিকষ রাতের সেই আঁধারে!
শরৎ এসে নিসর্গকে
সাজায়গোজায় আপন মনে
হেমন্তে যে এই প্রকৃতি
শীতের ওমে বিয়ের কনে।
শাহজাহান মোহাম্মদ
শরতের শুভ্রতা
শরতের শুভ্রতা সবুজের গায়
মন আজ যায় ছুটে দূর অজানায়
সাদা মেঘের ওড়নায় রাঙা নীল আকাশ
ক্ষেত ভরা ফসলেরা কানায় কানায়।
নিধুয়া পাথার যেন সাদা বালু চরে
মিতালীতে শালিকেরা কাশফুল বনে
বলাকারা ডানা মেলে ফিরে যায় নীড়ে
অনাবিল স্নিগ্ধতা শিউলির মনে।
শফিক ইমতিয়াজ
নিঝুম রাতে
নিঝুম রাতে সবাই ঘুমে আমিই শুধু জেগে
টেরটি পেলে মা বাবা আর ভাইয়া যাবে রেগে
দাঁড়াই চুপি জানলা খুলে
ফুলের বাগান উঠলো দুলে
আকাশ দেখি সাঁতার কাটে জোসনা মাখা মেঘে!
ফারুক হাসান
আমার বাড়ি
ওই যেখানে ছড়িয়ে আছে
বটপাকুড়ের ছায়া
রাখাল ছেলে বাজিয়ে বাঁশি
ছড়ায় মধুর মায়া।
বুনোঝোপের মাতাল হাওয়ায়
ভরে ওঠে প্রাণ,
হরেক ফুলে এমন রাঙে
গন্ধে অফুরান।
সেই সেখানে আমার বাড়ি
আমার কুঁড়েঘর-
বন্দি থেকে এই শহরে
পোড়ে যে অন্তর।
আবেদীন জনী
শরৎ এলে
শরৎ এলো পালিয়ে গেল কালো মেঘের দল
সাদা মেঘে আকাশ ছাওয়া রূপটা কী নির্মল।
নদীর তীরে নরম হাওয়ায় দুলছে কাশের ফুল
দেখতে সাদা ঠিক যেন তা দাদার দাড়ি-চুল।
শিশির ভেজা শিউলি হাসে সাদা পাপড়ি মেলে
শরৎ তুমি নিটোল সাদা রূপটা কোথায় পেলে?
এমন সাদা সব মানুষের মনটা হতো যদি
বিশ্ববাসী সুখের দোলায় দুলতো নিরবধি।
ফয়সাল শাহ
ইড়িং বিড়িং
ইড়িং বিড়িং তিড়িং ছাও
পিপঁড়া চড়ে ডিঙ্গি নাও
বানর ভাইয়ের লম্বা লেজ
টিয়া পাখির সবুজ দেশ,
বনবিড়ালে মুরগি খায়
শিয়ালমামা আখ চাবায়,
হরিণছানা গহীন বনে
লাফিয়ে চলে আপন মনে।
কাদের বাবু
ঘাসফড়িংয়ের ছড়া
ঘাসফড়িং ও ঘাসফড়িং
বলতো কই যাস ফড়িং
রোজ রোজ কী খাস ফড়িং
বল তো তোর ডানার মাঝে
এত্ত রঙে ভরিয়ে দিল কে?
তোর ওই চোখ-ধাঁধানো
রঙে আমার নেশা লেগেছে।
মঈন মুরসালিন
ভূত
ভূতের আছে অনেক ধরণ
লম্বা আবার বেঁটে
এসব তথ্য যায় পাওয়া যায়
পুস্তকাদি ঘেঁটে।
শ্যাওড়াগাছে ভূতের নাচ
কিংবা খোলা মাঠে
অনেক রকম ভূতকাহিনি
যায় পাওয়া যায় পাঠে।
ভূত নিয়েই কাব্য কথা
হয় কখনো গল্প
ভূতের সাথে কারোও আবার
কথাও হয় অল্প।
ভূত বিষয়ে যতোই বলো
বাস্তবতা এই
ভূত বলে এই পৃথিবীতে
সত্যি কিছু নেই।
দেওয়ান আজিজ
সেই তুশিটা হারিয়ে গেছে
আমার ছিল একটি বিড়াল
নাম ছিল তার তুশি
অনেক কিছু চাইতো না সে
অল্প হলেই খুশি।
আমার সাথে চলতো হেঁটে
বসতো গা’টা ঘেঁষে
আমার দিকে তাকাতো সে
মুচকি হেসে হেসে।
তার ছিল না মনে কোনো
অহংকারের কালি
আমার কাছে সে ছিল এক
ফুল ফোটানো মালি।
লাজুক লাজুক স্বভাব ছিল
থাকতো নিরব চুপ
শিমুল তুলোর মতো ছিল
গা'খানি আর রূপ।
সেই তুশিটা হারিয়ে গেছে
শূন্য করে বুক
তাই তো আমার মনের মাঝে
নেই যে কোনো সুখ।
জিয়া হক
তোমার প্রতিদান
একটা ছড়া লিখতে হবে তাই-
অন্তমিলের নদীতে সাঁতরাই।
পাখির ডানায় আদর খুঁজে
ফুলের বনে ছুটি
চাঁদের বুড়ির ভালোবাসায়
আকাশ ফুঁড়ে উঠি।
দুহাত ভেজাই জোছনা জলে
তারার সাথে ভাব
নীলাকাশের পূর্ণিমাচাঁদ
ঠাণ্ডা সবুজ ডাব।
চাঁদের সাথে আড্ডা দিয়ে
রাত ফুরিয়ে যায়
নীহারিকা হাত বাড়িয়ে-
ডাক দিলো আয় আয়।
যায় কি ভোলা ভালোবাসার দান?
নীহারিকার গায়েই খুঁজি
তোমার প্রতিদান।
ইফতেখার হালিম
দেশের জন্য লড়ি
রক্ত দিয়ে কেনা এদেশ
গরব মনের মত
দুঃখ ব্যথা ভুলে গিয়ে
লড়ব বীরের মত।
আয়রে সকল শিশু-কিশোর
দেশের জন্য লড়ি
জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিদ্যা লাভে
সোনার বাংলা গড়ি।
বৃক্ষ নিধন পাহাড় কাটা
বন্ধ করি ভাই
নদী দূষণ খাদ্যে ভেজাল
আর কেউ না চাই।
সালাম হাসেমী
খোকার পাখি
বন হতে এক পাখির ছানা আনলো খোকা ধরে,
সে পাখিকে করল বড় আদর-যতœ করে।
এই পাখিটি প্রাণের প্রিয় ছোট্ট খোকার কাছে,
তাকে পেয়ে কেবল খোকা ফুলের মত হাসে।
আদর করে উড়িয়ে দেয় ডানা ধরে তার,
দূর আকাশে উড়তে উড়তে উধাও একেবার।
পাখির শোকে কাঁদে খোকা আকাশ পানে চেয়ে,
আসবে ফিরে আবার পাখি গগণের পথ বেয়ে।
এস ইলিয়াস বাবর
শরতের আকাশ
শরৎ বলে- তোমার বুকে
এঁকে দিলাম আল্পনা,
আকাশ বলে-তাই বুঝি হে
ভেসে ওঠে কল্পনা!
শরৎ বলে- হে হে হে
নীল করেছি শাদা,
আকাশ বলে- ভুলেই ছিলাম
আস্লে তুমি দাদা?
শরৎ দেখায় রূপের বাহার
দিলেম তবে দেখি,
আকাশ বলে তাইতো দাদা
একটুও নেই মেকি।
মানিক চক্রবর্তী
সবুজের বিছানা
নীল নীল শরতে
সাদা মেঘ আকাশে,
দল বেঁধে সারি সারি
উড়ে চলে বাতাসে।
কাশফুল ঘাসফুল
ছবি আঁকে ছন্দে,
গাছে গাছে ফুলে ফুলে
ভরে যায় গন্ধে।
মাঠে মাঠে থোকা থোকা
ফসলে দোলা খায়,
পাল তোলা নাও চলে
ভাটিয়ালি শোনা যায়।
মেঠোপথে দুই ধারে
সবুজের বিছানা,
বাংলার কৃষকের
চিরচেনা ঠিকানা।
পৃথ্বিশ চক্রবর্তী
শরৎ এলে মনে পড়ে
শরৎ এলে
ডানা মেলে
মেঘের ভেলা উড়ে
কাশের বনে
আপন মনে
বেড়াই যেন ঘুরে।
শরৎ ভোরে
ডালা ভরে
শিউলি এনে রোজ
দিত যেন
কারা কেন
করতে থাকি খোঁজ।
মন চলে যায়
কিশোরবেলায়
দূর্গা পূজোর দিনে।
মেলায় যেতাম
মজা পেতাম
খেলনা আনতাম কিনে।
অমিত কুমার কুণ্ডু
মানুষ
আলো এসে এসে আলোকিত হোক
সমস্ত চরাচর-
ভালোবেসে বেসে ভালোয় ভরুক
আমাদের বাড়িঘর।
আবার উঠুক ঘুম থেকে জেগে
অলস অবোধ জন
দ্বীপশিখা হয়ে উঠুক জ্বলে
কোটি মানুষের মন।
প্রতি প্রাণ পাক বসন্ত বায়ু
উদিত রবির আলো
মানুষের মাঝে বসবাস করে
মানুষ বাসুক ভালো।
রকিবুল ইসলাম
কোকিলের গান চাই
গ্রীষ্মের বৈশাখে পাকা পাকা আম খাই
গাছে গাছে আরও কিছু রসাল ফল পাই।
বর্ষায় নদী-নালা খাল-বিল থই থই
ধরি মাছ খালে বিলে সরপুটি চ্যাঙ কই।
শরতে নদী পাড়ে ঢেউ তুলে সাদাকাশে
হেমন্তে সাদা সাদা মেঘ ভাসে নীলাকাশে।
শীতকালে হিম শীতে খেজুরের রস খাই
বসন্তে বনে বনে কোকিলের গান চাই।
লিটন ঘোষ জয়
মেঘ শিশুদের খেলা
মেঘ শিশুদের খেলা
সকাল দুপুর বেলা।
আকাশ কেন কালো ?
কোথায় গেল আলো ?
ঘরের চালে চালে
বৃষ্টি পড়ার ধুম
বৃষ্টি শেষে নেমে এলো
খোকার চোখে ঘুম।
অনিক রায় শুভ
ভালো লাগে
ভালো লাগে ভোরে উঠে
খোলা মাঠে ঘুরতে,
ভালো লাগে পাখির মত
নীল আকাশে উড়তে।
ভালো লাগে পড়তে আমার
ভালো লাগে লিখতে,
ভালো লাগে ইশকুলে যেতে
নতুন কিছু শিখতে।
ভালো লাগে শেষ বিকেলে
নদীর সাথে চলতে,
নদীর স্রোতের কলতানে
নিজের কথা বলতে।
ভালো লাগে মা’র মমতা
বাবার আদর শাসন,
ভাই ও বোনের øেহপ্রীতি
হাসি সারাক্ষণ।
সুমন মাহমুদ
ডানপিটে দিন স্বপ্নরঙিন
আকাশ থাকে মুখ করে ভার
জানি না তার কি যে আবদার-
জমে আছে মনের মাঝে;
কিছুই বোঝা যাচ্ছে না যে।
থাকলে এমন গোমড়ামুখো
দস্যি এবং ডাকাবুকো-
রৌদ্র মেখে হাসবে কে রোজ?
ভ্রমর মধুর করবে না খোঁজ।
প্রজাপতি উড়বে নাকো,
‘মেঘলা দিনে ঘরে থাকো’
আদেশ আছে মায়ের এমন
বলতে পারো লাগে কেমন?
মেঘ তুমি তাই যাও চলে যাও
অন্য দেশে নৌকো ভাসাও।
চাই যে আমার ডানপিটে দিন,
ডানপিটে দিন স্বপ্নরঙিন।
ছাগল ছানা
একটা ছাগল
যে পালে সে
বদ্ধ পাগল
ঐ ছাগলের
তিনটি ছানা
মিথ্যে না-গো
সবার জানা
দুইটি ছানা
খুবই তাজা
শক্ত এদের
কোমর মাজা
হাপুস হুপুস
খাচ্ছে দুধু
আরেকটি যে
তাকায় শুধু।
সবল যারা তারাই খায়
দুর্বলেরা বুক থাপড়ায়।
শাহাবুদ্দীন নাগরী
কালিমা
ইতিহাস ছিলো কালিমালিপ্ত
বছরের চাকা ঘুরেছে,
যুদ্ধদিনের শত্র“র ঘরে
আমার পতাকা উড়েছে।
রাজনীতি ছিলো রাজার হস্তে,
আমরা ছিলাম বেহুদা ত্রস্তে,
আসলে অস্ত্র জনতার হাতে
বশীকরণের মন্ত্র,
নাই নাই ভয় হবে হবে জয়
সব দেবে গণতন্ত্র।
আলোর প্রদীপ জ্বালি মা,
মুছবো সকল কালিমা।
লুৎফর রহমান রিটন
চে-র জন্মদিনে বিপবীবন্দনা
বিপবীদের বুকের ভেতর নতুন দিনের আশা থাকে
অকুতোভয় বিপবীদের বিপুল ভালোবাসা থাকে
কণ্ঠে ওদের বঞ্চিতদের অধিকারের দাবি থাকে
ওদের হাতেই সাম্যবাদের স্বপ্নপুরীর চাবি থাকে
বিপবীরা লড়াই করে জীবন দিতে তৈরি থাকে
রক্তশোষক-স্বৈরশাসক ওদের প্রতি বৈরি থাকে
তাই মানুষের মুক্তি চেয়ে বিপবীরা দেশে দেশে
ইতিহাসে লেখা আছে--জীবন দিলো হেসে হেসে।
দুঃশাসনের শেকল ভাঙার সাহস যোগায় কে তোমাকে?
বিপবেরই মন্ত্রশোলক শিখিয়ে দেবে চে তোমাকে...
খালেদ হোসাইন
যেমন খুশি কেমন খুশি?
‘যেমন খুশি তেমন সাজো’
মজার ব্যাপার ভারি
ইসকুলে কী সাজবে তুমি
ভাবছে সারাবাড়ি।
হচ্ছে কত হৈ-হলা
কিনছে কত কিছু
সারা বাড়ির মানুষ এখন
ঘুরছে তোমার পিছু।
সাজো যদি দইঅলা তো
বইতে হবে ভার
খুশির কাজে বোঝা বওয়ার
এমন কি দরকার!
জেলে যদি সাজো এবং
ধরো যদি মাছ
সর্দি ও জ্বর হতেই পারে
করছে সবাই আঁচ।
কিষাণ যদি সাজো, তবে
লাঙল নিয়ে কাঁধে
দুটি গরু নিয়ে যেতে
পারবে নির্বিবাদে?
ভাঙে যদি হাত-পা তোমার
গরুর গুঁতো খেয়ে
কেমন করে ফিরবে বাড়ি
খুশিতে গান গেয়ে?
কুমার যদি সাজো তবে
ঘাটতে হবে মাটি
তাতে কি আর জামা-কাপড়
থাকবে পরিপাটি?
তখন ব্যাপার হবে না-কি
নিতান্ত রোমহর্ষক?
এই কারণে ঠিক করেছ
সাজবে তুমি দর্শক।
কিন্তু যারা সত্যি কিষাণ
কামার কুমার জেলে
তাদের ঘরে আছে কিন্তু
তোমার মতো ছেলে।
তোমার মতো ছেলে আছে
তোমার মতো মেয়ে
কিন্তু তাদের জীবন আছে
দুঃখ-কষ্টে ছেয়ে।
তোমার মতো নানা রকম
রঙ-বেরঙের জামা
কিনে দিতে পারে না তার
বাবা অথবা মাÑ
টেডি বিয়ার বার্বি পুতুল
চোখে দেখেনি সে
কম্পুটারের নাম শোনেনি
জানেও না কী সে।
সুপারম্যান কি জ্যাকি চেনের
খবর রাখে না সে।
তার দু-চোখে নীলরঙা ফুল
সবুজ দুর্বাঘাসে।
সারাটা দিন বাবার সাথে
করে পরিশ্রম
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে
খাবারও পায় কম।
খায় না কিন্তু পিজা পনির
বার্গার কাটলেট
পান্তা ভাতে নুন মিশিয়ে
তাতেই ভরায় পেট।
দর্শক সেজেছো তুমি
দেখো তবে তাকে
যেন তোমার ভালোবাসার
ছায়ায় সেও থাকে।
আমীরুল ইসলাম
ঢাকা
ঢাকার যদি হাত পা থাকে
হাঁটবে তবে ঢাকা,
হাঁটতে হাঁটতে কোথায় যাবে
কোথাও তো নেই ফাঁকা
একটু-জলাজঙ্গল চাই
একটুখানি পুকুর
ফ্ল্যাটবাড়িতে চোখের কোণে
জল শুকালো খুকুর।
হায়রে আমার ঢাকা? শহর
হায়রে আমার ঢাকা
ভিড়ের চাপে তোমার বুকে
কেমনে বেঁচে থাকা।
নাসের মাহমুদ
কই গেছে কৈ মাছ
এরোনগোটা ভেরান গোটা
বৃষ্টি পড়ে ফোঁটা ফোঁটা।
বৃষ্টির জলে রে
কৈ মাছ চলে রে।
চল ধরিগে কৈ মাছ
ভেজে খাবো ঐ মাছ।
কই মাছ? পাই না,
কতকাল খাই না।
একটা যদি পাবোÑ
অমনি ভেজে খাবো।
ভাজা মানে ফ্রাই ফিস
ঝোল ছাড়া ড্রাই ফিস।
জ্যোতির্ময় মলিক
ইষ্টিকুটুম
ওপারেতে রোদ ঝুর ঝুর
এপার পড়ে বৃষ্টি,
মিষ্টি নিয়ে এলেন ঘরে
নতুন কুটুম ইষ্টি।
কুটুম এলো কুটুম এলো
সঙ্গে সাঁচি পান,
ধানসুপারী পানসুপারী
গাইলো কতই গান।
সাঙ্গ হলো গানের পালা
ভোর হয়েছে যেই,
পুবের আকাশ ফর্সা হতে
কুটুমতো আর নেই।
জাহাঙ্গীর আলম জাহান
বাঘের মাসি
বাঘের মাসি বিড়াল নাকি
বাঘ বিড়ালের মাসি
এসব নিয়ে তর্ক এবং
চলছে হাসাহাসি।
কে যে কখন করল চালু
এমন আজব কথা
খুঁজে আজও যায়নি পাওয়া
কথার যথার্থতা।
মাসি হলে বাঘের ভয়ে
বিড়াল কেন ভীত
সত্যি হলে পরস্পরের
খবর ঠিকই নিতো।
কিন্তু ভুলেও কারো খবর
কেউ রাখে না দেখি
বাঘের মাসি এই কথাটি
তাই মনে হয় মেকি।
বিলু কবীর
শরতের আকাশ মাটি
নীল দরিয়ার আকাশটাকে
কে রেখেছে উপুড় করে,
তার বুকে যে শরৎ মাঝি
ঠা-ঠা রোদে দুপুর করে
সাদা মেঘের নাও ভাসিয়ে
যাচ্ছে ধেয়ে গ্রহের ঘাটে
কালবেলা যে নাইওর যাবে
নিহারিকা শ্বশুর বাটে।
নীল আকাশে যাচ্ছে ছুটে
সাদা মেঘের না-এর বহর
সপ্তর্ষি শুকতারা চাঁদ
ইউরেনাস ও পুটোর শহর।
কালপুরুষে কাঁদলে পরে
সারারাতে শিশির ঝরে,
শরৎ গেলেই শিশির উধাও
সকাল যেমন নিশির পরে
আসবে এবং দুপুর হতেই
হারিয়ে যাবে সাঁঝের আড়ে,
কে বোঝে তার উধাও থাকা
নিকষ রাতের সেই আঁধারে!
শরৎ এসে নিসর্গকে
সাজায়গোজায় আপন মনে
হেমন্তে যে এই প্রকৃতি
শীতের ওমে বিয়ের কনে।
শাহজাহান মোহাম্মদ
শরতের শুভ্রতা
শরতের শুভ্রতা সবুজের গায়
মন আজ যায় ছুটে দূর অজানায়
সাদা মেঘের ওড়নায় রাঙা নীল আকাশ
ক্ষেত ভরা ফসলেরা কানায় কানায়।
নিধুয়া পাথার যেন সাদা বালু চরে
মিতালীতে শালিকেরা কাশফুল বনে
বলাকারা ডানা মেলে ফিরে যায় নীড়ে
অনাবিল স্নিগ্ধতা শিউলির মনে।
শফিক ইমতিয়াজ
নিঝুম রাতে
নিঝুম রাতে সবাই ঘুমে আমিই শুধু জেগে
টেরটি পেলে মা বাবা আর ভাইয়া যাবে রেগে
দাঁড়াই চুপি জানলা খুলে
ফুলের বাগান উঠলো দুলে
আকাশ দেখি সাঁতার কাটে জোসনা মাখা মেঘে!
ফারুক হাসান
আমার বাড়ি
ওই যেখানে ছড়িয়ে আছে
বটপাকুড়ের ছায়া
রাখাল ছেলে বাজিয়ে বাঁশি
ছড়ায় মধুর মায়া।
বুনোঝোপের মাতাল হাওয়ায়
ভরে ওঠে প্রাণ,
হরেক ফুলে এমন রাঙে
গন্ধে অফুরান।
সেই সেখানে আমার বাড়ি
আমার কুঁড়েঘর-
বন্দি থেকে এই শহরে
পোড়ে যে অন্তর।
আবেদীন জনী
শরৎ এলে
শরৎ এলো পালিয়ে গেল কালো মেঘের দল
সাদা মেঘে আকাশ ছাওয়া রূপটা কী নির্মল।
নদীর তীরে নরম হাওয়ায় দুলছে কাশের ফুল
দেখতে সাদা ঠিক যেন তা দাদার দাড়ি-চুল।
শিশির ভেজা শিউলি হাসে সাদা পাপড়ি মেলে
শরৎ তুমি নিটোল সাদা রূপটা কোথায় পেলে?
এমন সাদা সব মানুষের মনটা হতো যদি
বিশ্ববাসী সুখের দোলায় দুলতো নিরবধি।
ফয়সাল শাহ
ইড়িং বিড়িং
ইড়িং বিড়িং তিড়িং ছাও
পিপঁড়া চড়ে ডিঙ্গি নাও
বানর ভাইয়ের লম্বা লেজ
টিয়া পাখির সবুজ দেশ,
বনবিড়ালে মুরগি খায়
শিয়ালমামা আখ চাবায়,
হরিণছানা গহীন বনে
লাফিয়ে চলে আপন মনে।
কাদের বাবু
ঘাসফড়িংয়ের ছড়া
ঘাসফড়িং ও ঘাসফড়িং
বলতো কই যাস ফড়িং
রোজ রোজ কী খাস ফড়িং
বল তো তোর ডানার মাঝে
এত্ত রঙে ভরিয়ে দিল কে?
তোর ওই চোখ-ধাঁধানো
রঙে আমার নেশা লেগেছে।
মঈন মুরসালিন
ভূত
ভূতের আছে অনেক ধরণ
লম্বা আবার বেঁটে
এসব তথ্য যায় পাওয়া যায়
পুস্তকাদি ঘেঁটে।
শ্যাওড়াগাছে ভূতের নাচ
কিংবা খোলা মাঠে
অনেক রকম ভূতকাহিনি
যায় পাওয়া যায় পাঠে।
ভূত নিয়েই কাব্য কথা
হয় কখনো গল্প
ভূতের সাথে কারোও আবার
কথাও হয় অল্প।
ভূত বিষয়ে যতোই বলো
বাস্তবতা এই
ভূত বলে এই পৃথিবীতে
সত্যি কিছু নেই।
দেওয়ান আজিজ
সেই তুশিটা হারিয়ে গেছে
আমার ছিল একটি বিড়াল
নাম ছিল তার তুশি
অনেক কিছু চাইতো না সে
অল্প হলেই খুশি।
আমার সাথে চলতো হেঁটে
বসতো গা’টা ঘেঁষে
আমার দিকে তাকাতো সে
মুচকি হেসে হেসে।
তার ছিল না মনে কোনো
অহংকারের কালি
আমার কাছে সে ছিল এক
ফুল ফোটানো মালি।
লাজুক লাজুক স্বভাব ছিল
থাকতো নিরব চুপ
শিমুল তুলোর মতো ছিল
গা'খানি আর রূপ।
সেই তুশিটা হারিয়ে গেছে
শূন্য করে বুক
তাই তো আমার মনের মাঝে
নেই যে কোনো সুখ।
জিয়া হক
তোমার প্রতিদান
একটা ছড়া লিখতে হবে তাই-
অন্তমিলের নদীতে সাঁতরাই।
পাখির ডানায় আদর খুঁজে
ফুলের বনে ছুটি
চাঁদের বুড়ির ভালোবাসায়
আকাশ ফুঁড়ে উঠি।
দুহাত ভেজাই জোছনা জলে
তারার সাথে ভাব
নীলাকাশের পূর্ণিমাচাঁদ
ঠাণ্ডা সবুজ ডাব।
চাঁদের সাথে আড্ডা দিয়ে
রাত ফুরিয়ে যায়
নীহারিকা হাত বাড়িয়ে-
ডাক দিলো আয় আয়।
যায় কি ভোলা ভালোবাসার দান?
নীহারিকার গায়েই খুঁজি
তোমার প্রতিদান।
ইফতেখার হালিম
দেশের জন্য লড়ি
রক্ত দিয়ে কেনা এদেশ
গরব মনের মত
দুঃখ ব্যথা ভুলে গিয়ে
লড়ব বীরের মত।
আয়রে সকল শিশু-কিশোর
দেশের জন্য লড়ি
জ্ঞান-বিজ্ঞানে বিদ্যা লাভে
সোনার বাংলা গড়ি।
বৃক্ষ নিধন পাহাড় কাটা
বন্ধ করি ভাই
নদী দূষণ খাদ্যে ভেজাল
আর কেউ না চাই।
সালাম হাসেমী
খোকার পাখি
বন হতে এক পাখির ছানা আনলো খোকা ধরে,
সে পাখিকে করল বড় আদর-যতœ করে।
এই পাখিটি প্রাণের প্রিয় ছোট্ট খোকার কাছে,
তাকে পেয়ে কেবল খোকা ফুলের মত হাসে।
আদর করে উড়িয়ে দেয় ডানা ধরে তার,
দূর আকাশে উড়তে উড়তে উধাও একেবার।
পাখির শোকে কাঁদে খোকা আকাশ পানে চেয়ে,
আসবে ফিরে আবার পাখি গগণের পথ বেয়ে।
এস ইলিয়াস বাবর
শরতের আকাশ
শরৎ বলে- তোমার বুকে
এঁকে দিলাম আল্পনা,
আকাশ বলে-তাই বুঝি হে
ভেসে ওঠে কল্পনা!
শরৎ বলে- হে হে হে
নীল করেছি শাদা,
আকাশ বলে- ভুলেই ছিলাম
আস্লে তুমি দাদা?
শরৎ দেখায় রূপের বাহার
দিলেম তবে দেখি,
আকাশ বলে তাইতো দাদা
একটুও নেই মেকি।
মানিক চক্রবর্তী
সবুজের বিছানা
নীল নীল শরতে
সাদা মেঘ আকাশে,
দল বেঁধে সারি সারি
উড়ে চলে বাতাসে।
কাশফুল ঘাসফুল
ছবি আঁকে ছন্দে,
গাছে গাছে ফুলে ফুলে
ভরে যায় গন্ধে।
মাঠে মাঠে থোকা থোকা
ফসলে দোলা খায়,
পাল তোলা নাও চলে
ভাটিয়ালি শোনা যায়।
মেঠোপথে দুই ধারে
সবুজের বিছানা,
বাংলার কৃষকের
চিরচেনা ঠিকানা।
পৃথ্বিশ চক্রবর্তী
শরৎ এলে মনে পড়ে
শরৎ এলে
ডানা মেলে
মেঘের ভেলা উড়ে
কাশের বনে
আপন মনে
বেড়াই যেন ঘুরে।
শরৎ ভোরে
ডালা ভরে
শিউলি এনে রোজ
দিত যেন
কারা কেন
করতে থাকি খোঁজ।
মন চলে যায়
কিশোরবেলায়
দূর্গা পূজোর দিনে।
মেলায় যেতাম
মজা পেতাম
খেলনা আনতাম কিনে।
অমিত কুমার কুণ্ডু
মানুষ
আলো এসে এসে আলোকিত হোক
সমস্ত চরাচর-
ভালোবেসে বেসে ভালোয় ভরুক
আমাদের বাড়িঘর।
আবার উঠুক ঘুম থেকে জেগে
অলস অবোধ জন
দ্বীপশিখা হয়ে উঠুক জ্বলে
কোটি মানুষের মন।
প্রতি প্রাণ পাক বসন্ত বায়ু
উদিত রবির আলো
মানুষের মাঝে বসবাস করে
মানুষ বাসুক ভালো।
রকিবুল ইসলাম
কোকিলের গান চাই
গ্রীষ্মের বৈশাখে পাকা পাকা আম খাই
গাছে গাছে আরও কিছু রসাল ফল পাই।
বর্ষায় নদী-নালা খাল-বিল থই থই
ধরি মাছ খালে বিলে সরপুটি চ্যাঙ কই।
শরতে নদী পাড়ে ঢেউ তুলে সাদাকাশে
হেমন্তে সাদা সাদা মেঘ ভাসে নীলাকাশে।
শীতকালে হিম শীতে খেজুরের রস খাই
বসন্তে বনে বনে কোকিলের গান চাই।
লিটন ঘোষ জয়
মেঘ শিশুদের খেলা
মেঘ শিশুদের খেলা
সকাল দুপুর বেলা।
আকাশ কেন কালো ?
কোথায় গেল আলো ?
ঘরের চালে চালে
বৃষ্টি পড়ার ধুম
বৃষ্টি শেষে নেমে এলো
খোকার চোখে ঘুম।
অনিক রায় শুভ
ভালো লাগে
ভালো লাগে ভোরে উঠে
খোলা মাঠে ঘুরতে,
ভালো লাগে পাখির মত
নীল আকাশে উড়তে।
ভালো লাগে পড়তে আমার
ভালো লাগে লিখতে,
ভালো লাগে ইশকুলে যেতে
নতুন কিছু শিখতে।
ভালো লাগে শেষ বিকেলে
নদীর সাথে চলতে,
নদীর স্রোতের কলতানে
নিজের কথা বলতে।
ভালো লাগে মা’র মমতা
বাবার আদর শাসন,
ভাই ও বোনের øেহপ্রীতি
হাসি সারাক্ষণ।
সুমন মাহমুদ
ডানপিটে দিন স্বপ্নরঙিন
আকাশ থাকে মুখ করে ভার
জানি না তার কি যে আবদার-
জমে আছে মনের মাঝে;
কিছুই বোঝা যাচ্ছে না যে।
থাকলে এমন গোমড়ামুখো
দস্যি এবং ডাকাবুকো-
রৌদ্র মেখে হাসবে কে রোজ?
ভ্রমর মধুর করবে না খোঁজ।
প্রজাপতি উড়বে নাকো,
‘মেঘলা দিনে ঘরে থাকো’
আদেশ আছে মায়ের এমন
বলতে পারো লাগে কেমন?
মেঘ তুমি তাই যাও চলে যাও
অন্য দেশে নৌকো ভাসাও।
চাই যে আমার ডানপিটে দিন,
ডানপিটে দিন স্বপ্নরঙিন। - দেড় হাজার বছরের ইতিহাসের জীবন্ত সাক্ষী আয়া সুফিয়া
- বিক্রির জন্য বাড়িতেই গাঁজা চাষ, গাছসহ নারী আটক
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা
- ঢাকায় হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি, ১০ নদীবন্দরে সতর্কতা
- চারদিন পর বন্ধ হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬ জলকপাট
- টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা
- ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, আন্দোলনে সংসদ অচল
- দেশের ৮ অঞ্চলে রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝোড়ো বৃষ্টির আভাস
- হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- ঢাকাসহ সারা দেশে টানা পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- খরচ কমলো হজের, সর্বনিম্ন ব্যয় ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা
- ফাইনালে মারামারি: তদন্ত শুরু করল ফিফা
- জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ড: তদন্ত দাবি তাসনিম জারার
- জামায়াত এমপির ড্রাইভারের নিরাপত্তা ইস্যুতে নীলার পোস্ট
- সৈকতের নীল জলে মুগ্ধতা ছড়ালেন কেয়া পায়েল
- সাহারা মরুভূমি পাড়ি দেওয়া থেকে ইয়ামাল ও নিকোর বিশ্বজয়
- টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে ফিফা
- ভারতে ছাত্র আন্দোলনে সমর্থন বাড়ছে, আন্দোলনে সংসদ অচল
- রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটকের ২ ঘণ্টা পর মুক্ত
- ১৮ বছরেই চলে গেলেন ‘গডজিলা’ তারকা কাইলি
- পুষ্টিগুণে ভরপুর স্বাস্থ্যকর খাবার পটল
- হেনা দাস: অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম
- সবজির দামে সেঞ্চুরি, কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা ছাড়াল
- তিস্তার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই
- তনু হত্যা মামলায় আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ
- ৪ অঞ্চলে‘অতি ভারী’বৃষ্টির পূর্বাভাস, চট্টগ্রামে ভূমিধসের শঙ্কা










